Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » করোনা ওষুধের নামে এসকেএফের কোটি টাকার বাণিজ্য?
    অপরাধ

    করোনা ওষুধের নামে এসকেএফের কোটি টাকার বাণিজ্য?

    নিউজ ডেস্কমে 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মরণব্যাধি এ ভাইরাসের বিস্তার রোধের কোনো পথ জানা ছিল না বিশ্বের বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসকদের। লাখো মানুষের মৃত্যু গোটা বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। বিশ্বের বড় বড় ওষুধ কোম্পানি করোনা মোকাবিলার জন্য ওষুধ এবং ভ্যাকসিন আবিষ্কারে দিনরাত পরিশ্রম শুরু করে। এ মহামারির মধ্যে মানুষের অসহায়ত্ব পুঁজি করে প্রতারণা এবং জালিয়াতির এক ঘৃণ্য নজির স্থাপন করে বাংলাদেশের একটি ওষুধ কোম্পানি।

    ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকানাধীন এসকেএফ এ সময় করোনার মুখে খাওয়ার ওষুধ আবিষ্কারের কথা বলে জ্বরের ওষুধ বাজারে ছেড়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

    ২০২১ সালের ১০ নভেম্বর এসকেএফ ঘোষণা করে যে তারা করোনা চিকিৎসায় বিশ্বে প্রথম অনুমোদিত ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’ বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে। ওইদিন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের রাজধানীর বনানী কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন এ ওষুধের বাজারজাত করার কথা জানানো হয়। সেখানে এসকেএফের একজন কর্মকর্তা বলেন, সব আনুষ্ঠানিকতা ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষে তাঁরা ওষুধটি বাজারে এনেছেন।

    প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দেড় বছরের বেশি বিশ্বে ৫০ লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এতদিন অনুমোদিত কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ ছিল না। ৪ নভেম্বর এর চিকিৎসায় মলনুপিরাভিরের অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য। করোনা সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একজন প্রাপ্তবয়স্ককে সকালে চারটি ও রাতে চারটি ক্যাপসুল সেবন করতে হবে।

    এভাবে পাঁচ দিনে ৪০টি ক্যাপসুল সেবন করতে হবে। প্রতি ক্যাপসুলের দাম ধরা হয়েছিল ৫০ টাকা।অর্থাৎ একজন ব্যক্তিকে ২ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হবে। কিন্তু ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জার্নালের তথ্যানুযায়ী, এটি আদৌ করোনার ওষুধ নয়। করোনার সময়ও এটি আবিষ্কার করা হয়নি। ব্রিটেনে চিকিৎসকরা এ ওষুধ উচ্চ জ্বরে আক্রান্তদের জন্য ব্যবহার করেন। মেডিসিন জার্নালের তথ্যানুযায়ী, মলনুপিরাভির মুখে খাওয়ার ক্যাপসুল বা বড়ি। সাধারণত ফ্লুর চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হতো। করোনার একটি বড় উপসর্গ হলো উচ্চমাত্রার জ্বর। সেজন্যই যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার সময় জ্বর প্রশমনে এটির ব্যবহার বেড়ে যায়।
    যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) মলনুপিরাভিকে জ্বরের ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। কোনোভাবেই এটি করোনার ওষুধ নয়। কিন্তু এসকেএফ এটিকে করোনার ওষুধ হিসেবে প্রচার করে। প্রতিষ্ঠানটি এ ওষুধের বাজারজাতকরণের ঘোষণায় বলে, Eskayef is very happy to share the launching news of UK MHRA Approved Oral Anti-Covid drug Molnupiravir with brand name MONUVIR 200 Capsule, which is world’s 1st generic Molnupiravir from UK MHRA Approved Plant.
    বিষয়টি চিকিৎসকদের নজরে এলে তাঁরা এ ওষুধকে করোনার ওষুধ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এসকেএফ এ ওষুধটি বাজার থেকে সরিয়ে ফেলে। এখন বাজারে এই ভুয়া করোনার খাওয়ার ওষুধ বিক্রি হচ্ছে না। বাজারে এ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কি না-একাধিক ওষুধের দোকানে জানতে চাওয়া হলে দোকানিরা জানান, কোম্পানি বাজার থেকে ওষুধটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

    বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন আইন অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে একটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা যেতে পারে। কিন্তু এ রকম ভয়ংকর প্রতারণার পরও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এসকেএফের এই প্রতারণার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এসকেএফের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা এ বিষয়ে মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

    মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ডা. মো. মুজাহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কেবল করোনার ওষুধই নয়, অন্যান্য ওষুধ নিয়েও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। যেমন এসকেএফ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য বাজারে দুটি আলাদা ওষুধ বিক্রি করে। Esoral MUPS (ইসোমিপ্রাজল MUPS) এবং Losectil (লোসেকটিল-ওমেপ্রাজল)। দুটি ওষুধের কার্যকারিতা একই, তার পরও কারসাজি করার জন্য একই ওষুধ দুই নামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এ ওষুধ দিয়ে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বাজারে সিন্ডিকেট করে এসকেএফ। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ওষুধের দাম বাড়ানো হয়।

    ঔষধ প্রশাসনের নাকের ডগায় এসকেএফ তাদের ওষুধের দাম ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে বিক্রি করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এ ব্যাপারে ঔষধ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিচালক এসকেএফের বাজার সিন্ডিকেটের কথা স্বীকার করেন। কিন্তু তারা যেহেতু প্রভাবশালী তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঔষধ প্রশাসন ভয় পায়। এ ছাড়া ঔষধ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এসকেএফের বেশ কিছু ওষুধের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    এই কোম্পানির Ostocal GX (অস্টোক্যাল জিএক্স- ক্যালসিয়াম+ভিটামিন D3) ভিটামিন এবং Xinc B (জিঙ্ক ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স)-এর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ফার্মাসিস্টরা। এসব ওষুধের আদৌ কোনো কার্যকারিতা আছে কি না তা পরীক্ষা করার দাবি জানানো হয়েছে বারবার। ফার্মা বিশেষজ্ঞদের মতে চিকিৎসকদের নানানরকম প্রলোভনের মাধ্যমে অপ্রয়োজনে এসব ওষুধ রোগীদের দেওয়া হয়। কিন্তু এসকেএফের মালিকানায় দুটি প্রভাবশালী সংবাদপত্র থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে ভয় পায়।

    সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন/কালের কণ্ঠ

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    চিকিৎসা খাতে ব্যবসার ছায়া—ডাক্তারদের ঘিরে ওষুধ কোম্পানির লোভনীয় প্রস্তাব

    জুন 10, 2026
    অপরাধ

    ঢাকার শহরজুড়ে ১৩৮৭ ছিনতাইকারী—কে দেবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা?

    জুন 9, 2026
    অপরাধ

    বরিশালের দুই যুবককে কম্বোডিয়ায় নিয়ে জিম্মি করে ‎প্রতারণা করতে বাধ্য করার অভিযোগ

    জুন 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.