ক্ষমতায় এলে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় সরাসরি উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থা বাতিল করতে যাচ্ছে নতুন বিএনপি সরকার। এর পরিবর্তে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় সংসদ সদস্যরা তাঁদের এলাকার প্রয়োজনীয় প্রকল্পের প্রস্তাব দিতে পারবেন, তবে বরাদ্দকৃত অর্থ বা প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর তাঁদের সরাসরি কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও আগ্রহের ভিত্তিতে এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। সেলটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি অনুপস্থিত থাকলে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যরা তাঁদের নির্বাচনী অঙ্গীকার কিংবা এলাকার প্রয়োজন বিবেচনায় লিখিতভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব জমা দেবেন। তবে কোনো প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদন পাবে না। সরকারের সামগ্রিক উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং নীতিগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকলে তবেই সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বিবেচনার সুযোগ পাবে।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ থোক বরাদ্দ দেওয়া হতো। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ওই অর্থ ব্যয় করা হলেও প্রকল্প নির্বাচন অনেক ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের পছন্দ ও সুপারিশের ভিত্তিতে হতো। এই ব্যবস্থাকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রত্যেক সংসদ সদস্যের জন্য বার্ষিক ৫ কোটি টাকা করে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।
নীতিনির্ধারণী এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে সংসদ সদস্য ও তাঁদের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মীদের মাধ্যমে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ কমে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত সুফল অর্জন কঠিন হবে।
মাসভিত্তিক অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা বাধ্যতামূলক:
নতুন ব্যবস্থার আওতায় উন্নয়ন প্রকল্প বাছাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়াকে আরও কাঠামোবদ্ধ করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া প্রকল্প প্রস্তাবগুলো বিশেষ সেল নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই ও মূল্যায়ন করবে।
বাছাইকৃত প্রস্তাবগুলো পরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয় তার অধীনস্থ সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে। বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের হালনাগাদ তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই সেলকে জানাতে হবে।
কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কোনো ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হলে সেটিও সেলকে অবহিত করতে হবে। পরে সেই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে সেল। এ ছাড়া বিশেষ সেল থেকে কোনো প্রকল্প প্রস্তাব পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সাত দিনের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাতে হবে। কোনো প্রস্তাব বাস্তবায়নের উপযোগী না হলে তার যৌক্তিক ব্যাখ্যাসহ দ্রুততম সময়ে সেলকে অবহিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এর আগে সরকার গঠনের পরপরই সংসদ সদস্যদের জন্য বিদ্যমান শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপির সংসদীয় কমিটি। আগামী বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুবিধা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ বাজেটে “অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প” কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি সংসদ সদস্যকে নিজ নির্বাচনী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বছরে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
সিটি করপোরেশন এলাকার ২০ জন সংসদ সদস্য ছাড়া বাকি ২৮০ জন সংসদ সদস্য পাঁচ বছরে মোট ২৫ কোটি টাকা করে বরাদ্দ পেয়েছেন। এর আগে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর প্রত্যেক সংসদ সদস্য নিজ নিজ এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছরে ১৫ কোটি টাকা করে পেয়েছিলেন। পরে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এই বরাদ্দ বাড়িয়ে ২০ কোটি টাকা করা হয়। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরও একই পরিমাণ বরাদ্দ বহাল ছিল।
এই অর্থ ব্যবহার করে সংসদ সদস্যরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী রাস্তা, সেতু, কালভার্ট, হাটবাজার ও খেয়াঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ পেতেন। কোন এলাকায় কোন অবকাঠামো নির্মাণ হবে, সে সিদ্ধান্ত গ্রহণেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সংসদ সদস্যদের জমা দেওয়া তালিকার ভিত্তিতেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের কাজ সম্পন্ন করত।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ভিত্তিক বিশেষ সমন্বয় সেল:
সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং জনগণের প্রত্যাশিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে। “সংসদ সদস্যদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সেল” নামে এই ইউনিটের কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সেলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া উন্নয়নসংক্রান্ত চাহিদা ও প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করে উপযুক্ত প্রস্তাবগুলো এই সেলের কাছে পাঠাতে।
গত ২৩ মে অনুষ্ঠিত একটি সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং জনগণের প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে এই সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা এবং মাঠপর্যায়ে উদ্ভূত সমস্যার দ্রুত সমাধান করাই এই সেলের প্রধান লক্ষ্য। তার মতে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সেলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংসদ সদস্যদের জন্য সরাসরি উন্নয়ন তহবিল বরাদ্দের পরিবর্তে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সুশাসন ও দুর্নীতিবিরোধী বিশ্লেষকরা। তবে তারা মনে করেন, কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের মতে, পরিকল্পনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে এটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের নামে সংসদ সদস্যদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ দেওয়ার যে ব্যবস্থা চালু ছিল, তা অনেক ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি ও তাদের ঘনিষ্ঠ স্থানীয় সহযোগীদের জন্য দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের সুযোগ তৈরি করেছে।
ড. ইফতেখারুজ্জামানের মতে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে গঠিত সেলের মাধ্যমে প্রকল্প প্রস্তাব যাচাই-বাছাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমেই প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বাস্তবায়ন পর্যায়ে সংসদ সদস্যদের সরাসরি সম্পৃক্ততা এড়ানো প্রয়োজন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কেনাকাটার ক্ষেত্রেও সরকারি ক্রয় আইন ও বিদ্যমান বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় প্রভাব বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে নতুন ব্যবস্থাও পুরোনো সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে। বিশেষ করে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির ঝুঁকি থেকে যাবে।
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থেকে নেওয়া এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের সময় ঝুঁকিগুলোর প্রতিও সমান গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে এটি কেবল ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়ে না থেকে প্রকৃত অর্থেই সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর উদ্যোগে পরিণত হয়।
প্রকল্প বাছাইয়ে থাকবে নির্দিষ্ট মানদণ্ড:
প্রকল্প মূল্যায়নের জন্য প্রস্তুত করা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুযায়ী, কোনো প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে তা সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটি প্রধান বিবেচ্য হবে।
এ ছাড়া প্রস্তাবিত প্রকল্পটি পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী কিংবা দুর্গম অঞ্চলের দারিদ্র্য হ্রাসে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, তা মূল্যায়ন করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হবে।
স্থানীয় কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সম্ভাব্য অবদান, নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উপকারভোগী হওয়ার সুযোগ, পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রকল্পটির সম্ভাব্য প্রভাবও বিশ্লেষণ করা হবে। একই ধরনের কোনো প্রকল্প যদি আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় চলমান থাকে, তাহলে সেই এলাকায় নতুন করে একই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত উন্নয়ন চাহিদা ও প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে সংরক্ষণ করা হবে। এরপর প্রাথমিক যাচাই-বাছাই, প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ, সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ এবং জনস্বার্থের গুরুত্ব বিবেচনা করে অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরবর্তীতে নির্বাচিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হবে। শুধু সুপারিশ করাই নয়, প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও সেলের অন্যতম দায়িত্ব।
এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের চাহিদার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর ইতিবাচক প্রভাব, জনকল্যাণমূলক অর্জন এবং বাস্তব সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে পৃথক ‘সাফল্যের গল্প’ প্রস্তুত করবে সেল। এসব নথিতে প্রকল্পগুলোর বাস্তব ফলাফল ও জনগণের উপকারের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।

