Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুলাই 29, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মধ্যপ্রাচ্যের ১৮ দেশে পোশাক সরবরাহ বন্ধ
    অর্থনীতি

    মধ্যপ্রাচ্যের ১৮ দেশে পোশাক সরবরাহ বন্ধ

    মনিরুজ্জামানUpdated:এপ্রিল 21, 2026এপ্রিল 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আগে থেকেই সীমিত ছিল। আরব ও অনারব মিলিয়ে এই অঞ্চলে দেশের সংখ্যা ১৮টি। এসব দেশে মোট রপ্তানির অংশ এক শতাংশেরও কম। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। এখন ওই অঞ্চলে রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে আছে। সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে তৈরি পোশাক খাতে। এই প্রধান রপ্তানি পণ্য পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে টুপিসহ কিছু ছোট পণ্য আংশিকভাবে যাচ্ছে।

    ইরানে হামলার পর সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। এর প্রভাবে আকাশ ও সমুদ্রপথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। রপ্তানিকারকদের ভাষ্য, পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো তাদের অর্ডার স্থগিত করেছে। এসব আদেশ কবে আবার চালু হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা এই বাজার এখন বড় ঝুঁকির মুখে। বিশেষ করে উপসাগরীয় সহযোগী পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি দ্রুত বাড়ছিল। প্রায় ১০০ কোটি ডলারের সম্ভাবনাময় বাজার এখন অনিশ্চিত অবস্থায়।

    সম্প্রতি সীমিত আকারে আকাশপথে যোগাযোগ শুরু হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। যুদ্ধ থেমে গেলেও দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ বিভিন্ন দেশে অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হয়েছে ৬৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে, ২৮ কোটি ১১ লাখ ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে সৌদি আরব, ২৫ কোটি ১৬ লাখ ডলার। কুয়েতে রপ্তানি প্রায় ২ কোটি ডলার। সংঘাতের কেন্দ্র ইরানে রপ্তানি ছিল ৮১ লাখ ডলারের কিছু বেশি। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই অঞ্চলে মোট রপ্তানি ছিল ৮২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি। ইপিবি মধ্যপ্রাচ্য ব্লকে ১২টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে।

    এই অঞ্চলে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। এর মধ্যে জোব্বা, শেরওয়ানি, আম্মামা, পাগড়ি, সিরওয়ালসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক রয়েছে। পাশাপাশি শার্ট, প্যান্ট, স্যুট ও ব্লেজারেরও চাহিদা আছে। অনেক ক্ষেত্রে বহুজাতিক ব্র্যান্ডের মাধ্যমে তৃতীয় দেশ হয়ে এসব পণ্য মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছায়। পোশাকের বাইরে সবজি, ফল, কৃষিপণ্য ও চামড়াজাত পণ্যও রপ্তানি হয়। পর্যটন বাড়ানোর পরিকল্পনার কারণে ভবিষ্যতে এই বাজারে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাও ছিল।

    পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, গত অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের রপ্তানির প্রায় ৮৯ শতাংশই ছিল তৈরি পোশাক। মূল বাজার ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব। বর্তমানে এই বাজার প্রায় পুরোপুরি বন্ধ। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল সীমিত, আর জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়েছে। ফলে প্রায় শতকোটি ডলারের বাজার এখন অকার্যকর।

    তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বেশি এবং উচ্চমূল্যের পোশাকের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু যুদ্ধের কারণে অর্থনীতিতে ধাক্কা লেগেছে। সৌদি আরব ও কুয়েতের তেল-গ্যাস অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। পর্যটন খাতেও ধীরগতি দেখা দেবে। ফলে এই বাজার দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরবে না। দীর্ঘমেয়াদে বাজারটি ফিরে আসবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

    তৈরি পোশাকের নতুন বাজার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব সম্ভাবনাময় ছিল। বিজিএমইএ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে আমিরাতে ২০ কোটি ডলার এবং সৌদি আরবে প্রায় ১৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। বর্তমানে এই দুই দেশেও রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।

    অনন্ত গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যে পোশাক রপ্তানি করে আসছিল। কিন্তু এখন সব কার্যক্রম বন্ধ। ক্রেতারা আপাতত উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধ রাখতে বলেছে। হামলার পরপরই সুইডিশ ব্র্যান্ড এইচ অ্যান্ড এম তাদের অর্ডারের উৎপাদন স্থগিত করে।

    দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাজার গড়ে তুলতে কাজ করছে বিজিএমইএ। স্থানীয় চাহিদা বোঝা, মৌসুমভিত্তিক পণ্যের ধরন নির্ধারণ এবং রঙের প্রবণতা নিয়ে গবেষণা চলছে। বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও জোরদার করা হয়েছে। তবে চলমান সংকটে সেই অগ্রযাত্রা থমকে গেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ৭৫ শতাংশ ব্যাংক ঋণ যাচ্ছে বড় কোম্পানিতে, বঞ্চিত ছোট উদ্যোক্তারা

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে কেন?

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    ভ্যাট ফাঁকি রোধে এনবিআরের নজরে ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান

    জুলাই 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.