Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মে 9, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে নতুন বাজেটের অগ্রযাত্রা
    অর্থনীতি

    কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে নতুন বাজেটের অগ্রযাত্রা

    নিউজ ডেস্কমে 9, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। শুধু ভাতাভিত্তিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এবার পরিবারভিত্তিক সুরক্ষা, কৃষি সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সম্মানি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং নগদ সহায়তাকে এক ছাতার নিচে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি সমন্বিত কল্যাণ কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৩ কোটি ৬৩ লাখে। এ খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা। তুলনামূলকভাবে চলতি অর্থবছরে এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাচ্ছেন প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ। এ খাতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২১ হাজার ৭০১ কোটি টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে উপকারভোগী সংখ্যা ও বাজেট বরাদ্দ—দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ দেখা যাচ্ছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবারের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে কেন্দ্র করেই সরকারের ‘কল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা’র রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরা হবে। আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    ফ্যামিলি কার্ড: সামাজিক নিরাপত্তার নতুন কেন্দ্র:

    সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোয় এখন সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগ হয়ে উঠেছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’। দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে একটি একক পরিচয়ের আওতায় এনে নগদ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই এই কর্মসূচির সূচনা। ধীরে ধীরে এটি দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে।

    আগামী অর্থবছরে এই কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী সংখ্যা বাড়িয়ে ৪১ লাখ পরিবারে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাচ্ছে। এই হার অপরিবর্তিত থাকলেও উপকারভোগী বাড়ার কারণে শুধু এই খাতেই বরাদ্দ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১২ হাজার ৩৮৪ কোটি টাকা।

    তবে এই কর্মসূচিতে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। ফ্যামিলি কার্ডধারীরা আর অন্য কোনো সামাজিক ভাতা পাবেন না। অর্থাৎ কেউ যদি বয়স্ক, বিধবা বা অন্যান্য ভাতার সুবিধা পান, তাহলে ফ্যামিলি কার্ড গ্রহণের পর সেই সুবিধা বাতিল হবে। সরকারের যুক্তি, এতে একই ব্যক্তি একাধিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ কমবে এবং প্রকৃত দরিদ্রদের অন্তর্ভুক্তি সহজ হবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে এই কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। পাঁচ বছরে এ খাতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, এই বৃহৎ কর্মসূচির সফলতা নির্ভর করবে উপকারভোগী নির্বাচন কতটা স্বচ্ছ ও নির্ভুলভাবে করা হচ্ছে তার ওপর। অতীতের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অযোগ্য ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তির অভিযোগও রয়েছে।

    কৃষক কার্ডে ৪২ লাখ কৃষক:

    গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি উৎপাদন শক্তিশালী রাখতে কৃষকদের জন্যও পৃথক সহায়তা কাঠামো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কার্ডের আওতায় থাকা কৃষকরা বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন। এ খাতে সরকারের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা। সরকারের ধারণা, কৃষকদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেইজ তৈরি হলে ভবিষ্যতে সার, বীজ, কৃষিঋণ ও প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানো আরও সহজ হবে।

    বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতায় পরিবর্তন:

    সামাজিক নিরাপত্তার ঐতিহ্যগত তিনটি বড় খাত—বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতাতেও আসছে পরিবর্তন। বর্তমানে ৬১ লাখ বয়স্ক নাগরিক মাসে ৬৫০ টাকা করে ভাতা পান। আগামী অর্থবছরে উপকারভোগী বেড়ে দাঁড়াবে ৬২ লাখে। একইসঙ্গে মাসিক ভাতা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হচ্ছে। তবে ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে, তারা মাসে ১ হাজার টাকা করে পাবেন।

    বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের ভাতাও ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হচ্ছে। তবে এই খাতে নতুন উপকারভোগী যুক্ত করা হচ্ছে না, কারণ অনেককে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় বর্তমানে ৩৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষ মাসে ৯০০ টাকা করে পাচ্ছেন। আগামী অর্থবছরে উপকারভোগী সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৬ লাখ করা হবে। তবে ভাতার হার অপরিবর্তিত থাকছে।

    খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আগামী অর্থবছরে বড় ধরনের সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৫৫ লাখ পরিবার ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০ লাখ পরিবারে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিও অব্যাহত থাকবে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে এসব সহায়তা নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর চাপ কিছুটা কমাতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কর্মীদের সরকারি সম্মানি কর্মসূচিও এবার ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ ও খাদেমদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। চলতি অর্থবছরে যেখানে উপকারভোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৮ হাজার, আগামী অর্থবছরে তা বেড়ে ২ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি হতে পারে। এ খাতে বরাদ্দও ২৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৮১ কোটি টাকায় উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সামাজিক নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবেশ ও কর্মসংস্থানকে যুক্ত করতে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। খাল খনন কর্মসূচির উপকারভোগী বাড়িয়ে ৩৪ লাখে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করে ৮০ হাজারে উন্নীত করা হবে। সরকারের ধারণা, এসব উদ্যোগ একদিকে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে, অন্যদিকে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

    জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সরকারি সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হচ্ছে। ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য অনুদান দ্বিগুণের বেশি করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ৬০ হাজার রোগীকে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে ৬৫ হাজার রোগীকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতায়ও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার মাসে ৪০ হাজার টাকা, বীর উত্তম পরিবার ৩০ হাজার টাকা এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক পরিবার ২৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের ভাতা অপরিবর্তিত থাকলেও সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    রাজস্ব আহরণই বড় চ্যালেঞ্জ:

    সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির এই ব্যাপক সম্প্রসারণ রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় হলেও এর বাস্তবায়ন অর্থনীতির জন্য সহজ হবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর অতিরিক্ত পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খানের মতে, সরকার ধীরে ধীরে একটি ‘লাইফ সাইকেলভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো’ গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে। তবে এই কাঠামোর সফলতা নির্ভর করবে সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন এবং পর্যাপ্ত রাজস্ব আহরণের সক্ষমতার ওপর।

    তার মতে, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হলে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল পুনর্বিন্যাস করা জরুরি। পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার না করলে এই বড় কাঠামো কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন হবে।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আসন্ন বাজেট একদিকে সরকারের কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের রাজনৈতিক অঙ্গীকার তুলে ধরবে, অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও আয় বৈষম্যের চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। তবে রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়লে এই বিস্তৃত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    যৌথ বিদ্যুৎকেন্দ্রেই বড় ব্যয় সংকট

    মে 9, 2026
    অর্থনীতি

    ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপির প্রাথমিক অনুমোদন

    মে 9, 2026
    অর্থনীতি

    রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে অর্থনীতি ও পল্লী উন্নয়ন

    মে 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.