সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নে ১৩ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে পুলিশ ১৬ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন রাতে ভুক্তভোগীর মা সাভার মডেল থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং এক কিশোরীর বিরুদ্ধে সহায়তার অভিযোগে মামলা করেন।
গতকাল বুধবার পুলিশ এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। অন্য দুই আসামি, রাকিব (২৫) ও আশিক (২০), ঘটনার পর থেকে পলাতক। সাভার মডেল থানার ওসি জুয়েল মিঞা জানান, পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, পূর্বপরিচয়ের সূত্রে গত রোববার এক কিশোরী ভুক্তভোগী মেয়েটিকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে ভুক্তভোগীর মা জানতে পারেন, তাঁর মেয়ের মরদেহ এলাকার একটি বাড়ির বারান্দায় পড়ে আছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগীর মা জানান, গ্রেপ্তার কিশোর ও পলাতক কিশোরী স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকত। রোববার কিশোরীর ডাকে ভুক্তভোগী বাসা থেকে বের হয়। রোববার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল ১০টার মধ্যে কিশোরীর সহায়তায় রাকিব, আশিক ও গ্রেপ্তার কিশোর মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ ও হত্যা করে বলে অভিযোগ। পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্ত চলছে। ওসি জুয়েল মিঞা বলেন, অভিযান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না সব আসামি গ্রেপ্তার হয়।

