রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (টিটিসি) ছাত্রাবাস ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই গড়ে উঠেছে অনিয়ম ও দখলবাজির একটি চক্র। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য নির্ধারিত এই আবাসন এখন আর শুধু প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সীমাবদ্ধ নেই। অভিযোগ রয়েছে, এটি ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে সিট বাণিজ্য, বহিরাগত দখল এবং নানা অনিয়মের কেন্দ্রবিন্দুতে।
জানা যায়, প্রশাসনিক নজরদারির ঘাটতি ও দীর্ঘদিনের শৈথিল্যের সুযোগে ছাত্রাবাসে ঢুকে পড়েছে অছাত্র, চাকরিজীবী এবং স্থানীয় হকারদের একটি অংশ। এমনকি নিউমার্কেট এলাকার কিছু হকারও এখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে প্রকৃত বিএড প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য আবাসন সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে নারী প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
তথ্য অনুযায়ী, কলেজের কিছু শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময় শেষ হলেও ইচ্ছাকৃতভাবে বিএড পরীক্ষা না দিয়ে ছাত্রত্ব দীর্ঘায়িত করেন। অভিযোগ রয়েছে, এর মূল উদ্দেশ্য থাকে হোস্টেলে বরাদ্দ থাকা সিট ধরে রাখা এবং পরে তা বহিরাগতদের কাছে চড়া দামে ভাড়া বা বিক্রি করা। এভাবে সরকারি ছাত্রাবাস কার্যত সস্তা মেসে পরিণত হয়েছে।
শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, একটি সক্রিয় চক্র এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। তারা সরকারি আবাসনের সুযোগ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত আর্থিক লাভ করছে। অনেক ক্ষেত্রে আসন বরাদ্দ থাকলেও সেখানে থাকছেন সম্পূর্ণ বাইরের লোকজন। আবার কেউ কেউ নিজেদের সিট মাসিক চুক্তিতে অন্যদের কাছে ‘সাবলেট’ দিয়ে দিচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, হোস্টেলের বড় একটি অংশ এখন কার্যত বাণিজ্যিক মেসে পরিণত হয়েছে। আসন ধরে রাখতে অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে পরীক্ষা দেন না, যাতে ছাত্রত্ব দীর্ঘায়িত করা যায় এবং সিট হাতছাড়া না হয়। পরে সেই সিট আবার বহিরাগতদের কাছে বিক্রি করা হয়।
অন্যদিকে দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিষয়টি নজরে আসার পর প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, একাধিক হোস্টেলে নিয়মিতভাবে বহিরাগতদের উপস্থিতি রয়েছে এবং তাদের অনেকেই কলেজের শিক্ষার্থী নন। সরকারি আবাসনে এ ধরনের অনিয়ম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আবাসিক হলে মাদকের আসর ও ইভটিজিংয়ের অভিযোগ:
হোস্টেলে বহিরাগতদের উপস্থিতির কারণে নিয়মিত মাদকের আসর বসছে। গভীর রাতে দলবেঁধে আড্ডা, উচ্চ শব্দে গান বাজানো এবং রান্নার নামে বিশৃঙ্খলা সেখানে প্রায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত ক্ষমতার হিটার ব্যবহার করে একসঙ্গে রান্না করায় কলেজকে প্রতি মাসে প্রায় তিন লাখ টাকা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল গুনতে হচ্ছে। পানি ও গ্যাসের অপচয়ও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
প্রশাসনিক অভ্যন্তরীণ তথ্যে বলা হয়েছে, হোস্টেলের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না। একাধিক সূত্র আরও জানায়, বহিরাগতদের একটি অংশ ছাত্রাবাসকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে সক্রিয়। তারা ক্যাম্পাস সংলগ্ন ফুটপাতের দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি খেলার মাঠ ভাড়া দেওয়া, ক্যান্টিনে আধিপত্য বিস্তার এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে হোস্টেলে একাধিক চুরির ঘটনার পেছনেও বহিরাগতদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রশাসনের নজরে এসেছে।
এদিকে বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য শুধু আর্থিক অনিয়মেই সীমাবদ্ধ নয়। তারা কলেজ প্রশাসন ও কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রাবাসের এক সহায়ক কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
এছাড়া অধ্যক্ষের বাসভবনের নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এপ্রিলের মাঝামাঝি রাতে একদল বহিরাগত ক্যাম্পাসের কর্মচারী আবাসিক এলাকায় ঢুকে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বলে সূত্র জানায়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হিসেবে উঠে এসেছে, সম্প্রতি কলেজে প্রশিক্ষণে থাকা দুই নারী প্রশিক্ষণার্থী বহিরাগতদের মাধ্যমে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৪৫০ সিটের মধ্যে ২০০টিই দখলে:
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (টিটিসি) ছাত্রাবাসে মোট ৪৫০টির বেশি সিটের মধ্যে অন্তত ২০০টি দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই দখলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি সিট বাণিজ্য চক্র। এতে কলেজের কিছু সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীর পাশাপাশি ঢাকা কলেজের কয়েকজন ছাত্রও জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
নতুন ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থী আবেদন করেও সিট পাচ্ছেন না। যারা সিট পাচ্ছেন, তাদেরও গাদাগাদি করে এক কক্ষে থাকতে হচ্ছে। অথচ একই সময়ে কিছু কক্ষে বহিরাগতরা দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হকারদের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি কলেজের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে ‘সবাই জানে এমন বাস্তবতা’ হিসেবে থাকলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএড শিক্ষার্থী বলেন, “অনেকেই সিটের জন্য আবেদন করেও পান না। যারা পান, তাদেরও গাদাগাদি করে থাকতে হয়। অথচ বহিরাগতরা বুক ফুলিয়ে দীর্ঘদিন ধরে থাকছেন। অনেকের সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হকারদের যোগাযোগ রয়েছে।”
কলেজ প্রশাসনের দাবি, এই দখলদারিত্ব নতুন নয়। গত ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে ছাত্রাবাসের বড় একটি অংশ অছাত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এদের মধ্যে চাকরিজীবী, স্থানীয় হকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী এবং অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু ছাত্রও রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, একটি অসাধু চক্র শিক্ষার্থীদের নামে বরাদ্দ সিট বহিরাগতদের কাছে ভাড়া দিয়ে নিয়মিত বিপুল অর্থ আয় করছে।
এই পরিস্থিতির কারণে শুধু আবাসন সংকটই নয়, কলেজের একাডেমিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রশিক্ষণার্থীরা আবাসনের অভাবে অনেক সময় কোর্সে অংশ নিতে সমস্যায় পড়ছেন। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আবাসন সংকটের কারণে বছরে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নেওয়ার পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।
প্রশাসনের অভিযোগ, দখলকৃত কক্ষগুলোতে নিয়মিত অনিয়ম চলছে। সেখানে মাদক সেবন, গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং সিট বাণিজ্যের মতো কর্মকাণ্ড চলছে বলে জানা গেছে। বহিরাগতদের একটি অংশ নিউমার্কেট এলাকার হকারদের সঙ্গেও যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। কেউ কেউ আবার ছাত্রাবাসের ভেতর থেকেই বাইরের হকারদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হোস্টেলে নিরাপদে থাকতে পারছেন না। অনেকে বাধ্য হয়ে বাইরে বাসা ভাড়া নিচ্ছেন।
কলেজ প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে এখন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় বহিরাগত উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। বৈধ শিক্ষার্থী ছাড়া কাউকে ছাত্রাবাসে থাকতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খাদেমুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রাবাসকে সম্পূর্ণ বহিরাগতমুক্ত করে প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল আবাসন নিশ্চিত করা হবে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দখলদারিত্ব বরদাশত করা হবে না।”
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি) প্রশাসন ছাত্রাবাস থেকে বহিরাগতদের যেকোনো মূল্যে উচ্ছেদে সাঁড়াশি অভিযানের উদ্যোগ নিয়েছে। দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও অনিয়মের পর এবার কঠোর অবস্থানে গিয়ে কর্তৃপক্ষ তিন দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
কলেজ সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার (১৮ মে) সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ছাত্রাবাসে আকস্মিক অভিযান চালানো হয়। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করা কয়েকজন বহিরাগত দ্রুত রুম তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। তবে পুরো অভিযান চলাকালে পরিস্থিতি ছিল শান্ত।

অভিযানে অংশ নেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, আজ থেকে টানা তিন দিন ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ পরিচালনা করা হবে। এই অভিযানের আওতায় প্রতিটি কক্ষ তল্লাশি করা হবে। শিক্ষার্থীদের আইডি ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় যাচাই করা হবে। বৈধ পরিচয় না থাকলে সঙ্গে সঙ্গে বহিরাগতদের বের করে দেওয়া হবে।
এদিকে বহিরাগতদের উদ্দেশে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রাবাসে অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের দ্রুত মালামালসহ হোস্টেল ছাড়তে হবে। অভিযান চলাকালে কোনো কক্ষ তালাবদ্ধ পাওয়া গেলে সেটি খুলে নতুন তালা লাগিয়ে সিলগালা করা হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কক্ষ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া উচ্ছেদ কার্যক্রমে কেউ বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
যেকোনো মূল্যে ছাত্রাবাস বহিরাগতমুক্ত করা হবে: অধ্যক্ষ
যেকোনো মূল্যে ছাত্রাবাস বহিরাগতমুক্ত করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খাদেমুল ইসলাম।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের জটিলতা সত্ত্বেও কলেজ প্রশাসন এখন ছাত্রাবাসকে সম্পূর্ণভাবে বহিরাগতমুক্ত করে প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল আবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণের এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের জায়গা। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দখলদারিত্ব আর বরদাশত করা হবে না।
দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অনিয়মের বিরুদ্ধে এবার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে কলেজ প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে তিন দিনব্যাপী বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে তালাবদ্ধ রুম সিলগালা করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক বহিরাগত আগেই রুম তালা দিয়ে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেছে বলে জানা গেছে।
অধ্যক্ষ বলেন, মূল লক্ষ্য ছাত্রাবাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। প্রকৃত শিক্ষকরা যেন নিশ্চিন্তে থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করাই তাদের অগ্রাধিকার। তিনি জানান, আবাসন সংকটের কারণে আগে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সীমিত করতে হয়েছিল। বহিরাগতদের সরানো গেলে আবার পূর্ণোদ্যমে কোর্স চালু করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রতিষ্ঠান মূলত মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভালো চাকরি পাচ্ছেন। তাই সরকারি এই সুবিধা প্রকৃত শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো জরুরি। শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। খুব দ্রুতই ছাত্রাবাসে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সূত্র: ঢাকা পোস্ট
সিভি/এম

