এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফরমেশন (জিএফসিএফ) বা মোট স্থায়ী মূলধন গঠন দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩০ থেকে ৩২ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনায় এই হারকে সাধারণত গ্রহণযোগ্য ধরা হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই বিপুল বিনিয়োগের বড় একটি অংশ কার্যকর অর্থনৈতিক ফল দিতে পারছে না বলে প্রশ্ন উঠছে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে বাংলাদেশের জিএফসিএফের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই সূচকটি মূলত একটি দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতে অ-আর্থিক সম্পদে করা নিট বিনিয়োগকে নির্দেশ করে। এর মধ্যে অবকাঠামো, ভবন, যন্ত্রপাতি ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহৃত সব ধরনের স্থায়ী সম্পদ অন্তর্ভুক্ত থাকে। সাধারণভাবে এটি কোনো দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এর মাধ্যমে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন গতি পায়।
তবে বাংলাদেশের বাস্তব চিত্রে এই বিপুল বিনিয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বড় বড় মেগা প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো থেকে প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক রিটার্ন পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু প্রকল্প চালু হওয়ার পরও অলস অবস্থায় পড়ে আছে, আবার কিছু প্রকল্পের আয় দিয়ে পরিচালন ব্যয়ও পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। একইভাবে বেসরকারি খাতে গড়ে ওঠা বড় শিল্পগুলোর একটি অংশেও পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার হচ্ছে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন অর্ধেকেরও কম পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রয়েছে। কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও দেখা যাচ্ছে, যা অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে এবং ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে।
অর্থনীতিবিদ ও বিনিয়োগ সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি অবকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ ব্যয়ের দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অথচ এই ব্যয়ের বিপরীতে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত মানের অবকাঠামো নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি নির্মিত অবকাঠামোর একটি বড় অংশ দীর্ঘ সময় ধরে অকার্যকর বা স্বল্প ব্যবহৃত অবস্থায় থেকে যাচ্ছে। ফলে জিডিপির তুলনায় মোট মূলধন গঠন উচ্চ হলেও তা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রত্যাশিত অবদান রাখতে পারছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থার পেছনে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ব্যবস্থাপনাগত অদক্ষতা বড় ভূমিকা রাখছে। তাদের মতে, বিনিয়োগের গুণগত মান নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে এই স্থায়ী মূলধন গঠন অর্থনীতির শক্তি না হয়ে বরং বাড়তি চাপ হিসেবে দেখা দিতে পারে।
বাংলাদেশে সরকারি বিনিয়োগে তৈরি হওয়া বড় অবকাঠামোগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক ফল দিতে পারছে না বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা বাড়ছে। বিশেষ করে গত দেড় দশকে নেওয়া একাধিক মেগা প্রকল্পকে কেন্দ্র করে অনুৎপাদনশীল সম্পদ সৃষ্টির অভিযোগও উঠছে।
এর একটি উদাহরণ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে নির্মিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মোরিং (এসপিএম) প্রকল্পকে উল্লেখ করা হয়। গভীর সমুদ্রে নোঙর করা বড় জাহাজ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল খালাসের সুবিধার জন্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকারের সময় এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। প্রায় ৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের পাইপলাইন ও অবকাঠামোর কাজ ২০১৫ সালে শুরু হয়ে দুই বছর আগে শেষ হয়। তবে জ্বালানি সংকটের সময়েও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি। ফলে বিপুল ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামো এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।
এ ধরনের আরেকটি বড় উদাহরণ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন করা হলেও এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়নি। জাপানের ঋণে বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্প দীর্ঘ সময় ধরে সীমিত ব্যবহারের বাইরে অর্থনৈতিক কোনো অবদান রাখতে পারছে না বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেন।
কেবল এই দুটি প্রকল্পই নয়, গত কয়েক বছরে নির্মিত একাধিক অবকাঠামোও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম সুড়ঙ্গপথ বা টানেল এর একটি উদাহরণ। প্রায় ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে উদ্বোধনের পর থেকে এটি আয় দিয়ে পরিচালন ব্যয়ও মেটাতে পারছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়। ফলে প্রতিদিন প্রায় ৩০ লাখ টাকার লোকসানের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
ঢাকার দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগারও একই ধরনের সমস্যায় পড়েছে। ৩ হাজার ৭১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্প রাজধানীর বড় একটি অংশের পয়োবর্জ্য পরিশোধনের জন্য তৈরি করা হলেও কার্যক্রম শুরু হলেও পূর্ণাঙ্গ নেটওয়ার্ক না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছে না।
বিদ্যুৎ খাতেও বড় ধরনের সক্ষমতার ব্যবধান দেখা যাচ্ছে। দেশে বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও সর্বোচ্চ চাহিদা পিক আওয়ারে প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট। ফলে বড় অংশের উৎপাদন সক্ষমতা অলস পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হলে তেলভিত্তিক অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আরও অকার্যকর হয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন মনে করেন, সব অবকাঠামোকে প্রকৃত অর্থে ‘সম্পদ’ বলা যায় না। তাঁর মতে, যেসব প্রকল্প নিজের পরিচালন ব্যয়ও মেটাতে পারে না, সেগুলোকে উৎপাদনশীল সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা কঠিন। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বেসরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আলাদা। গ্যাস সংকট বা অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে সেটির দায় এককভাবে উদ্যোক্তার ওপর চাপানো যায় না।
সব মিলিয়ে বড় অঙ্কের সরকারি বিনিয়োগে গড়ে ওঠা অবকাঠামোর একটি অংশ কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক কার্যকারিতা অর্জন করতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে উঠে আসছে। এতে করে জিডিপি অনুপাতে উচ্চ বিনিয়োগ থাকলেও তার বাস্তব উৎপাদনশীলতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত দুই দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জিডিপি, গ্রস ক্যাপিটাল ফরমেশন বা মোট স্থায়ী মূলধনের পরিমাণ যেমন বেড়েছে, তেমনি দেশী-বিদেশী উৎস থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালে বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল মাত্র ৬১ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। দুই দশকের ব্যবধানে তা বেড়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫৬ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণও দ্রুত হয়েছে, যার সঙ্গে ব্যাংক খাতের ঋণ প্রবাহ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০০ সালে বাংলাদেশের গ্রস ক্যাপিটাল ফরমেশন ছিল ১২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ সালে তা বেড়ে হয় ১৭ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। ২০১০ সালে দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারে, আর ২০১৫ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫৬ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে। ২০২০ সালে এই সূচক ১১৭ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয় এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালে তা দাঁড়ায় ১৩৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই যুগে মোট স্থায়ী মূলধনের পরিমাণ প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে। তবে এই বৃদ্ধির বিপরীতে অর্থনীতিতে উৎপাদনশীলতা কতটা বেড়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি খাতে অনেক বিনিয়োগ কার্যকর অর্থনৈতিক অবদান রাখতে পারছে না বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে আসছে।
বেসরকারি খাতেও সক্ষমতার বড় অংশ অকার্যকর পড়ে আছে। বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমএ) তথ্যমতে, দেশে সিমেন্ট উৎপাদনের সক্ষমতা প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টন হলেও এর মাত্র ৪ কোটি টন বা প্রায় ৪৮ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে। বাকি ৫২ শতাংশ সক্ষমতা অব্যবহৃত রয়েছে।
স্টিল খাতেও একই চিত্র দেখা যায়। বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বার্ষিক ১ কোটি ৩০ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ টন স্টিল উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও এর মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে।
শিল্প খাতের অন্যান্য ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সিরামিক ও কাচ শিল্পের অনেক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতেও বহু কারখানা বন্ধ বা আংশিকভাবে চালু রয়েছে। চলমান রফতানি মন্দার কারণে শীর্ষ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার ২০ থেকে ৪০ শতাংশ অলস পড়ে আছে বলে জানা গেছে।
ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী বলেন, এলপিজি খাতে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এতে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় টিকতে না পেরে বন্ধ হয়ে গেছে। তাঁর মতে, লাইসেন্স পাওয়া বহু কোম্পানি ব্যাংক ঋণ নিয়েছে, কিন্তু কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন সেই ঋণ খেলাপিতে পরিণত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই অনেক উদ্যোক্তা বিনিয়োগ করেছেন এবং ব্যাংকগুলোও পর্যাপ্ত যাচাই ছাড়াই ঋণ দিয়েছে। এতে উদ্যোক্তা ও ব্যাংক উভয়ই ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। একই ধরনের পরিস্থিতি রড, সিমেন্ট, সিরামিক ও গ্লাস খাতেও দেখা যাচ্ছে, যেখানে অনেক কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকের বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে না।
অর্থনীতিতে বর্তমানে প্রবৃদ্ধির ধীরগতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ, যেখানে মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের কাছাকাছি ছিল। চলতি বছরের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। একই সময়ে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ, আর আমদানির প্রবৃদ্ধিও নিম্নমুখী।
অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ অর্থনীতির একমাত্র ইতিবাচক সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে প্রায় ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে সরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি এখন সবচেয়ে বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ, আর এক বছরের ব্যবধানে তা বেড়ে ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশে পৌঁছায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারের মোট ঋণ স্থিতি প্রায় ২৪ লাখ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে এটি ছিল মাত্র ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। গত দেড় দশকে এই ঋণ প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ কোটি টাকার বেশি বেড়েছে। এর মধ্যে বিদেশী ঋণের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য, যা বর্তমানে প্রায় ১১৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

