Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, জুলাই 31, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জ্বালানি খাতের অস্থিরতা থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকারের নানা উদ্যোগ
    অর্থনীতি

    জ্বালানি খাতের অস্থিরতা থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকারের নানা উদ্যোগ

    মনিরুজ্জামানএপ্রিল 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    কোনো উদ্যোগেই থামছে না দেশের জ্বালানি খাতের অস্থিরতা। পেট্রোল ও অকটেন নিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি এখনো নিয়মিত দৃশ্য হয়ে উঠেছে। সরকার রেশনিং, ট্যাগ অফিসার নিয়োগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান এবং ‘ফুয়েল পাস’সহ একাধিক পদক্ষেপ নিলেও পরিস্থিতিতে বড় কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা, চাহিদার অতিরিক্ত চাপ এবং কিছু ক্ষেত্রে মজুতদারির প্রবণতা—এই তিনটি কারণ মিলেই বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার স্বল্পমেয়াদি নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কার—দুই ধরনের উদ্যোগ একসঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছে।

    সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ:

    সংকট মোকাবিলায় সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগগুলোর একটি হলো ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা। এই ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি বরাদ্দ থাকবে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পুরো বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হবে। এতে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহ, পুনরায় বিক্রি বা মজুতের সুযোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু কারিগরি সমস্যার কারণে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাধা তৈরি হয়েছে। তবুও জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় এটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    পাশাপাশি পেট্রোল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা এই দায়িত্ব পালন করছেন। তারা পাম্পে জ্বালানি বিক্রি, মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। এতে অনিয়ম, অতিরিক্ত বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির প্রবণতা কমানোর চেষ্টা চলছে।

    বিপিসির পরিচালক (বিপণন) ও সরকারের যুগ্ম সচিব মো. সাবেত আলী বলেন, “জ্বালানি তেলের এ সমস্যা শুধু আমাদের দেশে নয়, বিশ্বব্যাপী। তারপরও আমরা সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রেখেছি। গত বছর এই সময়ে যে পরিমাণ জ্বালানি তেলের সরবরাহ ছিল এখনো একই রয়েছে। অনেকে প্যানিক বায়িং করছেন। আর অবৈধ তেল মজুতদারদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান চলমান।”

    জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে সরকার ডিজিটালাইজেশনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি লেনদেন ডিজিটালভাবে রেকর্ড করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কোন যানবাহন কত জ্বালানি নিচ্ছে তা সহজে ট্র্যাক করা সম্ভব হবে। এতে কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য বিশ্লেষণ করে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য আনা সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    একই সঙ্গে মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা ও ডিপোগুলোতে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে, যাতে পাচার বা অবৈধ লেনদেন রোধ করা যায়।

    সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছু প্রশাসনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ডিপো থেকে জ্বালানি উত্তোলন ও পরিবহনের সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, যাতে দ্রুত পাম্পে জ্বালানি পৌঁছায়। বিভিন্ন এলাকার চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ সমন্বয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে কিছু এলাকায় অতিরিক্ত সংকট তৈরি হওয়া কমছে বলে জানা গেছে।

    অস্থির পরিস্থিতিতে সরকার কিছু সময়ের জন্য সীমিত পরিমাণে জ্বালানি বিক্রির নির্দেশও দিয়েছিল। মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করায় তুলনামূলক বেশি গ্রাহকের কাছে জ্বালানি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা সাময়িকভাবে চাপ কমাতে ভূমিকা রেখেছে।

    জ্বালানি সাশ্রয় ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা:

    জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সংযম আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সাশ্রয়ী ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

    দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা আনতে বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার, বাজার ব্যবস্থার সংস্কার এবং নীতিগত পরিবর্তনের ওপর কাজ চলছে। তবে এত উদ্যোগের পরও ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি পুরোপুরি কমেনি।

    দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, চলতি এপ্রিল মাসসহ আগামী দুই মাসেও দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না। তিনি জানান, বর্তমান মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

    বর্তমান মজুত পরিস্থিতি: সরকারি হিসাবে দেশে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে মজুত রয়েছে—

    • ডিজেল: ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন
    • অকটেন: ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন
    • পেট্রোল: ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন
    • ফার্নেস অয়েল: ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন
    • জেট ফুয়েল: ১৮ হাজার ২২৩ মেট্রিক টন

    এই মজুতকে স্বাভাবিক ও পর্যাপ্ত বলেই মনে করছে জ্বালানি বিভাগ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিচালক (বিপণন) ও সরকারের যুগ্মসচিব মো. সাবেত আলী বলেন, জ্বালানি তেলের বর্তমান পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশ নয়, বৈশ্বিক একটি বিষয়। তারপরও দেশে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।

    তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। অনেক ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে প্যানিক বায়িং দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে বলেও জানান।

    জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। পুরো জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু পেট্রোল পাম্পের সংখ্যা সেই হারে বাড়ছে না। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সংকটের আশঙ্কা থেকেই প্যানিক তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাইডারদের মতো নির্ভরশীল ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, কারণ তাদের জীবিকা সরাসরি জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস এবং পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ বলেন, সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা সময়োপযোগী ছিল। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনি বলেন, নজরদারি না থাকলে পরিস্থিতি আরও বিশৃঙ্খল হতে পারত। অবৈধভাবে মজুত করা তেল এখন ধরা পড়ছে এবং বাজারে আর অবৈধ প্রবাহের সুযোগ কমেছে।

    সরকারি আশ্বাস ও মজুতের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই বলে দাবি করা হলেও মাঠপর্যায়ে চাহিদা ও বিতরণ ব্যবস্থার চাপ এখনো বিদ্যমান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা আনতে নীতি ও অবকাঠামো—দুই ক্ষেত্রেই সংস্কার জরুরি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    দীর্ঘ সরবরাহ শৃঙ্খলে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে ১১৬% পর্যন্ত: সিপিডি

    জুলাই 31, 2026
    অর্থনীতি

    বিনিয়োগ আস্থা ফেরাতে ঋণমানের ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি

    জুলাই 30, 2026
    অর্থনীতি

    এক নম্বরেই মিলবে করদাতার সব তথ্য

    জুলাই 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.