Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুন 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটদের তথ্য চেয়েছে তদন্ত সংস্থা
    অপরাধ

    মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটদের তথ্য চেয়েছে তদন্ত সংস্থা

    ইভান মাহমুদমে 12, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটদের তথ্য চেয়েছে তদন্ত সংস্থা
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ২০২৪ সালের জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সংঘটিত সহিংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তে নতুন গতি এনেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এ সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তালিকা চেয়ে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। তদন্তের স্বার্থে শহিদ ও আহতদের তথ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

    ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার ডিসিদের কাছে পাঠানো চিঠিতে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী ওই সময় দায়িত্ব পালনকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নাম, মোবাইল নম্বর, ঘটনাস্থলের থানা, তারিখ, সময় এবং সহকারী বাহিনীর ধরন (যেমন: পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী) উল্লেখ করে তালিকা পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। চিঠিটি গত ৬ এপ্রিল তদন্ত সংস্থার উপসহকারী পরিচালক আহমেদ নাসির উদ্দিন মোহাম্মদ স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়।

    চিঠিতে বলা হয়, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডায়েরি নম্বর ১৫৫ (২৭/১১/২৪), ০৪ (০১/০১/২৫), ২৮ (০৩/১০/২৫), ১০৯ (০৪/১১/২৪), ১৫৯ (০৩/১২/২৪), ১১০ (০৭/১১/২৪) অনুসারে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত চলছে। যেহেতু এসব মামলা জনগুরুত্বপূর্ণ, আলোচিত এবং জাতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংশ্লিষ্ট, তাই তদন্তের স্বার্থে ওই সময় নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেটদের তথ্য দ্রুত সরবরাহ প্রয়োজন।”

    তদন্ত সংস্থার উপসহকারী পরিচালক আহমেদ নাসির উদ্দিন মোহাম্মদ জানান, যেসব এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেসব এলাকার তথ্য সংগ্রহে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আমরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে তথ্য চেয়েছি। পাশাপাশি আমরা সরাসরি ঘটনাস্থলে গিয়েও তথ্য সংগ্রহ করছি। জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত চিত্র জানতে ম্যাজিস্ট্রেটদের তালিকা প্রয়োজন। প্রয়োজনে তারা সাক্ষী হিসেবেও বিবেচিত হতে পারেন। ইতোমধ্যে কিছু জেলা থেকে তথ্য আসতে শুরু করেছে।”

    এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও আইনসিদ্ধ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, “আমি মনে করি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কার নির্দেশে ওই সময় এমন মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নির্ধারণে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকা জরুরি। সেই সময় কারা দায়িত্বে ছিলেন তদন্ত সংস্থা তা যাচাই করবে।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলা আন্দোলনে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার থেকে শুরু করে এক দফা সরকার পতনের আন্দোলন গড়ে ওঠে। মাত্র ৩৬ দিনের এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্বৈরতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। আন্দোলনে ৮৭৫ জন নিহত হন যাদের অধিকাংশের মৃত্যু ঘটে গুলিবিদ্ধ হয়ে। আহত হন আরও ৩০ হাজারের বেশি মানুষ।

    আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত পালিয়ে যান এবং এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। এ আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে। হাইকোর্টের বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারকে চেয়ারম্যান এবং বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীকে সদস্য করে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। বিচার কাজ ত্বরান্বিত করতে সরকার গত বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠন করে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে।

    প্রসিকিউশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত মোট ৩৩০টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯টি তদন্ত কার্যক্রম চলমান যেগুলো অভিযোগ নিবন্ধন পর্যায়ে রয়েছে। তদন্তের প্রাথমিক সত্যতার ভিত্তিতে ২২টি মামলাকে ‘মিস কেস’ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ১৪১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৪ জন গ্রেপ্তার এবং ৮৭ জন পলাতক। অভিযুক্তদের মধ্যে ৭০ জন বেসামরিক, ৬২ জন পুলিশ সদস্য এবং ৯ জন সামরিক বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে।

    তদন্ত সংস্থার তথ্য সংগ্রহ ও বিচার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার এই উদ্যোগ আন্দোলন সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন—ঠেলে দিচ্ছে অজানা বন্দিদশায়

    জুন 21, 2026
    অপরাধ

    তেল কারসাজিতে ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ টিকে গ্রুপের

    জুন 21, 2026
    অপরাধ

    মনোরেল প্রকল্পে রহস্যময় ধোঁকাবাজি

    জুন 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.