Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 24, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অর্থনৈতিক কাঠামোয় চীনের প্রভাব নিয়ে শঙ্কা
    অর্থনীতি

    অর্থনৈতিক কাঠামোয় চীনের প্রভাব নিয়ে শঙ্কা

    নিউজ ডেস্কমে 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ জার্মানিকে ‘চীন ধাক্কা ২.০’–এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে সতর্ক করেছে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তাদের মতে, এই ধাক্কার প্রভাব বার্লিনের অর্থনীতি শুধু নয়, সামাজিক জীবনেও বড় ধরনের নেতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

    শুধু জার্মানি নয়, সম্প্রতি চীন তাদের নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা ঘোষণার পর থেকেই বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্বিতীয় দফা ‘চীন ধাক্কা’ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে চীনের অবস্থান ভিন্ন। দেশটির দাবি, পশ্চিমা গণমাধ্যম এই ধারণাকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করছে। তাদের মতে, উচ্চপ্রযুক্তি খাতে চীনের দ্রুত অগ্রগতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হুমকি নয়। বরং এটি প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করে তুলছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

    এখন প্রশ্ন উঠছে, চীন তাদের প্রযুক্তি খাতে কী ধরনের নীতি গ্রহণ করেছে, যার কারণে বিষয়টি বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘ধাক্কা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে?

    অন্যদিকে ইতিহাস বলছে, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব এবং বিবাহবিচ্ছেদের হার বৃদ্ধির পেছনেও ‘চীন ধাক্কা’কে দায়ী করা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে এখন আবার প্রশ্ন উঠছে—এই অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ঢেউ কি শুধু শিল্প বা বাজারেই সীমাবদ্ধ, নাকি এটি সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের ওপরও প্রভাব ফেলছে? বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব অর্থনীতির এই নতুন বিতর্ক শুধু বাণিজ্য বা প্রযুক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব পড়তে পারে মানুষের জীবনযাপন ও সামাজিক কাঠামোর ওপরও।

    ‘চায়না শক’ কী এবং কেন এটি আলোচনায়:

    ‘চায়না শক’ শব্দটি প্রথম আলোচনায় আসে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অর্থনীতিবিদ ডেভিড অটোর একটি গবেষণাপত্রে। তিনি ২০১৬ সালে প্রকাশিত তাঁর গবেষণায় দেখান, বিশ্ব বাণিজ্যে চীনের দ্রুত উত্থান কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার ও শিল্প খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।

    অটোর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০০১ সালে চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগ দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা পণ্যের রপ্তানি প্রায় তিন গুণ বেড়ে যায়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশটির উৎপাদন খাতে। তাঁর গবেষণায় বলা হয়, এতে প্রায় ১০ লাখ শিল্প-ভিত্তিক চাকরি হারিয়ে যায় এবং সামগ্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মসংস্থানের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ২৫ লাখে।

    সাধারণ অর্থনৈতিক তত্ত্ব অনুযায়ী, কোনো অঞ্চলের শিল্প খাত নতুন প্রতিযোগিতার সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেয়। একই সঙ্গে শ্রমিকরাও দক্ষতা বাড়িয়ে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। কিন্তু ডেভিড অটোর গবেষণায় দেখা যায়, চীনা পণ্যের এই দ্রুত প্রবেশের ক্ষেত্রে সেই মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া অনেক ধীর ছিল। ফলে কিছু শিল্পাঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে মজুরি কমে যাওয়া এবং উচ্চ বেকারত্বের পরিস্থিতি বজায় থাকে, যা প্রায় এক দশক পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

    গত বছর ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে ডেভিড অটোর বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, চীন এখন রোবটিক্স, টেলিযোগাযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জ্বালানি প্রযুক্তির মতো উচ্চপ্রযুক্তির খাতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি তুলনামূলকভাবে নিম্নপ্রযুক্তির উৎপাদন খাতকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে।

    এই অবস্থায় উচ্চপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ চীনা পণ্য যখন কম দামে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে, তখন ক্রেতারা সেগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়েন। এতে স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে কর্মী ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়। এই অর্থনৈতিক চাপ, শিল্প খাতের রূপান্তর এবং শ্রমবাজারে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের সমষ্টিকেই সাধারণভাবে ‘চায়না শক’ বলা হয়।

    কেন ‘চায়না শক’-এর শঙ্কা:

    চীনের নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ সময়কালকে ঘিরে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনায় ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি প্রযুক্তি খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্ব ও স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

    লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, চীন এখন উদ্ভাবনের গতি বাড়ানো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে শীর্ষ অবস্থান নিশ্চিত করার কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে।

    চীনা নেতৃত্বের ধারণা, প্রযুক্তিতে বড় ধরনের অগ্রগতি সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে। এই লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী পাঁচ বছরে তারা মাল্টিমোডাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি এবং জ্বালানি খাতে নতুন উদ্ভাবন কাঠামো গড়ে তুলতে চায়।

    মাল্টিমোডাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন একটি প্রযুক্তি, যা একসঙ্গে লেখা, ছবি, অডিও ও ভিডিওসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। মানুষের মতো একাধিক উৎস থেকে তথ্য বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি করাই এর মূল বৈশিষ্ট্য।

    বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, চীনের এসব উন্নত প্রযুক্তি যখন বড় পরিসরে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করবে, তখন অনেক দেশের স্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্রুত সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে না। ফলে আবারও একটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে।

    ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অর্থনীতিবিদ ডেভিড অটোর তাত্ত্বিক কাঠামোর ভিত্তিতে এই সম্ভাব্য পরিস্থিতিকে অনেকেই ‘দ্বিতীয় চায়না শক’ বা ‘চায়না শক ২.০’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

    পরিবারে কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে:

    বিশ্ববাজারে চীনা পণ্যের দ্রুত বিস্তার শুধু শিল্প বা অর্থনীতির কাঠামোতেই নয়, এর প্রভাব সরাসরি পরিবার ও সামাজিক জীবনের ওপরও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

    বাংলাদেশের বাজারকে উদাহরণ হিসেবে নিলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। দেশের হালকা প্রকৌশল ও ইলেকট্রনিক্স খাতকে সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইলেকট্রনিক্স খাতেই প্রায় তিন হাজার প্রতিষ্ঠান সক্রিয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষের।

    এই খাতে মূলত ভোক্তা পর্যায়ের পণ্য যেমন মোবাইল ফোন, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, বৈদ্যুতিক ফ্যান, ওভেন, ব্লেন্ডারসহ নানা গৃহস্থালি সামগ্রী উৎপাদিত হয়। তবে বাস্তবতা হলো, দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে এখনো চীনা পণ্যের বড় একটি অংশ দখল করে আছে।

    এ অবস্থায় যদি বেইজিংয়ের নতুন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার আওতায় উন্নত প্রযুক্তির আরও পণ্য বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে, তাহলে স্থানীয় কোম্পানিগুলো কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে। সেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারলে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে যেতে পারে।

    ফলে সরাসরি প্রভাব পড়বে কর্মীদের আয়ের ওপর। আর একজন কর্মী চাকরি হারালে বা আয় কমে গেলে তার পুরো পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হয়—যা ঘরোয়া জীবনযাত্রা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

    বেলজিয়ামভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর ইউরোপিয়ান রিফর্ম’ জানিয়েছে, ২০০১ সালে প্রথম ‘চায়না শক’-এর সময় যুক্তরাষ্ট্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল। তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সময়ে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর পাশাপাশি বহু শিল্পনির্ভর শহরে অর্থনৈতিক স্থবিরতা তৈরি হয়। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, সামাজিক জীবনে এর প্রভাবও ছিল গভীর। কিছু এলাকায় আত্মহত্যা, বিবাহবিচ্ছেদ এবং মাদকাসক্তির হার বেড়ে গিয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

    এদিকে জার্মানিকে ঘিরে দ্বিতীয় ‘চায়না শক’ নিয়ে সতর্কতা জানিয়ে একই প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করেছে। তাদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৪ থেকে ২০২৫ অর্থবছরে জার্মানির সঙ্গে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ১২ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি এখন প্রায় ৯৪ বিলিয়ন ডলার। এই অর্থনৈতিক বাস্তবতা বার্লিনসহ ইউরোপের বড় অর্থনীতিগুলোকে সম্ভাব্য ‘চায়না শক ২.০’-এর ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

    চীন কী বলছে:

    ‘চায়না শক ২.০’ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্লেষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বেগের জবাবে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে চীন। দেশটির ক্ষমতাসীন দলের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যম ‘পিপলস ডেইলি’ গত ২৭ এপ্রিল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, পশ্চিমা কিছু গণমাধ্যম এই ধারণাকে অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চপ্রযুক্তি খাতে চীনের দ্রুত অগ্রগতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য কোনো নতুন সংকট নয়। বরং কিছু বিশ্লেষণ এটিকে বিপর্যয় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে, যা বাস্তবতার প্রতিফলন নয় বলে দাবি করেছে পত্রিকাটি।

    ‘পিপলস ডেইলি’র মতে, চীনের উন্নত ও প্রতিযোগিতামূলক দামের পণ্য দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করে তুলছে। একই সঙ্গে এসব পণ্য বৈশ্বিক বাজারে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখছে বলে তারা দাবি করে।

    অন্যদিকে, চীনের আরেক সরকারি মুখপত্র ‘গ্লোবাল টাইমস’ বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, ‘চায়না শক ২.০’ তত্ত্বের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে চীনা প্রতিষ্ঠানের অর্জনকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তাদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয় এবং এটি সব সময়ই বিদ্যমান ছিল।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কোনো একটি দেশ চিরকাল বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রাখতে পারে না। বরং যারা সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করে এবং উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকে, তারাই দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকে—এটাই বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বাভাবিক নিয়ম।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি, কোথাও প্রবৃদ্ধি কোথাও পতন

    জুন 24, 2026
    অর্থনীতি

    ভ্যাটের আওতায় আসছে মুদিদোকান ও বিউটি পারলার

    জুন 24, 2026
    অর্থনীতি

    অভিজাত ক্লাব সদস্যপদ নিতে গুনতে হবে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর

    জুন 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.