Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুন 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তদন্ত ছাড়া ৮ দিনের নোটিশে চাকরিচ্যুত করা যাবে সরকারি কর্মচারীকে
    আইন আদালত

    তদন্ত ছাড়া ৮ দিনের নোটিশে চাকরিচ্যুত করা যাবে সরকারি কর্মচারীকে

    কাজি হেলালUpdated:এপ্রিল 30, 2025এপ্রিল 30, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    তদন্ত ছাড়া ৮ দিনের নোটিশে চাকরিচ্যুত করা যাবে সরকারি কর্মচারীকে!
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সরকারি চাকরিজীবীদের ওপর কঠোর হতে সাড়ে চার দশক আগের একটি অধ্যাদেশের কিছু ধারা ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এটি করা হচ্ছে মূলতঃ সরকারি কর্মচারীদের রাজপথে সভা-সমাবেশ, কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি বন্ধ করতে। অন্য কর্মচারীকে তাঁর কর্মস্থলে যেতে বাঁধা না দিতে। সচিবালয়ের ভেতরে বিক্ষোভ বন্ধ করতে।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কোনো কর্মচারীর কারণে দাপ্তরিক শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটলে তদন্ত ছাড়া তাঁকে ৮ দিনের নোটিশে চাকরিচ্যুত করতে পারবে সরকার। কেউ বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তাঁকেও তদন্ত ছাড়া ৮ দিনের মধ্যে অব্যাহতি দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে কোনো কর্মচারী আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন না।

    “সরকারি চাকরি আইন ২০১৮” সংশোধনের মাধ্যমে এই বিষয়গুলো যুক্ত করা হচ্ছে। আর এ-সংক্রান্ত ধারাগুলো আনা হচ্ছে “সরকারি কর্মচারী (বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ ১৯৭৯” থেকে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৮ সালে নতুন সরকারি আইন পাস করার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ের অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যায়।

    সরকারি চাকরিতে এখন প্রায় ১৫ লাখ কর্মচারী রয়েছেন। কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন, ছুটি, শাস্তি—সবকিছুই নির্ধারিত হয় “সরকারি চাকরি আইন ও সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮”-এর মাধ্যমে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী এসব বিষয় বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লাগে। অন্তর্বর্তী সরকার চায়, কর্মচারীরা অপরাধ করলে দ্রুত শাস্তি পাবেন।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়–সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, গণ-অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রশাসনে অস্থিরতা দেখা দেয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুলিশ, প্রশাসন, শিক্ষাসহ কয়েকটি ক্যাডারের কর্মচারীদের অনেকে আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। অনেক কর্মচারী বিনা অনুমতিতে দিনের পর দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকছেন। সরকারের প্রতি আনুগত্য দেখাচ্ছেন না। অন্য কর্মচারীদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে।
    আইনটি সংশোধনের কাজ করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগ। সংশোধিত আইন অনুমোদনের জন্য শিগগিরই উপদেষ্টা পরিষদে উত্থাপন করা হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

    এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের প্রধান ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলাম কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ করেন।

    গত রবিবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোখলেস উর রহমানের দপ্তরে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে গত সোমবার মন্ত্রণালয়ের বিধি বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ শামীম সোহেল বলেন, সরকারি চাকরি আইন সংশোধনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সংশোধিত আইনটি তোলার প্রক্রিয়া চলছে।

    প্রশাসনে শৃঙ্খলা আনতে আইনটি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করেন সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক রেক্টর এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার। তিনি বলেন, কোনো কর্মচারী বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকতে পারেন না। অন্যকে প্ররোচিত করতে পারেন না। সচিবালয়ে গিয়ে বারান্দায় শুয়ে পড়তে পারেন না। কর্মচারীরা মাঝেমধ্যে যুক্তি মানেন না। প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারকে কঠোর হতে হবে।

    আইনে যা যুক্ত হচ্ছে-
    সরকারি কর্মচারী বিশেষ বিধান অধ্যাদেশ ১৯৭৯-এর চারটি ধারা সরকারি চাকরি আইনে সংযোজন করা হচ্ছে। অধ্যাদেশের তিন নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীর জন্য যেসব বিষয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে:
    ১. একজন কর্মচারী যদি এমন কোনো কাজে লিপ্ত হয়, যার কারণে অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি হয়, শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়, কর্তব্য পালনে বাধার সৃষ্টি হয়।
    ২. কোনো কর্মচারী যদি ছুটি ছাড়া বা যুক্তিসংগত কারণ না দেখিয়ে নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন বা অন্যভাবে বিরত থাকেন এবং নিজের কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হন।
    ৩. কোনো কর্মচারী যদি তাঁর নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন, একই সঙ্গে অন্য কর্মচারীকে কাজে অনুপস্থিত থাকতে প্ররোচিত করেন। কোনো কর্মচারীকে তাঁর কর্তব্য পালন না করতে উসকানি দেন।
    ৪. যদি কোনো কর্মচারী আরেক কর্মচারীকে কাজে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য পালনে নিবৃত্ত করেন। কোনো সরকারি কর্মচারী যদি এসব কর্মকাণ্ড করে থাকেন, তাহলে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন এবং নিচের যেকোনো দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

    অধ্যাদেশের ৪ নম্বর ধারায় অপরাধের দণ্ডের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, সরকার তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে পারবে। সরকার চাইলে অব্যাহতি দিতে পারবে। অথবা কোনো কর্মচারীর পদের অবনমন বা বেতন কমাতে পারবে।

    ৫ নম্বর ধারায় বলা হয়, যখন কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য মামলা হবে, তখন নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বিশেষ আদেশবলে তাঁর বিষয়ে অভিযোগ গঠন করবেন। কর্মচারীকে নোটিশের মাধ্যমে অভিযুক্ত করে ৫ দিনের বেশি নয়, ২ দিনের কম নয়—এমন সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানোর কথা বলা হবে। ওই কর্মচারী ব্যক্তিগত শুনানিতে ইচ্ছুক কি না, সেটি জানতে চাওয়া হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার পর অনেক কর্মচারী নিজেদের বঞ্চিত দাবি করে পদোন্নতি চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন। কেউ কেউ দাবি আদায়ে মেঝেতে শুয়ে পড়ছেন। এতে প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফেরাতেই সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করা হচ্ছে।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি কারণ দর্শানোর পর ব্যক্তিগত শুনানিতে হাজির হলে শুনানি গ্রহণের পর যদি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে, তখন নোটিশের মাধ্যমে প্রস্তাবিত দণ্ড কেন আরোপ করা হবে না—নোটিশ জারির তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হবে। নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত কর্মচারী কারণ দর্শালে অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারণ না দর্শালে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ নোটিশে উল্লিখিত দণ্ড অভিযুক্ত কর্মচারীর ওপর আরোপ করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে তদন্ত ছাড়া একজন কর্মচারীকে আট দিনের নোটিশে চাকরিচ্যুত করা যাবে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “সরকারের কোনো উদ্যোগ বা সিদ্ধান্তে যদি একজন কর্মচারী ভিন্নমত পোষণ করেন কিংবা নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন, সেটিকে সরকারের বিরুদ্ধাচরণ বলে চাকরিচ্যুত করার আশঙ্কা থাকবে। এই ভয়ে অনেকে নিজের মত জানাবে না।”

    কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক-
    সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগে কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেক কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসন ক্যাডারের বিভিন্ন ব্যাচের অন্তত ১০ কর্মচারী বলেন, আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ ভালো হচ্ছে না। গত সাড়ে চার দশকে কর্মচারীদের চিন্তায় ও কাজে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সমাজে অনেক মুক্তচিন্তার মানুষ তৈরি হয়েছে। সরকার যত দ্রুত বিচার করবে, তত ক্ষতি বেশি হবে। এই আইনের অপব্যবহার হবে।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা এক জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে যাঁরা ডিসির দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তাঁদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়নি। এই জন্য তাঁদের চাকরি থেকে অবসরে পাঠাতে পারছে না সরকার। সে কারণে সামরিক শাসনামলের অধ্যাদেশের কিছু ধারা নিয়ে আসা হচ্ছে, যাতে সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ না হলেও কোনো একটি কারণ দেখিয়ে তাঁদের চাকরিচ্যুত করা যাবে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সরকারি চাকরিতে কারও ২৫ বছর পূর্ণ হলে তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে যেতে পারেন। সরকারও চাইলে তাঁকে অবসরে পাঠাতে পারে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৫ নম্বর ধারায় বলা আছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর সরকার জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে কারণ দর্শানো ছাড়া তাঁকে অবসরে পাঠাতে পারবে।

    আইনটি পাস হলে সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে নোটিশ দিয়ে কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশেষ আইন মানেই হচ্ছে কালো আইন। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন সামরিক শাসনামলেও একই উদ্দেশে অধ্যাদেশটি করা হয়েছিল। ঢালাওভাবে কর্মচারীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া প্রশাসনে ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে। একজন কর্মচারীকে অবশ্যই আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    বিচার প্রক্রিয়ায় এআইয়ের নীরব পক্ষপাত

    জুন 21, 2026
    আইন আদালত

    আদালতের নির্দেশনায় চমেকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা

    জুন 21, 2026
    আইন আদালত

    নিষ্পত্তির চেয়ে দ্রুত বাড়ছে মৃত্যুদণ্ড মামলা

    জুন 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.