Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সিইওর জিম্মায় এফডিআরের ৬২ কোটি টাকা
    অপরাধ

    সিইওর জিম্মায় এফডিআরের ৬২ কোটি টাকা

    নিউজ ডেস্কমে 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    গাজীপুর জেলা পরিষদের সরকারি তহবিল ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এক দিনে প্রায় ৬২ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) ভেঙে ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।

    সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া এফডিআর ভাঙা কিংবা নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা যায় না। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এসব বিধান উপেক্ষা করেই এই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। পরে সেই অর্থ আবার নতুন অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। সিইও মো. নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, এ কাজ প্রশাসকের অনুমতিক্রমেই করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসক সেই দাবি অস্বীকার করেছেন।

    অনুসন্ধানে এই অর্থ উত্তোলনের ঘটনাটি সামনে আসে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, পে-অর্ডার আকারে উত্তোলিত এই বিপুল অর্থ সিইওর নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়, যা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। মো. নজরুল ইসলাম গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর গাজীপুর জেলা পরিষদের সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি কুমিল্লায় পাঁচ মাস এবং শরীয়তপুরে চার মাস দায়িত্ব পালন করেন। ওই সব কর্মস্থলেও তার কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা বিতর্কের কথা বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়।

    গাজীপুরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তার কর্মকাণ্ড আরও বিতর্কিত হয়ে ওঠে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়। এর ধারাবাহিকতায় এই ৬২ কোটি টাকার এফডিআর ভাঙার ঘটনা সামনে আসে, যা এখন প্রশাসনিক তদন্ত ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, গাজীপুর জেলা পরিষদের নামে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে আগে থেকেই ৬২ কোটি টাকার বেশি স্থায়ী আমানত (এফডিআর) রয়েছে। এই এফডিআর থেকে অর্জিত সুদের একটি অংশ নিয়মিতভাবে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

    আর্থিক নিয়ম অনুযায়ী, মেয়াদি এফডিআর নির্ধারিত সময়ের আগে ভাঙলে সাধারণত সুদ বা মুনাফার সুবিধা হারিয়ে যায়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলাম স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে এবং যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই একযোগে ১৪টি ব্যাংকের এফডিআর ভাঙার নির্দেশ দেন।

    অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল তিনি পৃথকভাবে ১৪টি ব্যাংকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠান। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক (জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা), জনতা ব্যাংক (গাজীপুর শাখা), আইএফআইসি ব্যাংক (বোর্ডবাজার শাখা), এনআরবি ব্যাংক (মাওনা শাখা), বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক (জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা), ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা), রূপালী ব্যাংক (জয়দেবপুর শাখা), বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (আওড়াখালী শাখা ও জয়দেবপুর শাখা) এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক (জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা)।

    চিঠিতে সিইও নজরুল ইসলাম ব্যাংক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে উল্লেখ করেন, গাজীপুর জেলা পরিষদের নামে থাকা সংশ্লিষ্ট এফডিআরের সুদসহ সম্পূর্ণ অর্থ জেলা পরিষদের অনুকূলে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি ব্যাংকগুলোর কাছে ওই অর্থ পে-অর্ডারের মাধ্যমে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। একই ধরনের বক্তব্য প্রায় সব ব্যাংকে পাঠানো চিঠিতেও উল্লেখ করা হয়।

    পরবর্তীতে ব্যাংকগুলো সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থ জেলা পরিষদের অনুকূলে পাঠায় এবং এ সংক্রান্ত চিঠির অনুলিপি স্থানীয় সরকার বিভাগের ঢাকা বিভাগের পরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং হিসাবরক্ষকের কাছেও পাঠানো হয়। এতে বিষয়টি ধীরে ধীরে সংশ্লিষ্ট মহলের নজরে আসে। এদিকে, পরিষদের অভ্যন্তরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই সিইও নজরুল ইসলাম জানান, উত্তোলিত এফডিআরের অর্থ নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে সেখানে পুনরায় জমা দেওয়া হবে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, কোনো জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) একক সিদ্ধান্তে এফডিআর ভাঙার ক্ষমতা রাখেন না। স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করে।

    ওই নির্দেশনায় বলা হয়, জেলা পরিষদের স্থায়ী আমানতের অর্থ কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বা গাড়ি ক্রয়ে ব্যবহার করা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে এফডিআর ভাঙতে হলে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি জেলা পরিষদের নামে খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন বা নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

    কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, গাজীপুর জেলা পরিষদের সিইও মো. নজরুল ইসলাম এসব বিধান উপেক্ষা করে একযোগে ১৪টি ব্যাংকের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর ভাঙার উদ্যোগ নেন। এরপর অর্থ পে-অর্ডারের মাধ্যমে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। পরে তিনি জানান, অর্থটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে পুনরায় জমা দেওয়া হবে। তবে নীতিমালায় নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা ও এমন লেনদেনের সুযোগ নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

    এ বিষয়ে সিইও মো. নজরুল ইসলাম অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করলেও তার যুক্তি ভিন্ন। তিনি বলেন, একাধিক ব্যাংক বর্তমানে সুবিধাজনক অবস্থানে নেই এবং সুদের হারও কম। তাই প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বার্থ বিবেচনায় অর্থগুলো আধুনিক ও সুবিধাজনক ব্যাংকে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি প্রশাসকের জ্ঞাতসারেই সম্পন্ন হয়েছে এবং অর্থ পে-অর্ডারের মাধ্যমে জেলা পরিষদের হিসাবে জমা হয়েছে।

    অন্যদিকে গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, সিইওর এসব অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না। তিনি বলেন, বিষয়টি এখনই জানতে পেরেছেন এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, যেহেতু ঘটনাগুলো তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের আগের, তাই দায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ওপর বর্তায়।

    এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন অধিশাখা) ড. মো. মনিরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মন্ত্রণালয় কঠোর নির্দেশনা দিয়ে থাকে। তাঁর মতে, নিয়ম ভঙ্গ করে এফডিআর ভাঙার সুযোগ নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে, তবে অনুমতি ছাড়া কোনোভাবেই তা বৈধ নয়। তিনি আরও বলেন, নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এ ঘটনায় জেলা পরিষদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা অনুসরণের বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

    তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গাজীপুর জেলা পরিষদের সিইও মো. নজরুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ের কোনো বিশেষ অনুমোদন বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বিষয়টি আগে থেকে কোনো দপ্তর বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়নি।

    পরবর্তীতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান। তবে স্থানীয় সরকার বিভাগের নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, জেলা পরিষদের নামে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা বা পরিবর্তন করা অনুমোদনযোগ্য নয়।

    এ অবস্থায় উত্তোলিত বিপুল অর্থ এখন পে-অর্ডার আকারে সিইওর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, এভাবে সরকারি তহবিলের অর্থ এককভাবে কারও জিম্মায় রাখা নিয়মবহির্ভূত। এতে আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা দুটোই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তাদের মতে, এভাবে অর্থ আটকে থাকলে জেলা পরিষদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সুদ বা মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি পে-অর্ডারগুলো হারিয়ে যাওয়ার বা ব্যবস্থাপনাগত জটিলতার ঝুঁকিও থেকে যাচ্ছে।

    ফলে পুরো বিষয়টি এখন শুধু নীতিগত প্রশ্ন নয়, বরং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বড় ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    মিরপুরে মিলেমিশে চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক, তালিকায় নেতা–পুলিশ

    মে 6, 2026
    অপরাধ

    মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা : অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

    মে 6, 2026
    অপরাধ

    লাখে ৩ হাজার লাভের ফাঁদে ৪০০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও নাজরান ফিশারিজ

    মে 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.