Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুলাই 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিনিয়োগ স্থবিরতা বাড়াচ্ছে বেকারত্বের ঝুঁকি
    অর্থনীতি

    বিনিয়োগ স্থবিরতা বাড়াচ্ছে বেকারত্বের ঝুঁকি

    নিউজ ডেস্কজুন 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উচ্চ সুদহারের নীতি এখন স্পষ্টভাবে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে দেশের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে। একদিকে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কমে যাওয়ায় নতুন বিনিয়োগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে ভালো অবস্থানে থাকা ব্যাংকগুলোতে দ্রুত আমানত বাড়লেও সেই অর্থ বিনিয়োগে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

    এর ফলে ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য বা অলস টাকার পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে এই অলস তহবিল বেড়েছে ৫৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত বছরের মার্চে এর পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ সুদহারের কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন ঋণ নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের সুদহার ১৪ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এতে শিল্প সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্থানে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ শেষে আমানত প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ, কিন্তু ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ৭৩ শতাংশে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধিও ছিল ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম নিম্ন পর্যায়।

    ব্যাংকারদের মতে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দুর্বল ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা প্রকাশ্যে আসায় গ্রাহকেরা নিরাপদ ব্যাংকগুলোতে অর্থ স্থানান্তর করছেন। এতে কিছু ব্যাংকে আমানতের চাপ বাড়লেও ভালো মানের ঋণগ্রহীতার অভাব এবং উচ্চ সুদের কারণে সেই অর্থ যথাযথভাবে বিতরণ করা যাচ্ছে না।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, তারল্য যেভাবে বাড়ছে, সেভাবে ঋণ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। ভালো গ্রাহক নির্বাচন ও ঋণ বিতরণে সময় লাগে। ফলে অতিরিক্ত অর্থ ট্রেজারি বিল ও বন্ডসহ নিরাপদ খাতে রাখতে হচ্ছে।

    তবে পুরো ব্যাংক খাতের চিত্র এক নয়। ন্যাশনাল ব্যাংক, এবি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংক এখনো তারল্য ঘাটতিতে রয়েছে।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উচ্চ সুদহার প্রয়োজন হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বর্তমানে ঋণ প্রবৃদ্ধির নিম্নগতি নতুন শিল্প স্থাপন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বাধা তৈরি করছে। ফলে শ্রমবাজারে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কমে যাওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। তাদের মতে, ব্যাংকে জমে থাকা বিপুল অলস অর্থ অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক নয়। এই অর্থ যদি উৎপাদন, শিল্প ও কর্মসংস্থানমুখী খাতে প্রবাহিত না হয়, তাহলে প্রবৃদ্ধির গতি আরও মন্থর হয়ে যেতে পারে।

    এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত তারল্য উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ৪০ হাজার কোটি টাকা আসবে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে এবং ২০ হাজার কোটি টাকা থাকবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে।

    এ প্যাকেজের আওতায় বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে ৫ হাজার কোটি টাকা, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও উত্তরাঞ্চলের কৃষি হাব গঠনে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আশা, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ ৫০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই বিশেষ তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন, যা বর্তমানে বাজার সুদের প্রায় অর্ধেক।

    গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে অর্থনীতিতে বেকারত্বের চাপ আরও বাড়বে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    চিপ থেকে সমৃদ্ধি: প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?

    জুলাই 27, 2026
    অর্থনীতি

    সার্কভুক্ত দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি কেন হারাচ্ছে গতি?

    জুলাই 27, 2026
    অর্থনীতি

    শিল্প খাতের সংকট কাটছেই না

    জুলাই 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.