Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নগদ সহায়তার ওপর ১০ শতাংশ কর আরোপ করা যৌক্তিক নয়
    অর্থনীতি

    নগদ সহায়তার ওপর ১০ শতাংশ কর আরোপ করা যৌক্তিক নয়

    নিউজ ডেস্কমে 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আগামী বাজেটে একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য নীতি প্রত্যাশা করি, যেখানে করনীতি ও ব্যবসাবান্ধব সিদ্ধান্তগুলো ঘন ঘন পরিবর্তনের পরিবর্তে ধারাবাহিকভাবে কার্যকর থাকবে। কারণ নীতির ধারাবাহিকতা উদ্যোক্তাদের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, পরিকল্পনা ও শিল্প বিকাশে আস্থা তৈরি করবে। একই সঙ্গে দ্বৈত কর ব্যবস্থার মতো জটিলতাগুলো দূর করে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।

    কথাগুলো বলেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশা প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রশ্ন: আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তৈরি পোশাক খাতের পক্ষ থেকে আপনাদের প্রধান প্রত্যাশাগুলো কী?

    মাহমুদ হাসান খান: প্রথম কথা হচ্ছে, আমাদের যে নগদ সহায়তা বা ইনসেনটিভ দেওয়া হয়, সেখানে ১০ শতাংশ টাকা কেটে রাখা হয়। কিন্তু ইনসেনটিভ তো আসলে কোনো ধরনের আয় বা মুনাফা নয়, এটি শিল্পকে সহায়তা দেওয়ার একটি উপায়। তাই এখান থেকে ট্যাক্স কাটা উচিত নয়। আমরা চাই এই কর্তন বন্ধ করা হোক।

    দ্বিতীয়ত, আমরা বর্তমানে দ্বৈত কর ব্যবস্থার সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। একজন রপ্তানিকারক হিসেবে আমি যখন নিজের নামে পণ্য রপ্তানি করি, তখন অগ্রিম আয়কর দিচ্ছি। কিন্তু কোনো কারণে যদি নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন সম্ভব না হয় এবং সাব-কন্ট্রাক্টে উৎপাদন করাতে হয়, তখন আবার ওই একই পণ্যের বিপরীতে ভ্যাট ও কর দিতে হচ্ছে। অর্থাৎ একই পণ্যের ওপর দুইবার করের বোঝা তৈরি হচ্ছে। আমরা মনে করি, এটি যৌক্তিক নয় এবং এই দ্বৈত কর ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

    একই আয়ের ওপর দুইবার কর আরোপ হওয়ায় আমাদের আর্থিক কার্যক্রম জটিল হয়ে পড়েছে এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ব্যবসার স্বাভাবিক প্রবাহ ও আর্থিক পরিকল্পনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    প্রশ্ন: নগদ সহায়তা বা ক্যাশ ইনসেনটিভের হার নিয়ে আপনাদের কোনো নির্দিষ্ট দাবি আছে কি?

    মাহমুদ হাসান খান: বর্তমানে আমরা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ সহায়তা পাচ্ছি। তবে এটি সবার জন্য সমান নয়। যারা রুলস অব অরিজিন পূরণ করছে বা নতুন বাজারে যাচ্ছে, আবার এসএমই পর্যায়ে কাজ করছে, তারা কিছু বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। তবে সরকার ইতোমধ্যে একটি ইঙ্গিত দিয়েছে যে রাজস্বে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে—এমন কোনো প্রণোদনা বাড়ানো হবে না। তাই আমরা বাস্তবতার মধ্যেই আলোচনা করছি। আশা করছি সরকার বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিবে।

    প্রশ্ন: করপোরেট ট্যাক্স ও বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আপনাদের কী ধরনের প্রত্যাশা রয়েছে?

    মাহমুদ হাসান খান: অর্থনীতির গতি ফেরাতে সামগ্রিকভাবে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে টেকনোলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ডকে আরও কার্যকর করতে হবে, যাতে উদ্যোক্তারা স্থানীয় অর্থায়নের মাধ্যমে নতুন শিল্প স্থাপন কিংবা বিদ্যমান শিল্প সম্প্রসারণ করতে পারেন। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ছাড়া এখন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন।

    প্রশ্ন: ব্যাংক ঋণের সুদহার ও তহবিলের প্রাপ্যতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ রয়েছে। এ বিষয়ে আপনার মত কী?

    মাহমুদ হাসান খান: এটি সরাসরি বাজেটের বিষয় নয়, বরং আর্থিক নীতির বিষয়। তবে খেলাপি ঋণ কমানো গেলে সুদের হারও কমে আসবে। আগের মতো কৃত্রিমভাবে সুদের হার নির্ধারণের পক্ষে আমরা নই। বরং বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে রিফাইন্যান্স স্কিম বাড়ানো উচিত, যাতে শিল্পখাত সহজে তহবিল পায়। কারণ ছোটখাটো উচ্চ সুদের ঋণ নিয়ে বড় শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

    প্রশ্ন: এবারের বাজেটে আপনারা সবচেয়ে বেশি কোন বিষয়টি দেখতে চান?

    মাহমুদ হাসান খান: আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি পলিসি কনসিস্টেন্সিকে, অর্থাৎ নীতির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতাকে। একটি ব্যবসা বা শিল্পখাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি প্রতিবছর নীতি, কর কাঠামো, আমদানি-রপ্তানি বিধান বা অন্যান্য নিয়মে ঘন ঘন পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে উদ্যোক্তারা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যান। এতে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হয় এবং বিদ্যমান ব্যবসাগুলোর কার্যক্রমও ব্যাহত হয়।

    সরকার যে নীতিগুলো প্রণয়ন করবে, সেগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য থাকা প্রয়োজন। নীতির ধারাবাহিকতা থাকলে উদ্যোক্তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, উৎপাদন সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পরিকল্পনা করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে যে দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব। সূত্র: জাগো নিউজ

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাজেটে থাকছে না সম্পদ কর, মিলছে না কালো টাকা সাদার সুবিধা

    জুন 6, 2026
    অর্থনীতি

    করমুক্ত হলো ফ্রিল্যান্সিং আয়, ফেরত দেওয়া হবে আগের কর্তন

    জুন 5, 2026
    অর্থনীতি

    আসন্ন বাজেটে সোলার, ইভি ও ইলেকট্রনিক্সে কর ছাড়ের ইঙ্গিত

    জুন 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.