Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুলাই 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ৭৫ শতাংশ ব্যাংক ঋণ যাচ্ছে বড় কোম্পানিতে, বঞ্চিত ছোট উদ্যোক্তারা
    অর্থনীতি

    ৭৫ শতাংশ ব্যাংক ঋণ যাচ্ছে বড় কোম্পানিতে, বঞ্চিত ছোট উদ্যোক্তারা

    নিউজ ডেস্কজুলাই 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি বড় সমস্যা আবারও আলোচনায় এসেছে। দেশের ব্যাংক ঋণের বড় অংশই যাচ্ছে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কাছে, ফলে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা, গ্রামীণ ব্যবসায়ী এবং অনেক সম্ভাবনাময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থা এখনো বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক হয়ে রয়েছে। এর ফলে এসএমই খাতের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও স্থানীয় ব্যবসার সম্প্রসারণের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে।

    বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, দেশের মোট ব্যাংক ঋণের প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ এখনো কর্পোরেট খাতে যাচ্ছে। এর ফলে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং অর্থায়ন থেকে পিছিয়ে থাকা অন্যান্য ব্যবসাগুলো পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধা পাচ্ছে না।

    ঢাকার গুলশানে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজিত “বাংলাদেশে অর্থায়নের সুযোগ: বেসরকারি খাতের জন্য কার্যকর আর্থিক ব্যবস্থা গঠন” শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ছোট ও মাঝারি শিল্পের গুরুত্ব অনেক বেশি। এই খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক সুবিধা পেয়ে আসছে, যেখানে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংক থেকে অর্থ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে রয়েছে।

    নুরুল আমিন বলেন, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই ব্যাংক ঋণ পেলেও অনেক ছোট উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের প্রতিষ্ঠান এখনো আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে হলে প্রচলিত ঋণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

    তিনি ছোট ব্যবসার জন্য ইনভয়েসভিত্তিক অর্থায়ন বা সরবরাহকারীদের পাওনা অর্থের বিপরীতে ঋণ সুবিধা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা প্রচলিত জামানত ছাড়াই অর্থ সংগ্রহের সুযোগ পেতে পারেন। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে একটি জামানত নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর কথাও বলেন তিনি, যাতে ব্যাংকগুলো সহজে সম্পদের তথ্য যাচাই করতে পারে এবং ঋণ প্রদানে ঝুঁকি কমাতে পারে।

    এসএমই অর্থায়নের ক্ষেত্রে জামানতনির্ভরতার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক ছোট উদ্যোক্তার ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা থাকলেও পর্যাপ্ত সম্পদ না থাকায় তারা ব্যাংক ঋণ থেকে বঞ্চিত হন।

    ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই বিভাগের প্রধান সৈয়দ আবদুল মোমেন বলেন, দেশের ব্যাংক খাত দীর্ঘদিন ধরে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় ৭৫ শতাংশ ব্যাংক অর্থায়ন কর্পোরেট খাতে গেছে, যার কারণে এসএমই খাত পর্যাপ্ত অর্থায়ন পায়নি।

    তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো সাধারণত জামানতকে নিরাপত্তার প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে। কিন্তু বাস্তবে জামানত থাকলেই যে ঋণের ঝুঁকি কমে যাবে, তা সব সময় সত্য নয়।

    তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ব্র্যাক ব্যাংকের প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার সম্পদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক এসএমই ঋণ। এর মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ঋণে কম বা কোনো জামানত নেই। এসব ঋণের খেলাপি ঋণের হার মাত্র ২ শতাংশ। অন্যদিকে ১০ হাজার কোটি টাকার জামানতভিত্তিক এসএমই ঋণের খেলাপির হার ৭ শতাংশ।

    তার মতে, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু সম্পদের মূল্যায়ন না করে ব্যবসার আয়, নগদ অর্থ প্রবাহ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

    এসএমই খাতে অর্থায়ন বাড়াতে ডিজিটাল ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ব্যবসায়িক তথ্যের সহজলভ্যতা, তথ্য আদান-প্রদানের উন্নত ব্যবস্থা এবং কার্যকর ঋণ তথ্যভান্ডার তৈরি করা গেলে ছোট ব্যবসার জন্য ঋণ পাওয়া সহজ হবে।

    ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানটি বিকাশ মার্চেন্টদের জন্য একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল ঋণ সুবিধা চালু করেছে। এই ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যায় এবং প্রায় এক মিনিটের মধ্যে ঋণ অনুমোদনের সুযোগ রয়েছে।

    তবে শুধু ছোট ব্যবসা নয়, দেশের মাঝারি ও বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানও বর্তমানে নানা চাপের মুখে রয়েছে। শাশা ডেনিমস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে রপ্তানিকারকরা চাপে রয়েছে।

    তিনি বলেন, ৩০ জানুয়ারি গ্যাসের দাম দ্বিগুণ হওয়া, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, মজুরি বৃদ্ধি এবং করের চাপের কারণে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়েছে। তাদের প্রতিষ্ঠানের জ্বালানি খরচ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে এবং অতিরিক্ত ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

    শামস মাহমুদ বলেন, নীতিগত অসামঞ্জস্য, ব্যাংক গ্যারান্টি পেতে জটিলতা এবং বৈদেশিক অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা অনেক সম্ভাবনাময় ব্যবসার জন্য সমস্যা তৈরি করছে। এসব কারণে ভালো প্রতিষ্ঠানও কখনো কখনো আর্থিক সংকটে পড়ে যাচ্ছে।

    আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো এসএমই খাত প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা পায় না। তাই এই খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিচার ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

    এইচএসবিসি বাংলাদেশের বহুজাতিক পাইকারি ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান আন্দালিব মির্জা বলেন, ডিজিটাল তথ্যের সীমাবদ্ধতা এবং দুর্বল আর্থিক যাচাই ব্যবস্থা বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের বাইরে থাকা ব্যবসাগুলোর জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    প্রাইসওয়াটারহাউসকুপার্স বাংলাদেশের দেশীয় অংশীদার শামস জামান বলেন, ব্যাংক খাতের আস্থা ফিরিয়ে আনতে খেলাপি সম্পদের কার্যকর সমাধান প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশের অর্থায়ন ব্যবস্থাকে শুধু ব্যাংকনির্ভর না রেখে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনের নতুন উৎস তৈরি করতে হবে।

    তিনি ঋণ নিশ্চয়তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী এবং পেশাদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। এতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলো সহজে অর্থায়নের সুযোগ পেতে পারে।

    পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ বিশ্লেষণে অর্থায়নের সুযোগ দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম দুর্বল ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাই ব্যবসার জন্য অর্থ পাওয়া সহজ করতে বাস্তবভিত্তিক সংস্কার প্রয়োজন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী করতে হলে শুধু বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করলে হবে না। ছোট ও মাঝারি ব্যবসার জন্যও সমান অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। কারণ এসএমই খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

    ব্যাংক ঋণের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা, জামানতনির্ভরতা কমানো, ডিজিটাল অর্থায়ন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে দেশের বেসরকারি খাত আরও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে কেন?

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    ভ্যাট ফাঁকি রোধে এনবিআরের নজরে ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান

    জুলাই 28, 2026
    অর্থনীতি

    প্রতিবেশীদের তুলনায় বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো থেকে কর আদায় কম

    জুলাই 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.