রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের কাঠামোগত জটিলতা ও নীতি বাস্তবায়নের দুর্বলতা নিয়ে বিশ্লেষণে নতুন করে নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে ভ্যাট আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরেই ধীরগতির এবং এখনো তা নিয়ে নীতিগত দোটানা রয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভ্যাট ব্যবস্থাকে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব থেকে বের করে এনে সরাসরি সরকারি তহবিলে যুক্ত করার যে লক্ষ্য ছিল, তা অর্জনে প্রয়োজনীয় আইনকানুন ও কৌশল বাস্তবায়ন প্রত্যাশিত গতিতে এগোতে পারেনি। ফলে কাঙ্ক্ষিত কাঠামোগত পরিবর্তন পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।
এছাড়া বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থায় আরও একটি বড় সমন্বয়গত সমস্যা রয়েছে মূল্য নির্ধারণ ও শুল্ক কাঠামো নিয়ে। মূল্য নির্ধারণ বা ট্যারিফ নির্ধারণের দায়িত্ব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্যারিফ কমিশনের হাতে থাকলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড শুল্কহার নির্ধারণ ও আরোপের ক্ষেত্রে সেটিকে সবসময় সমানভাবে বিবেচনায় নেয় না।
একই সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি শুল্কসংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপন বা নির্দেশনা জারি করতে হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। ফলে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মতপার্থক্য বা সমন্বয়হীনতা তৈরি হলে পণ্য ছাড়করণে বিলম্ব ঘটে। এতে ব্যবসার ব্যয় বা কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস বাড়ে এবং শুল্ক আহরণ ব্যবস্থাও জটিল হয়ে পড়ে।
এই ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ভারত, মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে তুলনামূলকভাবে নেই। ভিয়েতনামে এ প্রক্রিয়া আরও বেশি সরল ও স্বচ্ছ বলে মনে করা হয়। এসব দেশে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো তুলনামূলকভাবে কম স্তরভিত্তিক হওয়ায় শুল্ক ও বাণিজ্য নীতি বাস্তবায়ন দ্রুত হয়।
আরও বলা হয়, কিছু দেশে ট্যারিফ নির্ধারণ ও শুল্ক আরোপের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে একক বা কম সংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক লেয়ার কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশে ট্যারিফ কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। ট্যারিফ কমিশন গণশুনানির মাধ্যমে সুপারিশ তৈরি করলেও শুল্ক আরোপের চূড়ান্ত দায়িত্ব থাকে এনবিআরের হাতে, ফলে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয়।
এ ধরনের জটিলতা নিরসনে সংস্কারের কথা বহুদিন ধরেই আলোচিত হলেও বাস্তব অগ্রগতি সীমিত বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে নতুন নীতি বিভাগ গঠন করা হয়েছে, যেখানে ট্যারিফ কমিশনসহ বিভিন্ন অংশীজনকে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে। তবে এটি এখনও পুরোপুরি কার্যকর কাঠামোতে রূপ নেয়নি।
অন্যদিকে ভিয়েতনামের কর ব্যবস্থাকে তুলনামূলকভাবে ভিন্ন ও সহজ কাঠামোর উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়। সেখানে ব্যক্তি ও করপোরেট কর ব্যবস্থায় মূল দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে করদাতা বা কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল। করদাতা যে তথ্য ঘোষণা দেন, তার ভিত্তিতেই কর নির্ধারণ করা হয়।
অভিযোগ বা অনিয়মের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় দ্রুত যাচাই ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে নিয়মিতভাবে ব্যাপক অডিটের পরিবর্তে সীমিত ও লক্ষ্যভিত্তিক যাচাইয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়।
বাংলাদেশেও ইউনিভার্সাল সেলফ অ্যাসেসমেন্ট ব্যবস্থা চালুর সময় ধারণা ছিল, এতে করদাতারা নিজেরাই রিটার্ন জমা দেবেন এবং প্রশাসনিক চাপ কমবে। কিন্তু বাস্তবে এর প্রয়োগে নানা সীমাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তথ্যের সঠিকতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় কর কর্মকর্তাদের বারবার অডিটে যেতে হচ্ছে।
এর ফলে একদিকে করদাতাদের মধ্যে হয়রানির অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে কর প্রশাসনের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। সীমিত জনবল ও সময় বিদ্যমান করদাতাদের যাচাইয়ে ব্যয় হওয়ায় নতুন করদাতাদের আওতায় আনার কাজও ব্যাহত হচ্ছে বলে বিশ্লেষণে বলা হয়।
ভিয়েতনামের সঙ্গে তুলনায় বলা হয়, সেখানে কর ব্যবস্থা অধিকতর সুসংজ্ঞায়িত ও স্পষ্ট। কর ফাঁকি রোধে কাঠামোগত নিয়ম কঠোর হলেও প্রক্রিয়া সহজ এবং কম স্তরভিত্তিক। নিয়মিত বড় ধরনের অডিটের পরিবর্তে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই করা হয়। ফলে কর প্রশাসন ও করদাতার মধ্যে অনাবশ্যক দ্বন্দ্ব তুলনামূলকভাবে কম। পাশাপাশি প্রতি বছর কর ব্যবস্থার সহজীকরণ ও সংস্কারের ওপর ধারাবাহিক গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা ব্যবস্থাটিকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করে তুলেছে।
বাংলাদেশে কর ব্যবস্থার সহজীকরণের নানা উদ্যোগ চলমান থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা স্পষ্টভাবে রয়ে গেছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এতে নীতি ও বাস্তবতার মধ্যে একটি বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে, যা রাজস্ব ব্যবস্থার ওপর আস্থার সংকটও তৈরি করছে।
কর ব্যবস্থায় এক ধরনের পারস্পরিক অবিশ্বাসের পরিবেশ বিদ্যমান। করদাতা ও কর প্রশাসন উভয় পক্ষের মধ্যেই একে অপরকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা এবং কিছু ক্ষেত্রে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা দেখা যায়। এই পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভিয়েতনামে অনেক কম।
ভিয়েতনামে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য কর ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে সহজ, নির্ধারিত নিয়মভিত্তিক এবং পূর্বানুমানযোগ্য। সেখানে কর আহরণ প্রক্রিয়া ও বিভিন্ন কর রেয়াত ব্যবস্থা স্পষ্ট কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়, যা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন শুল্ক ও কর সুবিধার ঘোষণা থাকলেও বাস্তব প্রয়োগে তা অনেক সময় ভিন্ন রূপ নেয় বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়। একাধিক সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে নীতি বাস্তবায়নে অসংগতি দেখা দেয়, ফলে ঘোষিত সুবিধা ও বাস্তব অবস্থার মধ্যে মিল থাকে না।
অন্যদিকে ভিয়েতনামে এ ধরনের নীতিগত অসংগতি তুলনামূলকভাবে কম। সেখানে রাজস্ব বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার অবস্থান ও ব্যাখ্যায় একটি সমন্বিত ধারা দেখা যায়। ফলে বিনিয়োগকারীরা একক ও স্পষ্ট বার্তা পান, যা নীতি বাস্তবায়নে আস্থা তৈরি করে। ফলাফল হিসেবে ভিয়েতনামে বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ার পেছনে এই নীতিগত সংহতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
অন্যদিকে মালয়েশিয়ার-এর উদাহরণে বলা হয়, সেখানে মালয়েশিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মাইডা) একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে। এই সংস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ, করনীতি ও কাস্টমস–সংক্রান্ত বিষয়গুলো এক জায়গা থেকে সমন্বয় করা হয়। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জটিলতা তুলনামূলকভাবে কম।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পার্থক্য থাকলেও উভয় দেশেই নীতি বাস্তবায়নে একটি কেন্দ্রীভূত ও সমন্বিত কাঠামো কার্যকর রয়েছে, যেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বৈততা বা অস্পষ্টতা কম।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলা হয়, ১৮৬০ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে জেমস উইলসন ভারতের প্রথম আয়কর আইন প্রণয়ন করেন এবং বাজেট ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন। তার প্রবর্তিত রাজস্ব আহরণ কাঠামোর মূল দর্শন আজও বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে কোনো না কোনোভাবে অনুসৃত হচ্ছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে মূলত দৃষ্টিভঙ্গিতে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন কাঠামোগত সংস্কারের সঙ্গে সমানতালে এগোয়নি বলে বিশ্লেষণে মত দেওয়া হয়।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে উন্নত দেশের কর কাঠামো সরাসরি অনুসরণ বা হুবহু প্রয়োগ করলে তা সবসময় কার্যকর ফল দেয় না। কারণ প্রতিটি অর্থনীতির কর সংস্কৃতি, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং করদাতার আচরণগত বাস্তবতা ভিন্ন।
যদি ধরে নেওয়া হয় যে সব করদাতা একই পর্যায়ের সচেতনতা ও সক্ষমতার অধিকারী, তাহলে কর ব্যবস্থার নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবতার সঙ্গে অসংগত হয়ে পড়ে। এতে রাজস্ব আহরণের পরিবেশ প্রগতিশীল না হয়ে অনেক ক্ষেত্রে জটিল ও প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে পারে। ফলে নতুন করদাতা অন্তর্ভুক্তির গতি ধীর হয়ে যায় এবং বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে কর এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা বা বিকল্প পথ খোঁজার মানসিকতা তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষণে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজস্ব আহরণের বর্তমান অবস্থান ভারত, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় পিছিয়ে থাকার পেছনে একাধিক কাঠামোগত কারণ রয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো অবারিত কর অব্যাহতি এবং ট্যাক্স অ্যামনেস্টি বা কর-সুবিধার নীতি।
বিশ্লেষণে বলা হয়, বাংলাদেশে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগকে অনেক ক্ষেত্রে কর অব্যাহতি বা করছাড়ের সঙ্গে এক করে দেখা হয়। ফলে দুর্নীতি বা অনৈতিকভাবে অর্জিত আয়ের ওপরও কার্যত কর সুবিধা তৈরি হয়, যা একটি বড় ধরনের রাজস্ব প্রণোদনা হিসেবে কাজ করে।
একই সঙ্গে অনেক সময় “উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করা হবে না” ধরনের বিধান যুক্ত থাকায় এই সুবিধা আরও বিস্তৃত হয়। এতে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ প্রকৃত অর্থে দুর্নীতির দায় থেকে আংশিক ইমিউনিটি দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়।
এ ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভারতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। সেখানে ১৯৯৭ ও ২০১৫ সালে কালো টাকা সাদা করার সীমিত সময়ের সুযোগ দেওয়া হলেও কর ও জরিমানার হার হ্রাস থাকলেও জিজ্ঞাসাবাদ বা যাচাইয়ের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ ছিল না। একই ধরনের সীমিত ও শর্তযুক্ত ব্যবস্থা ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতেও দেখা যায়। এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের পদ্ধতিতে ব্যতিক্রম রয়েছে, যেখানে কর অব্যাহতির পরিধি ও প্রয়োগ তুলনামূলকভাবে বেশি বিস্তৃত এবং নীতিগতভাবে প্রশ্নহীন ঘোষণা দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
উন্নত কর ব্যবস্থার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো বাধ্যতামূলক কর পরিশোধের সংস্কৃতি কিন্তু বাংলাদেশে পেশাজীবী, শহরের বাড়ির মালিক কিংবা গ্রামীণ ধনী কৃষক—অনেকেই কর ব্যবস্থার পূর্ণ আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছেন বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়। এর একটি প্রধান কারণ হিসেবে মনিটরিং সক্ষমতার ঘাটতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে একটি কাঠামোগত ধারণা দেওয়া হয় যে, যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব নির্ভুলভাবে যাচাই করা সম্ভব হতো এবং কোনো করদাতা বেশি পরিশোধ করলে তা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকত, তাহলে কর প্রদানে অনাগ্রহ অনেকটাই কমে যেত। এতে কর ব্যবস্থার প্রতি আস্থা তৈরি হতো এবং অংশগ্রহণ বাড়ত। করদাতার আয়, প্রদেয় কর এবং পরিশোধিত কর—সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলিয়ে দেখার একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা না থাকায় ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থেকে যাচ্ছে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য সংস্কার হিসেবে ২০০৮ সালে প্রবর্তিত জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবস্থাকে তুলে ধরা হয়। বলা হয়, জাতীয় পরিচয়পত্রকে যদি রাজস্ব প্রশাসন, আর্থিক খাত এবং কর সংগ্রহ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করা যায়, তবে এটি একটি বড় প্রশাসনিক সংস্কার হতে পারে।
জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে ই-টিনসহ অন্যান্য আর্থিক ও কর-সংক্রান্ত তথ্য একীভূত করা গেলে করদাতার একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করা সম্ভব হতো। এতে স্বয়ংক্রিয় মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে কর ফাঁকির সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে আসত বলে বিশ্লেষণে মত দেওয়া হয়।
- ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ: সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান, রাজস্ব সংস্কার কমিটির সদস্য।