Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মাদকের নতুন ফাঁদে বাংলাদেশ
    অপরাধ

    মাদকের নতুন ফাঁদে বাংলাদেশ

    নিউজ ডেস্কUpdated:জুন 27, 2026জুন 27, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক এখনও গাঁজা। এর পরেই রয়েছে মেথামফেটামিন বা ইয়াবা। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন এক উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে কোকেন ও ক্রিস্টাল মেথের বিস্তার। উৎপাদনকারী দেশ না হওয়া সত্ত্বেও দেশে এই দুই মাদকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। একই সঙ্গে এলএসডি, ডিএমটি, কুশসহ বিভিন্ন ধরনের সিন্থেটিক বা ডিজাইনার ড্রাগের বিস্তারও বাড়ছে।

    আন্তর্জাতিক নারকোটিকস কন্ট্রোল বোর্ড (আইএনসিবি) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন শুধু মাদক পাচারের ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটগুলো দেশটিকে ধীরে ধীরে একটি সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবেও বিবেচনা করছে।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাদকের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সরকারি ও আন্তর্জাতিক উভয় প্রতিবেদনে কোকেনের বিস্তার বাড়ার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে। পাশাপাশি প্রচলিত মাদকের বাইরে নতুন নতুন অপ্রচলিত মাদকও দেশে প্রবেশ করছে এবং এসবের নতুন ভোক্তা তৈরি হচ্ছে।

    অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মোট ১৩ ধরনের অপ্রচলিত মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে খাত, আইস, এমডিএমএ, এলএসডি, টাপেন্টটাডল, ট্রামাডল, ডিএমটি, ম্যাজিক মাশরুম, ডিওবি, কুশ, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জমাট হিরোইন, ব্ল্যাক কোকেন এবং এমডিএমবি।

    সিন্থেটিক ড্রাগের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে আইএনসিবির ২০২৫ সালের প্রতিবেদন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বার্ষিক মাদক প্রতিবেদন ২০২৫-এ। দুটি প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বৈশ্বিক মাদকবাজারে যে পরিবর্তন ঘটছে তার প্রভাব বাংলাদেশেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

    প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন প্রজন্মের মাদকের বিস্তারের কারণে বাংলাদেশকে এখন শুধু পাচারের করিডোর হিসেবে নয়, আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের ক্রমবর্ধমান বাজারে পরিণত করারও চেষ্টা চলছে। এই প্রবণতায় কোকেন ও বিভিন্ন ধরনের সিন্থেটিক ড্রাগ বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, সিন্থেটিক ড্রাগ বা নিউ সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্টেন্স (এনপিএস) হলো রাসায়নিক উপায়ে তৈরি এমন মাদক, যা হেরোইন, কোকেন, গাঁজা বা একস্ট্যাসির মতো প্রচলিত অবৈধ মাদকের প্রভাব অনুকরণ করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক গঠন পরিবর্তনের মাধ্যমে এসব মাদক উৎপাদন করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো ‘লিগ্যাল হাই’, ‘বাথ সল্ট’ বা ‘রিসার্চ কেমিক্যাল’ নামে বাজারজাত করা হয়।

    কোকেন পাচারের নতুন রুট হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলার চেষ্টা:

    দক্ষিণ আমেরিকায় কোকেনের উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক মাদক চক্রগুলো এখন এশিয়া ও আফ্রিকার নতুন বাজারে নজর দিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে কেবল মাদক পাচারের ট্রানজিট রুট নয়, বরং কোকেনের সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ডের (আইএনসিবি) ২০২৫ সালের প্রতিবেদন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলম্বিয়া, পেরু ও বলিভিয়ায় কোকেনের অবৈধ উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রগুলো নতুন গন্তব্য খুঁজছে এবং সেই প্রভাব বাংলাদেশেও দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

    দেশে গাঁজা ও ইয়াবার মতো প্রচলিত মাদকের পাশাপাশি কোকেন এবং এলএসডি, ডিএমটি, কুশ ও ক্রিস্টাল মেথের মতো নতুন প্রজন্মের সিন্থেটিক মাদকের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটগুলো বাংলাদেশকে এখন শুধু পাচারের করিডোর হিসেবে ব্যবহার করছে না, একই সঙ্গে একটি বড় ভোক্তা বাজারে পরিণত করার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহার করে ডার্ক ওয়েব ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে এসব মাদকের কেনাবেচা পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন পার্সেলের আড়ালে এসব মাদক দেশে প্রবেশ করছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় সিন্থেটিক মাদক তৈরির একটি ল্যাবের সন্ধানও পাওয়া গেছে, যা জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    আইএনসিবির পর্যবেক্ষণের সঙ্গে মিল রয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তথ্যেও। সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে কোকেন পরীক্ষার নমুনার সংখ্যা বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা এটিকে দেশে কোকেনের প্রবাহ ও ব্যবহার বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

    দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রায় ১১ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করে বিজিবি

    ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকায় উৎপাদিত কোকেন প্রথমে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে পৌঁছায়। এরপর নাইজেরিয়া, তানজানিয়া ও মালাউইসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের মাধ্যমে আকাশপথে বাংলাদেশে আনা হয়। পরে এর একটি অংশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে পাচার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে পাচারকারীরা পেটের ভেতরে ক্যাপসুল আকারে মাদক বহন করে। আবার সাধারণ পার্সেল কিংবা বিভিন্ন পণ্যের আড়ালেও কোকেন পরিবহন করা হয়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের দুটি প্রধান মাদক উৎপাদন অঞ্চল—গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল (মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস) এবং গোল্ডেন ক্রিসেন্ট (আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান)—এর মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। এই কৌশলগত অবস্থান বাংলাদেশকে একই সঙ্গে মাদক পাচারের ট্রানজিট রুট ও গন্তব্যস্থলে পরিণত করেছে। স্থল, নৌ ও আকাশপথ—তিনটি পথেই দেশে মাদক প্রবেশ করছে।

    আইএনসিবির মূল্যায়নে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়া এখন আর শুধু মাদক পাচারের করিডোর নয়। অঞ্চলটি ধীরে ধীরে কোকেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে। বিশ্ববাজারে কোকেনের অতিরিক্ত সরবরাহ, পাচারের রুটের পরিবর্তন, দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান—সব মিলিয়ে দেশে কোকেনের প্রবেশ ও ব্যবহার বাড়ছে।

    মিয়ানমার ও ভারত থেকেই আসছে দেশের অধিকাংশ মাদক:

    বাংলাদেশে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথের প্রধান উৎস এখন মিয়ানমার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের শান ও কাচিন রাজ্যের গোপন ল্যাবরেটরিতে এসব মাদক উৎপাদিত হয়। পরে নাফ নদীপথ ব্যবহার করে টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ, সেন্ট মার্টিন, উখিয়া এবং কক্সবাজার উপকূল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

    আন্তর্জাতিক নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ডের (আইএনসিবি) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে উৎপাদিত মেথামফেটামিন প্রথমে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পাচার করা হয়। এরপর ভারতের বিভিন্ন সীমান্তপথ ব্যবহার করে তা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ফলে মিয়ানমার-ভারত-বাংলাদেশ করিডর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সক্রিয় মাদক পাচার রুটে পরিণত হয়েছে।

    হেরোইনের ক্ষেত্রেও ভারতের সীমান্তই প্রধান প্রবেশপথ। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে হেরোইন বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢোকে। গাঁজা মূলত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো থেকে বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্ব সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে। এ ক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট এবং দিনাজপুর সীমান্তকে পাচারকারীরা বেশি ব্যবহার করে।

    ফেনসিডিল, যা কোডিন-ভিত্তিক একটি সিরাপ, সেটিও ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর এবং কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্তপথ দিয়ে এই মাদক দেশে প্রবেশ করছে। এ ছাড়া ট্যাপেন্টাডলও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, লালমনিরহাট এবং দিনাজপুর জেলার সীমান্তপথ এই মাদক পাচারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    সিন্থেটিক ড্রাগের বিস্তারে বাড়ছে নতুন শঙ্কা:

    প্রচলিত মাদকের পাশাপাশি বাংলাদেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে নিউ সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্ট্যান্সেস (এনপিএস) বা সিন্থেটিক/ডিজাইনার ড্রাগ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তথ্য অনুযায়ী, সিন্থেটিক ক্যানাবিনয়েডস, ক্যাতিনোনস, ট্রিপটামাইনস এবং ফেনইথিলামাইনস শ্রেণির এসব মাদক নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব মাদক সেবনের ফলে তীব্র বিষক্রিয়া, খিঁচুনি, সাইকোসিস এবং গুরুতর মানসিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    ডিএনসির বার্ষিক প্রতিবেদনে এলএসডি ও ডিএমটির মতো শক্তিশালী হ্যালুসিনোজেনিক মাদকের বিস্তার নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলএসডি সাধারণত রঙিন ব্লট পেপারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। অন্যদিকে ডিএমটি ব্যবহারকারীর বাস্তবতা উপলব্ধির ক্ষমতায় পরিবর্তন ঘটায়।

    একই সময়ে এমডিএমএ বা এক্সটাসি, যা ‘মলি’ নামেও পরিচিত, দেশের নতুন প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটি মূলত পার্টি ড্রাগ হিসেবে পরিচিত হলেও এর ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, ‘এমডিএমবি ফোর এন পিআইএনএসিএ’ নামের একটি সিন্থেটিক ক্যানাবিনয়েড ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে শনাক্ত হয়। এর আগে ২০১৮ সালে দেশে ৫ হাজার ১৫৬ কেজি ‘খাত’ জব্দ করা হয়েছিল।

    নতুন প্রজন্মের আরেকটি আলোচিত মাদক ‘কুশ’ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। সিন্থেটিক ক্যানাবিনয়েড ও বিভিন্ন রাসায়নিকের মিশ্রণে তৈরি এই মাদকের একটি ল্যাবরেটরির সন্ধান সম্প্রতি ঢাকায় পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে দেশে এই মাদকের স্থানীয় উৎপাদনের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

    চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওপিওডজাত ব্যথানাশক টাপেন্টাডলও এখন মাদকসেবীদের মধ্যে নতুন করে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ডিএনসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়াবা বা অ্যামফেটামিনজাত মাদকের বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু ২০২৪ সালেই প্রায় ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৩৬৪টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে।

    ডার্ক ওয়েব, কুরিয়ার ও সমুদ্রপথে বাড়ছে মাদক পাচারের ঝুঁকি:

    বাংলাদেশে নতুন প্রজন্মের সিন্থেটিক বা ডিজাইনার মাদক ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে অনলাইন ডার্ক ওয়েব, এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তথ্য অনুযায়ী, এলএসডি, এমডিএমএ, কুশসহ বিভিন্ন নিউ সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্ট্যান্স (এনপিএস) অনলাইনে অর্ডার করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার ও পার্সেল সার্ভিসের মাধ্যমে সাধারণ পণ্যের আড়ালে এসব মাদক এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ দেশে পৌঁছে দেওয়া হয়।

    ডিএনসির পরীক্ষাগার তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে বিভিন্ন ধরনের সিন্থেটিক মাদকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ৩২টি সিন্থেটিক ড্রাগ ট্যাবলেট, ১৩টি এমডিএমএ, ৮টি কেটামিন এবং ১১টি কুশের নমুনা।

    আন্তর্জাতিক নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ড (আইএনসিবি) এবং ডিএনসির প্রতিবেদনে বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে মাদক পাচারের বাড়তি ঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। আইএনসিবির মূল্যায়নে বলা হয়েছে, উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ সামুদ্রিক মাদক পাচারের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। বড় চালান পরিবহনের জন্য আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটগুলো সমুদ্রপথকে ক্রমেই বেশি ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।

    ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, টেকনাফ ও কক্সবাজারের প্রচলিত রুটের পাশাপাশি এখন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র এলাকা এবং পটুয়াখালীর উপকূলকেও বিকল্প পাচারপথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মাদক পাচার শনাক্ত ও প্রতিরোধে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত সহায়তাও দিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। প্রতিবেদনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ মাদক পাচার রুটগুলোকেও তিনটি প্রধান জোনে ভাগ করা হয়েছে।

    পশ্চিম সীমান্তে ভারতের দিক থেকে মাদক প্রবেশের প্রধান রুট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়া, দেবহাটা, ভোমরা, কাকডাঙ্গা ও পলাশপুর। যশোরের বেনাপোল, পুটখালী, চৌগাছা, নারায়ণপুর, শার্শা ও আশপাশের এলাকা। চুয়াডাঙ্গার কার্পাসডাঙ্গা, দর্শনা ও জীবননগর। মেহেরপুরের দরিয়াপুর ও বুড়িপোতা। রাজশাহীর মণিগ্রাম, চারঘাট, সারদাহ, ইউসুফপুর, কাজল্লা, বেলপুকুরিয়া, হরিপুর, গোদাগাড়ী ও বাঘা। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট, শাহবাজপুর, বিনোদপুর, সোনামসজিদ স্থলবন্দর, কানসাট এবং জয়পুরহাটের পাঁচবিবিকে গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    উত্তর সীমান্তে ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশপথের মধ্যে রয়েছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, ফুলবাড়ী, বিরামপুর, হিলি, হাকিমপুর, বিরল ও খানপুর। সিলেটের জকিগঞ্জ, চুনারুঘাট ও মাধবপুর। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, আখাউড়া, সিংগাইরবিল ও বিজয়নগর। কুমিল্লার জগন্নাথ দিঘী, চৌদ্দগ্রাম, গোলাপশা, কালিকাপুর, বুড়িচং ও বিবিরবাজার। ফেনীর ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, রৌমারী, নাগেশ্বরী ও বাঁশজানি। লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, পাটগ্রাম ও বুড়িমারী। এছাড়া শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া এবং নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দাও ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মিয়ানমার থেকে মাদক প্রবেশের প্রধান রুট হিসেবে টেকনাফ ও কক্সবাজারের জালিয়াপাড়া, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং, দক্ষিণপাড়া, ল্যদাপাড়া, হ্নীলা, হোয়াইক্যং, উখিয়া, পালংখালী, বালুখালী, ঘুমধুম ও তোমরু এলাকার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    মাদক মামলায় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা, বাড়ছে আসামির সংখ্যাও:

    দেশে মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মামলা ও আসামির সংখ্যা গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলা দায়ের হয়েছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে মাদক মামলার সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩০৪ এবং আসামি ১৮ হাজার ৩২১ জন। ২০২১ সালে মামলা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ হাজার ৫৯২টি এবং আসামি হয় ২১ হাজার ৯৯২ জন। ২০২২ সালে মামলা হয় ২৫ হাজার ৬৫৪টি, আসামি ২৭ হাজার ৯৫৯ জন। ২০২৩ সালে মামলার সংখ্যা বেড়ে ২৭ হাজার ৯৯১ এবং আসামি ২৯ হাজার ৭৭৩ জনে পৌঁছায়। ২০২৪ সালে মামলা কিছুটা কমে ২১ হাজার ৯১৩টিতে নেমে এলেও আসামির সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ৩৮৬। আর ২০২৫ সালে আবারও বৃদ্ধি পেয়ে মামলা দাঁড়ায় ২৮ হাজার ৪০৯টি এবং আসামি হয় ৩০ হাজার ১৬১ জন।

    চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র চার মাসেই ১০ হাজার ১৩৪টি মাদক মামলা হয়েছে। এ সময়ে আসামির সংখ্যা ১০ হাজার ৬৮৯ জন।

    কেন বাড়ছে সিন্থেটিক মাদকের বিস্তার:

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে জানান, সিন্থেটিক মাদকের বিস্তার শুধু সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে নয়, এর পেছনে চাহিদা এবং বিভিন্ন কাঠামোগত কারণও রয়েছে। দীর্ঘ সময় একই ধরনের মাদক সেবনের ফলে অনেক ব্যবহারকারীর মধ্যে সহনশীলতা তৈরি হয়। এরপর তারা আরও শক্তিশালী মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

    তিনি বলেন, সিন্থেটিক মাদক উৎপাদন ও পরিবহন তুলনামূলক সহজ এবং এতে লাভও বেশি। অল্প পরিমাণ মাদক দিয়েই বড় বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রযুক্তিনির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে পাচারকারীরা ডার্ক ওয়েব, এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মাদক বিক্রি ও সরবরাহ করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কুরিয়ার ও ডাকসেবার অপব্যবহারও নতুন ধরনের মাদক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    মোকাবিলায় জোর ডিজিটাল নজরদারিতে:

    সিন্থেটিক মাদক নিয়ন্ত্রণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে ওই কর্মকর্তা বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ডিজিটাল নজরদারির সক্ষমতা বাড়াতে হবে। গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। ডার্ক ওয়েব ও সাইবারভিত্তিক মাদক পাচার প্রতিরোধে বিশেষায়িত সাইবার ইউনিট গঠন, রাসায়নিক পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন মাদক দ্রুত শনাক্তের ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সেবায় উন্নত স্ক্যানিং প্রযুক্তি ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং তথ্য বিনিময় আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ডিএনসির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, স্থলপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান জোরদার হওয়ায় পাচারকারীরা এখন সমুদ্রপথকে তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করছে। টেকনাফ ও কক্সবাজারের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র এলাকা এবং পটুয়াখালীর উপকূল দিয়ে মাদকের চালান দেশে প্রবেশের ঝুঁকি বেড়েছে।

    এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ডিজিটাল নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিশেষায়িত সাইবার ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ডিএনসি। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থের মানি লন্ডারিং ঠেকাতে সংস্থাটির একটি বিশেষ সেল কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে একাধিক মামলার তদন্ত করে সম্পদ ক্রোকের মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ‘টেক অ্যাগেইনস্ট ট্রাফাকিং-টু’ সম্মেলনে ডিএনসির মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। সেখানে অনলাইনভিত্তিক মাদক বিপণন এবং এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে মাদক পাচার প্রতিরোধে ৯টি সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ৬টি সুপারিশ আন্তর্জাতিক নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ড (আইএনসিবি) গ্রহণ করেছে। মেহেদী হাসানের মতে, এটি সাইবারভিত্তিক মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

    তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণকে শুধু আইন প্রয়োগের বিষয় হিসেবে দেখলে হবে না। জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবার এবং সমাজভিত্তিক প্রতিরোধমূলক উদ্যোগকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গোয়েন্দা সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির সমন্বিত উদ্যোগই বাংলাদেশের মাদকবিরোধী লড়াইকে আরও কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি করতে পারে।

    স্থলপথে নজরদারি বাড়লেই সমুদ্রপথে সক্রিয় হচ্ছে মাদক চক্র:

    বাংলাদেশকে কোকেন পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করার প্রচেষ্টা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ বলেন, স্থলপথে অভিযান ও নজরদারি বাড়ানো হলে মাদক কারবারিরা দ্রুত কৌশল বদলে সমুদ্রপথে চলে যায়।

    ঢাকা পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, স্থলভাগে অভিযান জোরদার হলে পাচারকারীরা ট্রলারে করে সীমান্তবর্তী সমুদ্র কিংবা গভীর সমুদ্রে অবস্থান নেয়। সেখানে ছোট ছোট মাছ ধরার নৌযান ব্যবহার করে মাদকের লেনদেন চালানো হয়। ভবিষ্যতে পটুয়াখালী উপকূলও এ ধরনের পাচারের নতুন রুট হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তবে ওই এলাকায় কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং বিভিন্ন সময় মাদকের চালান জব্দ করছে।

    সিন্থেটিক মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি জানান, সীমিত সক্ষমতা নিয়েও অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযান পরিচালনার চেষ্টা করছে ডিএনসি। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে কেটামিন, এমডিবি, মলি-সহ বিভিন্ন সিন্থেটিক ও পার্টি ড্রাগ কেনাবেচা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সীমিত সক্ষমতায় সাইবার স্পেসে অভিযান পরিচালনা করা হলেও নতুন আইন কার্যকর হলে আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত সরঞ্জাম এবং প্রশিক্ষিত জনবল যুক্ত হবে। এতে অনলাইনভিত্তিক মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর ও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    মানি লন্ডারিং ঠেকাতে কাজ করছে বিশেষ সেল:

    মাদকের অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ডিএনসির একটি অনানুষ্ঠানিক সেল বর্তমানে কাজ করছে বলে জানান মহাপরিচালক। তিনি বলেন, নতুন আইন কার্যকর হলে এই সেল আইনি ভিত্তি পাবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেলটি ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ২৪টি মামলার অনুসন্ধান করছে। এর মধ্যে ৮টি মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, বিশেষ করে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় কয়েকটি মামলায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পদ ক্রোক করার মতো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ভ্যাটনির্ভর বাজেটে বাড়ছে সাধারণ মানুষের চাপ: সিপিডি

    জুন 27, 2026
    মতামত

    “বার্নহ্যামকে স্টারমারের অসৎ রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, নইলে তিনিও ব্যর্থ হবেন”

    জুন 25, 2026
    অর্থনীতি

    ঋণনির্ভর বাজেটে উন্নয়নের স্বপ্ন কতটা অর্জনযোগ্য?

    জুন 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.