ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য। মঙ্গলবার (১৩ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত সাম্য ঢাবির একজন সক্রিয় ছাত্রদল কর্মী ছিলেন। ঘটনার পরপরই রমনা বিভাগের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযান শেষে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম জানান, ঘটনার সময় সাম্য কালীমন্দিরের পাশে ছিলেন। সেখানে তিনজন যুবক তার ওপর হামলা চালায়। ছুরিকাঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

হামলার সময় অভিযুক্তদের শরীরেও আঘাত লাগে। তারা একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। পুলিশ খবর পেয়ে সেখান থেকে দুইজনকে আটক করে। তবে আরেকজন পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।
ডিসি মাসুদ আলম বলেন, মোটরসাইকেলের ধাক্কা থেকে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা মারামারিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে এটুকু জানা গেছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
আটক দুইজনের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাদের পরিচয় গোপন রেখেছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে উদ্যানে ও ক্যাম্পাস এলাকায়।

