Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, নভে. 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » খুলনায় চাঁদা না দিলে গুলি: ১০ মাসে ৭৫ খুন, আতঙ্কে নগরবাসী
    অপরাধ

    খুলনায় চাঁদা না দিলে গুলি: ১০ মাসে ৭৫ খুন, আতঙ্কে নগরবাসী

    নিউজ ডেস্কনভেম্বর 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    চাঁদা দাও, না হয় গুলিতে মরো’—এমন আতঙ্কে দিন কাটছে খুলনা মহানগরী ও জেলার মানুষের। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, চিকিৎসক থেকে শুরু করে জমির মালিক, কেউই চাঁদাবাজদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। এমনকি সরকারি কর্মকর্তারাও চাঁদা দাবির শিকার হচ্ছেন।

    চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে খুলনা নগর ও জেলায় গুলি করে হত্যা, গুলি করে আহত করা এবং সশস্ত্র হামলার একের পর এক ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, শিক্ষক, স্কুলছাত্রী, নারী ও পথচারীরাও আক্রান্ত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের কথা বললেও খুনের ঘটনা থামছে না।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত খুলনা মহানগরী ও জেলায় ৭৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে মহানগরীতে ৩৭টি এবং জেলায় ৩৮টি। গত ১২ দিনে সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে শেষ দুই দিনেই নিহত হয়েছেন চারজন। নিহতদের মধ্যে আছেন খুলনা মহানগর তাঁতী দলের এক নেতা। একই সময়ে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে যুবদলের বর্তমান ও সাবেক তিন নেতা আছেন।

    রোববার ছাত্রদলের এক নেতার নেতৃত্বে খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও পুলিশ। এই হত্যার জন্য নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেনকে দায়ী করেছেন নিহতের ভাতিজা সৈয়দ দিদারুল আলম বিপ্লব। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হুমায়ুন কবিরের লাশের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে রেহাই পাননি পুলিশ কর্মকর্তারাও। গত ৯ অক্টোবর পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। পুলিশের অভিযোগ, অনেক ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করতে চায় না। খুলনা পুলিশের এক কর্মকর্তার ভাষ্য, সন্ত্রাসীরা জামিনে বেরিয়ে আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা কমার্স কলেজের পাশে একজন স্বনামধন্য চিকিৎসকের কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিল খুলনার অপরাধজগতে আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর গড়া সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি-কোম্পানি’। ভয়ে ওই চিকিৎসক চেম্বার বন্ধ রেখে আত্মগোপনে আছেন। একই এলাকার আরেক চিকিৎসকের কাছে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। ভয়ে তিনি ভারতে চলে গেছেন। তাঁদের কেউই থানায় অভিযোগ করেননি। এভাবে আরও কয়েকজন চিকিৎসকের কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়েছে।

    গত ৭ অক্টোবর খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে সাব-রেজিস্ট্রার তন্ময় কুমার মণ্ডলকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে চাঁদা দাবি করা হয় বলে সূত্রের দাবি। পরে প্রতি মাসে ৩৫ লাখ টাকা দেওয়ার শর্তে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয় বলেও সূত্র জানিয়েছে। তবে সাব-রেজিস্ট্রার চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

    এ ছাড়া সন্ধানী ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কাছে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেয়ে ক্লিনিকে ভাঙচুর ও গুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়নি, তবে খুলনা সদর থানা-পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। সূত্রের দাবি, এরই মধ্যে এক কোটি টাকায় বিষয়টি সমঝোতা হয়েছে। এর আগে ২৫ অক্টোবর দুপুরে সোনাডাঙ্গায় সন্ধানী ক্লিনিকের দ্বিতীয় শাখায় সশস্ত্র মহড়া দেয় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার দুই দিন পর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আপস করেছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ, এমন দাবি করেছে সূত্র।

    গত ৮ আগস্ট চাঁদা না দেওয়ায় বটিয়াঘাটা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা অনিন্দ্য কুমার দাশকে মারধর করে অপহরণের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তিনি রক্ষা পান। তবে শেষ পর্যন্ত চাঁদা দেওয়ার পরই তিনি রেহাই পান বলে জানা গেছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৮ অক্টোবর ২০ লাখ টাকা ও ১০টি মোটরসাইকেল চাঁদা দাবি করে মহানগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোডের ‘চয়নিকা’ ফার্মেসির ম্যানেজার বাবুকে হুমকি দেওয়া হয়। এরপর তিনি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ রেখে আত্মগোপনে যান। দোকানটি এখনো বন্ধ। একই দিন সন্ধ্যায় আহসান আহমেদ রোডের চাইনিজ প্যালেসে ভাঙচুর চালায় সন্ত্রাসীরা।

    গত ২৬ অক্টোবর পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’, এ দুটির যেকোনো একটি দিতে হবে বলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ দুজনকে আটক করে। ঘটনার পর থেকে তিনি আতঙ্কে রয়েছেন। ২৫ অক্টোবর মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে পাইকগাছা থানা আইনজীবী সমিতির সভাপতি জি এম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক জি এম আক্কাস আলীকে পৃথকভাবে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়। তাঁরা দুজনই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাগেরহাটের রামপাল থেকে কথিত ‘গ্রেনেড বাবু’ নামে পরিচিত ইমরানকে তাঁর স্ত্রী ও মায়ের সঙ্গে গ্রেপ্তার করেছে।

    চাঁদাবাজির পাশাপাশি খুলনায় গুলি ও হামলার ঘটনাও বেড়েছে। গত ২৪ অক্টোবর দুর্বৃত্তের গুলিতে ধনঞ্জয় কুণ্ডু ওরফে আকাশ কুণ্ডু (৪৫) নামে এক কলেজ প্রভাষক ও মুদি দোকানি আহত হন। ২৭ অক্টোবর মহানগরীর নিরালায় সিগারেট কোম্পানির পিয়ন সালমানকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। ২৬ অক্টোবর বটিয়াঘাটায় যুবদল কর্মী সোহেল এবং ২৭ অক্টোবর যুবদল সভাপতি অহিদুল ইসলাম বাদলকে গুলি করে আহত করা হয়। তাঁরা বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। ২৪ অক্টোবর তেরখাদার মধুপুর ইউনিয়নের যুবদল নেতা রামিম বিশ্বাসও গুলিতে আহত হন।

    ২২ অক্টোবর মহানগরীর লবণচরা থানার জিন্নাপাড়া এলাকায় ‘ব্লেড বাবু’র স্ত্রী খুশিকে গুলি করা হয়। একই দিন সদর থানার পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় সন্ত্রাসী পলাশ গ্রুপের সদস্য তুষারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ১৭ অক্টোবর টুটপাড়া আমতলা মোড়ে জুম্মন ওরফে জুম্মা গুলিবিদ্ধ হন। একই দিন বুড়ো মৌলভীর দরগা রোডের বকুলতলা মোড়ে এক অজ্ঞাত মোটরসাইকেল আরোহীকে লক্ষ্য করে গুলি করা হলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় তিনি বেঁচে যান। ওই দিনই ক্লে রোডের নিক্সন মার্কেট এলাকায় মহানগর হকার ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।

    ১০ অক্টোবর কাশেমনগর তৃতীয় গলিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হন আশিকুজ্জামান জনি। এ ছাড়া অক্টোবরে দিঘলিয়ার ফরমাইশখানা এলাকায় বাড়ির সামনে চা খেতে বের হয়ে গুলিতে নিহত হন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা মো. নাসিমুল গণি ওরফে নাসিম।

    খুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধের বেশির ভাগ ঘটনায় ঘুরেফিরে নয়টি সন্ত্রাসী গ্রুপের নাম এসেছে। তারা এতটাই বেপরোয়া যে জনবহুল এলাকাতেও প্রকাশ্যে গুলি করতে দ্বিধা করছে না। পুলিশের একাধিক সূত্র বলছে, সক্রিয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আছে রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর বি-কোম্পানি, শেখ পলাশের পলাশ গ্রুপ, নূর আজিম গ্রুপ, আশিক বাহিনী, হুমায়ুন কবিরের হুমা বাহিনী, শেখ সাইদুর রহমান ওরফে শাওনের টেংকি শাওন গ্রুপ, আরমান শেখের আরমান গ্রুপ, শাকিল শেখের শাকিল গ্রুপ এবং নাসিম গ্রুপ।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, পুরো খুলনা শহরেই বাবু গ্রুপের আধিপত্য রয়েছে। নূর আজিম ও আশিক গ্রুপের আধিপত্য খুলনা সদর ও লবণচরা থানা এলাকায়। শাওন গ্রুপ সক্রিয় সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুরে, আরমান গ্রুপ ও হুমা বাহিনীর আধিপত্য দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা এলাকায়। নাসিম গ্রুপের প্রধান নাসিমুল গণিকে ৪ অক্টোবর দিঘলিয়া উপজেলায় গুলি করে হত্যা করা হয়। খুলনা সদর, লবণচরা ও হরিণটানা এলাকায় গত কয়েক মাসে গুলি ও হত্যার ঘটনা বেশি ঘটেছে।

    খুলনা জেলা পুলিশের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, দিঘলিয়া, আড়ংঘাটা, কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়ায় ছোট ছোট সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর কারও কারও বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। স্থানীয় আধিপত্য, জমি, ঘের, বালুর ব্যবসা, পরিবহন ও ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এসব গোষ্ঠী প্রায়ই বিরোধে জড়ায়।

    খুলনার নাগরিক নেতা বাবুল হাওলাদার বলেন, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নাগরিক নেতারা বাকরুদ্ধ। প্রতিটি এলাকায় চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য মারাত্মক আকার ধারণ করেছে এবং প্রায় প্রতিটি নাগরিক কোনো না কোনোভাবে চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন। শহরে ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেড়েছে। তাঁর ভাষ্য, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে প্রশাসনের পক্ষেও তা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গতানুগতিক বক্তব্য নাগরিকদের উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে খুলনাকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করে প্রশাসনের জনবল বাড়ানোর আহ্বান জানান এই নাগরিক নেতা।

    খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বেশির ভাগ হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদকসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। পুলিশ তালিকাভুক্ত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে, কিন্তু তাঁদের কেউ কেউ জামিনে বেরিয়ে আবার বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে চান না, এটিও বড় সমস্যা। তাঁর ভাষ্য, খুলনায় মাদককেন্দ্রিক অপরাধের প্রবণতা বেশি এবং অনেক ক্ষেত্রে বস্তি এলাকার কিশোর-তরুণদের মাধ্যমে অপরাধ সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়। পুলিশ অপরাধীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে তৎপর আছে বলে জানান তিনি।

    সবশেষ সোমবার দুপুরে খুলনার রূপসা উপজেলার আঠারোবেকি নদীর চরে স্থানীয় লোকজন প্রথমে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে ভাটার সময় পানি কমে গেলে একই স্থানে আরও একটি মরদেহ চোখে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, নিহত দুজনের একজন মেহেদী হাসান (৩৫), রূপসার রাজাপুর এলাকার আব্দুল্লাহর ছেলে, যিনি একসময় জেলখানা ঘাটের মাঝি ছিলেন। অন্যজনের নাম রেজাউল করিম (৩০)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুজনই গ্রেনেড বাবুর গড়া সন্ত্রাসী গ্রুপ বি-কোম্পানির সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং দুজনের শরীরেই গুলির চিহ্ন রয়েছে।

    রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, মেহেদী ও রেজাউলকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মেহেদীর চোখের ওপর ভ্রুর পাশে এবং রেজাউলের থুতনির নিচে ও পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে। হত্যার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার ওমর ফারুক সরকার বলেন, জেলায় সন্ত্রাস দমনে ব্লক রেইড, স্পট রেইড এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা ধরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, খুলনার হত্যাকাণ্ডগুলোর বেশির ভাগই মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে ঘটছে এবং মাদক স্পটগুলোতে অভিযান চলছে। দাগি আসামিরা যাতে দ্রুত জামিন না পান, সে জন্য বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা চলছে। দ্রুত সন্ত্রাস দমন করে খুলনাকে শান্তির নগরীতে পরিণত করা হবে বলেও জানান তিনি।

    সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন 

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    তৃতীয় দিনে মিরপুরে আগুন-পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন বন্ধ

    নভেম্বর 3, 2026
    বাংলাদেশ

    বাস রুট রেশনালাইজেশন: নতুন রং, পুরোনো বিশৃঙ্খলা–বদলাবে কি ঢাকা?

    নভেম্বর 3, 2026
    অর্থনীতি

    ৭০০ কারখানা বন্ধ, পোশাক খাতে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে ক্রয়াদেশ হারানোর শঙ্কা

    নভেম্বর 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    ৩৭ দিন পর আজ শুনানি, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার চায় ইনকিলাব মঞ্চ

    আইন আদালত নভেম্বর 3, 2026

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.