Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশজুড়ে ৩৮৬ কিশোর গ্যাং, বেপরোয়া সোয়া ৪ হাজার সদস্য
    অপরাধ

    দেশজুড়ে ৩৮৬ কিশোর গ্যাং, বেপরোয়া সোয়া ৪ হাজার সদস্য

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো সামাজিক সমস্যা নয়। রাজধানী থেকে জেলা শহর—বিভিন্ন এলাকায় দলবদ্ধ হয়ে ঘুরে বেড়ানো কিশোরদের একটি অংশ জড়িয়ে পড়ছে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক, হামলা, আধিপত্য বিস্তার এমনকি হত্যার মতো গুরুতর অপরাধে। পুলিশের সাম্প্রতিক হিসাব বলছে, সারাদেশে সক্রিয় রয়েছে ৩৮৬টি কিশোর গ্যাং। এসব দলে সদস্যের সংখ্যা সোয়া ৪ হাজারের বেশি।

    শুধু পুলিশের তালিকাতেই রাজধানী ছাড়া দেশের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ২২৭টি কিশোর গ্যাংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব দলের সদস্য সংখ্যা ২ হাজার ৫৫০। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে রয়েছে ৯৮টি দল। খুলনায় ৭, রাজশাহীতে ১৩, সিলেটে ১৫ এবং গাজীপুর মহানগরে ১৩টি দল সক্রিয় রয়েছে। জেলা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে নোয়াখালীতে—২৫টি।

    রাজধানীর চিত্রও কম উদ্বেগজনক নয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ১৫৯টি কিশোর গ্যাং রয়েছে এবং এসব দলে সদস্য প্রায় ১ হাজার ৮১২ জন। সবচেয়ে বেশি গ্যাং রয়েছে মোহাম্মদপুরে। সেখানে ২৭টি দলের সদস্য সংখ্যা অন্তত সাড়ে ৩০০। এরপর পল্লবী এলাকায় রয়েছে ১৬টি দল, যেগুলোর সদস্য সংখ্যা অন্তত ১৬০।

    তবে পুলিশের এই হিসাবের বাইরেও বিভিন্ন এলাকায় আরও কিশোর গ্যাং সক্রিয় থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ বাস্তব পরিস্থিতি সরকারি তালিকায় থাকা সংখ্যার চেয়েও বড় হতে পারে।

    সম্প্রতি রাজধানীর রায়েরবাজারে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাই পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝাতে যথেষ্ট। ২২ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন মো. হানিফ নামে এক যুবক। হঠাৎ এক তরুণ তাঁর পথ আটকে তাঁকে একটি গলিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। হানিফ রাজি না হওয়ায় ওই তরুণ চায়ের দোকানের সামনে তাঁকে পকেটমার বলে চিৎকার শুরু করে।

    পরিস্থিতি বুঝতে পেরে হানিফ স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ও বন্ধুকে ফোন করে ঘটনাস্থলে ডাকেন। ওই তরুণকে মারধর করা হলে সে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু প্রায় ১০ মিনিট পর চারজনকে সঙ্গে নিয়ে আবার ফিরে আসে। তাদের কারও হাতে ছিল চাপাতি, কারও হাতে সামুরাই। তারা হানিফ ও তাঁর বন্ধুকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে আতঙ্কে তাঁর বন্ধু একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। হানিফ দৌড়ে পাশের পুলিশ ফাঁড়িতে চলে যান।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মোহাম্মদপুরে দিনের বেলাতেও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের এমন তৎপরতা দেখা যায়। সন্ধ্যার পর অনেক এলাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

    কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ এখন শুধু ছিনতাই বা মারামারিতে সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন এলাকায় এসব দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক কেনাবেচা ও সেবন, হামলা, দখল এবং আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। নিজেদের মধ্যে বিরোধ থেকেও সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনা ঘটছে।

    খিলগাঁওয়ের চিত্রও উদ্বেগজনক। পুলিশের তালিকায় ওই এলাকায় সাতটি কিশোর গ্যাংয়ের তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৯৯৯ দল, কেজি ১৯, ০০১ টিকটক দল, ০০৭ টিকটক দল, আলিফ দল ও তারেক দল। সরেজমিন অনুসন্ধানে এর বাইরে তসলিম দল ও রেড লাইন দলেরও সন্ধান পাওয়া গেছে।

    এসব দলের বেশির ভাগ সদস্যের বয়স ১৮ বছরের নিচে। স্থানীয়দের ভাষ্য, তারা দলবদ্ধ হয়ে চাপাতি হাতে মহড়া দেয়। কখনো পাকা রাস্তায় চাপাতি ঘষে আগুনের ফুলকি তুলে উল্লাস করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের দলের নামে হিসাব খুলে অস্ত্রের মহড়ার ছবি ও ভিডিওও প্রকাশ করে।

    গত ২৮ জুন সন্ধ্যায় খিলগাঁওয়ের সি ব্লকে রেড লাইন ও ৯৯৯ দলের সদস্যরা অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার সময় একই এলাকার কলেজছাত্র সৌরভ মাহমুদকে মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সৌরভের বাবা থানায় মামলা করেন। মামলায় তিন কিশোরকে আটক করা হয়েছিল। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হলেও তারা জামিনে মুক্তি পায়।

    মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার আরও বড়। পুলিশের হিসাবে সেখানে ২৭টি দল সক্রিয়। এসব দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। দেয়ালে দলের নাম লিখে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন—বিভিন্নভাবেই তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে।

    ডাইল্লা দল, পাটালি দল, লেভেল হাই দল, অ্যালেক্স দল, গাংচিল দল, লও ঠেলা দল, ফরহাদ দল, নবী দল, ল্যাংড়া নুরু ও কিং শাওন—এমন নানা নামে এসব দল পরিচিত। প্রতিটি দলে কমপক্ষে ১০ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ জন পর্যন্ত সদস্য রয়েছে বলে পুলিশের তথ্য।

    এসব দলের অর্থের উৎস নিয়েও রয়েছে গুরুতর অভিযোগ। মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখল এবং বিভিন্ন অপরাধে ভাড়ায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে।

    মোহাম্মদপুরে গত ১২ এপ্রিল দুই কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষে অ্যালেক্স দলের নেতা মো. ইমন ওরফে অ্যালেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর মাত্র তিন দিন পর, ১৫ এপ্রিল রাতে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে আসাদুল নামে আরেক যুবক নিহত হন। এসব ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে, গ্যাং সংস্কৃতি শুধু কিশোরদের ভয় দেখানো বা ছোটখাটো অপরাধের মধ্যে আটকে নেই; এর সঙ্গে প্রাণঘাতী সহিংসতাও যুক্ত হয়ে পড়ছে।

    রাজধানীর সবুজবাগের পরিস্থিতিও ভিন্ন নয়। বাসাবো ও কদমতলা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ‘কিশোর গ্যাং’ নামে পরিচিত কিছু দলে ২৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী ব্যক্তিও রয়েছেন। অর্থাৎ বয়সের সীমা পেরিয়ে এসব দল অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ অপরাধী চক্রের রূপ নিচ্ছে।

    কদমতলা কালভার্ট সড়ক এলাকায় শুভ ওরফে চীনা শুভর দলে অন্তত ১০ জন সদস্য রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাদের অনেকেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। দক্ষিণগাঁও এলাকাতেও মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একটি পরিবারের কয়েকজন তরুণ কিশোর গ্যাংয়ের কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    ডেমরাতেও পুলিশের তালিকায় তিনটি কিশোর গ্যাংয়ের তথ্য রয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে আরও কয়েকটি দলের সন্ধান পাওয়া গেছে। রসুলনগর-আমতলা এলাকায় রেম্বো সাগর ওরফে ইমন দল, বক্সনগরে নাহিদ দল ও হোসেন দলের নাম স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। এসব দলের সদস্যদের বেশির ভাগের বয়স ১৮ বছরের নিচে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর তারা বিভিন্ন সড়কে দলবদ্ধ হয়ে আড্ডা দেয়। রাত বাড়লে সুযোগ বুঝে পথচারীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে। কিন্তু হামলা বা প্রতিশোধের ভয়ে অনেকেই পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে চান না।

    মিরপুর বিভাগের চিত্রও উদ্বেগজনক। পুলিশের হিসাবে সাতটি থানায় মোট ৩৫টি কিশোর গ্যাং রয়েছে। শুধু পল্লবী এলাকাতেই রয়েছে ১৬টি দল। দারুসসালামে ৬, শাহআলীতে ৪, মিরপুরে ৩ এবং কাফরুল, ভাসানটেক ও রূপনগরে ২টি করে দল রয়েছে।

    কিশোর গ্যাংয়ের এই বিস্তারের পেছনে শুধু আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতাকে দায়ী করলে সমস্যার পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। পুলিশ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে পরিবার, সমাজ, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করছে।

    অভিভাবকদের উদাসীনতা, প্রযুক্তির অপব্যবহার, সামাজিক মূল্যবোধের দুর্বলতা, অসৎ সঙ্গ, নিজেকে শক্তিশালী বা সাহসী প্রমাণের প্রবণতা, সুস্থ বিনোদনের অভাব এবং মানসিক হতাশা—সবকিছু মিলেই অনেক কিশোর অপরাধী চক্রের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

    এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। অস্ত্র হাতে ছবি, দলবদ্ধ মহড়া কিংবা প্রতিপক্ষকে হুমকি দেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ করে নিজেদের মধ্যে এক ধরনের ‘বীরত্বের’ সংস্কৃতি তৈরি করছে কিছু কিশোর। বাস্তবে যা অপরাধ, তাদের কাছে সেটিই হয়ে উঠছে পরিচিতি ও ক্ষমতা দেখানোর উপায়।

    পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খোন্দকার রফিকুল ইসলাম মনে করেন, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মধ্যে এক ধরনের বীরত্ব দেখানোর প্রবণতা কাজ করে। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক স্বার্থ যুক্ত হওয়ায় তারা দ্রুত সহিংস অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

    তার মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বেড়ে গিয়েছিল। পরে অভিযান চালিয়ে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং মামলা হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণেও এসেছে বলে তিনি জানান।

    তবে শুধু অভিযান চালিয়ে এই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। কারণ একটি দল ভেঙে দিলে তার জায়গায় নতুন দল তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক স্বার্থে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি কিশোরদের ব্যবহার করেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একক প্রচেষ্টায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান কঠিন।

    এই জায়গাটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের অনেকেই হয়তো নিজেরাই অপরাধের মূল পরিকল্পনাকারী নয়। তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে। ফলে শুধু কিশোরদের গ্রেপ্তার করলেই হবে না; তাদের পেছনে থাকা অর্থদাতা, পৃষ্ঠপোষক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হকের মতে, সুযোগ-সুবিধাবঞ্চিত কিশোরদের একটি অংশ গ্যাংয়ে যুক্ত হলেও এর পেছনে আরও অনেক কারণ রয়েছে। কর্মহীনতা, সামাজিক ও পারিবারিক শৃঙ্খলার প্রতি অনাগ্রহ, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বড় ভাইদের পৃষ্ঠপোষকতা, আধিপত্য বিস্তার এবং মাদকের বাজার নিয়ন্ত্রণও কিশোর অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

    তার মতে, কিশোর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত অর্থনীতির পরিমাণ ও ভয়াবহতা এখন বড় ধরনের সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কিশোরদের সংশোধনের সুযোগ, পরিবার ও সমাজের ভূমিকা এবং ব্যাপক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

    সরকারও খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে কিশোররা অপরাধের দিকে না যায়। কিন্তু মাঠ, খেলার জায়গা, সাংস্কৃতিক চর্চা, পাঠাগার বা নিরাপদ সামাজিক পরিবেশের সুযোগ যদি এলাকায় না থাকে, তাহলে শুধু নির্দেশনা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন।

    কিশোর গ্যাং সমস্যার সমাধানে তাই একদিকে যেমন অপরাধের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে, অন্যদিকে তেমনি কিশোরদের জন্য নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। পরিবারকে আরও সক্রিয় হতে হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নজরদারি বাড়াতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ বাড়াতে হবে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কিশোরদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করার আগে তাদের অপরাধের দিকে ঠেলে দেওয়া কারণগুলোও চিহ্নিত করা। কারণ আজ যে কিশোর অস্ত্র হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়েছে, তাকে শুধু গ্রেপ্তার করে সরিয়ে দিলে সাময়িকভাবে একটি সমস্যা কমতে পারে; কিন্তু তার জায়গায় আরেকজন কিশোর দাঁড়িয়ে গেলে সংকট থেকেই যাবে।

    সারাদেশে ৩৮৬টি কিশোর গ্যাং এবং সোয়া ৪ হাজারের বেশি সদস্যের তথ্য তাই শুধু আইনশৃঙ্খলার পরিসংখ্যান নয়। এটি পরিবার, সমাজ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, মাদক, রাজনীতি এবং স্থানীয় ক্ষমতার কাঠামোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি বড় সামাজিক সংকেত। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার ভবিষ্যতে আরও বড় অপরাধী নেটওয়ার্কের ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    আপিলের শর্তে জামিন মেলেনি, কারাগারে এরশাদের স্ত্রী বিদিশা

    আগস্ট 26, 2026
    আইন আদালত

    রাতের গ্রেপ্তারের পর সকালে আদালতে বিদিশা সিদ্দিক

    আগস্ট 26, 2026
    আইন আদালত

    যুক্তরাজ্যে শওকতের আড়াই কোটি ডলার হাতছাড়া, বিএফআইইউর গাফিলতিতে রুল

    আগস্ট 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.