Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মে 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home»অর্থনীতি»বিনিয়োগ প্রবাহে প্রাণ ফেরেনি
    অর্থনীতি

    বিনিয়োগ প্রবাহে প্রাণ ফেরেনি

    নিউজ ডেস্কমে 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এলেও অর্থনীতিতে স্বস্তি পুরোপুরি আসেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক বাণিজ্যে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব এখন স্পষ্টভাবে পড়ছে দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে। এর ফলে বিনিয়োগে স্থবিরতা কাটছে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের মার্চ মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে। এটি সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ অর্থাৎ আট মাসের ব্যবধানে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক ২০০৩ সাল থেকে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির তথ্য প্রকাশ করে আসছে। সেই ধারাবাহিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৩ বছরের মধ্যে চলতি বছরের মার্চ মাসেই সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি রেকর্ড হয়েছে।

    অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা কমলেও বিনিয়োগ ও নতুন ব্যবসা কার্যক্রমে যে কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, তা এখনো কাটেনি। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানিসংকটও নতুন চাপ তৈরি করেছে। এর ফলে ব্যাংক ঋণের চাহিদা আগের তুলনায় কমে গেছে। তাদের মতে, উচ্চ সুদহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা উদ্যোক্তাদের নতুন ঋণ নিতে নিরুৎসাহিত করছে। এতে বেসরকারি খাত, যা অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত, কার্যত ধীরগতিতে চলছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত অবস্থান অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজারে অর্থপ্রবাহ সীমিত রাখা হয়েছে। সেই সংকোচনমূলক নীতির ধারাবাহিকতায় ঋণ প্রবৃদ্ধিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, বিনিয়োগ বাড়ানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি। এই সূচক বাড়লে বিনিয়োগ সম্প্রসারিত হয়, আর কমলে বিনিয়োগ সংকুচিত হয়। গত পুরো অর্থবছরজুড়েই এই সূচক নিম্নমুখী থাকায় আগামী দিনে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, উচ্চ সুদহারই বর্তমানে ঋণ সংকোচনের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ঋণের সুদহার এখন ১৪ থেকে ১৭ শতাংশে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণে নীতি সুদহার বাড়ানো হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঋণের খরচে। এতে নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

    তাদের মতে, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। দেশে খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ব্যাংকগুলোকে নতুন ঋণ প্রদানে ঝুঁকি নিতে নিরুৎসাহিত করছে। এর ফলে অনেক প্রকৃত উদ্যোক্তা প্রয়োজনীয় অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

    ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা বলছেন, বর্তমানে ঋণের সুদহার ১৬ থেকে ১৭ শতাংশে পৌঁছানোয় নতুন বিনিয়োগ কার্যত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আইনশৃঙ্খলার নাজুক পরিস্থিতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ঘাটতি বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও দুর্বল করছে। এসব কারণে দেশে বিনিয়োগে নিম্নমুখী প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে তারা জানান। তারা আসন্ন বাজেটে বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে—

    প্রথমত একটি বিনিয়োগবান্ধব বাজেট প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ডলারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

    দ্বিতীয়ত, শিল্প খাতে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প সুদে অর্থায়নের জন্য বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করতে হবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প, রপ্তানিমুখী ও আমদানি বিকল্প শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    তৃতীয়ত, কর কাঠামোকে ডিজিটালাইজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা। বারবার করহার পরিবর্তনের পরিবর্তে নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে বলে মত তাদের। একই সঙ্গে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর নামে অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে করভিত্তি সম্প্রসারণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    চতুর্থত, অবকাঠামো, বন্দর, কাস্টমস ও লজিস্টিক ব্যয় কমাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, যাতে ব্যবসার সামগ্রিক ব্যয় কমে আসে। পাশাপাশি সরকারি পরিচালন ব্যয় যৌক্তিকভাবে কমিয়ে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে। ঢাকা চেম্বার মনে করছে, শুধু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নয়, অর্থনৈতিক আস্থা ও ব্যবসাবান্ধব নীতিই এখন বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের মূল চাবিকাঠি।

    ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত হলেও এটি একমাত্র শর্ত নয়। তার মতে, বর্তমানে উদ্যোক্তাদের আস্থাহীনতা, উচ্চ সুদহার, ডলার সংকট, জ্বালানি অনিশ্চয়তা, আমদানি সীমাবদ্ধতা এবং নীতিগত অসামঞ্জস্যের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে এসেছে।

    তিনি বলেন, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান নতুন বিনিয়োগের পরিবর্তে টিকে থাকার কৌশলে মনোযোগ দিচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি ও তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকগুলোও ঝুঁকি নিতে অনাগ্রহী। ফলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

    তাসকীন আহমেদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কী ধরনের নীতি গ্রহণ করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এই অনিশ্চয়তার কারণে অনেক উদ্যোক্তা চাইলেও নতুন বিনিয়োগ বাড়াতে পারছেন না। এ অবস্থায় তিনি ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রণয়নের দাবি জানান।

    একই বিষয়ে ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্যোক্তারা ব্যবসা সম্প্রসারণের বদলে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। তার ভাষায়, ব্যবসায়ীরা এখন বিদ্যমান কার্যক্রম কীভাবে ধরে রাখা যায়, সে দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। নতুন বিনিয়োগ বা বড় প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা খুবই সীমিত। তিনি আরও বলেন, উচ্চ সুদে ব্যাংকঋণ নিয়ে ভ্যাট ও করের চাপ সামলে নতুন ব্যবসা শুরু করা এখন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

    বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদনশীলতা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, দেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের প্রধান ভিত্তি বেসরকারি খাত হলেও এই খাতকে কার্যত ঋণ প্রবাহে সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে। এতে উৎপাদন ও সেবা খাতের গতি কমে যাচ্ছে।

    তারা আরও বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের নীতি বাস্তবায়নে ঋণ প্রবাহ সংকুচিত করা হলেও বাস্তবে মূল্যস্ফীতি না কমে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খেলাপি ঋণ বাড়লে উদ্যোক্তারা আরও বড় ধরনের সংকটে পড়বেন।

    বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমার বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনো বিনিয়োগবান্ধব নয়। ফলে ঋণের চাহিদাও বাড়ছে না। তার মতে, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ দীর্ঘদিন ধরেই জিডিপির প্রায় ২২ থেকে ২৩ শতাংশের মধ্যে স্থবির রয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এ বিষয়ে সচেতন থাকলেও কার্যকর ও দৃশ্যমান উদ্যোগ এখনো সীমিত। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বিনিয়োগ স্থবিরতা আরও বাড়বে। বিনিয়োগ না বাড়লে উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

    এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা সরকারের কাছে সুদহার কমানো, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা, খেলাপি ঋণ হ্রাস এবং জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার ওপরও তারা জোর দিয়েছেন।

    ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, সামগ্রিকভাবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ আগে কখনো এতটা মন্থর হয়নি। তাদের মতে, ঋণের চাহিদা কমার অন্যতম কারণ হলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং যেসব প্রতিষ্ঠান চালু আছে, সেগুলোর পূর্ণ সক্ষমতায় না চলা।

    তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত দিকনির্দেশনা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান সম্পর্কে তারা স্পষ্ট ধারণা পাচ্ছেন না। গভর্নর সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দিলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে এটি কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

    এ বিষয়ে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করছে। তিনি বলেন, অনেকেই বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিলেও বাস্তবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না, ফলে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা কমে গেছে। তবে প্রয়োজন হলে ব্যাংকগুলো ঋণ দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

    এদিকে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো আয়ের বিকল্প উৎস হিসেবে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের দিকে ঝুঁকছে। অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগের কারণে ব্যাংকগুলো নিরাপদ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারও ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে বেশি ঋণ নিচ্ছে, ফলে ব্যাংকগুলোর আয়ের বড় অংশ এখন এই খাত থেকেই আসছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের মার্চে সরকার ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ৩৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়। এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬ হাজার কোটি টাকায়। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পূর্বে ইস্যু করা বিল পরিশোধে ব্যবহৃত হয়। ফলে এপ্রিলে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়ায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

     স্বাস্থ্যখাতে মাথাপিছু ১০০ ডলারের প্রস্তাব এনডিএফের

    মে 22, 2026
    অর্থনীতি

    এনবিআর বিভাজন অধ্যাদেশ নিয়ে কমিটির বৈঠক ২৩ মে

    মে 22, 2026
    অর্থনীতি

    অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাজেটের পাঁচ দুশ্চিন্তা

    মে 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    অর্থনীতি জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.