Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, জুন 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » উৎসে কর সংস্কার কি কমাতে পারবে করদাতার ভোগান্তি?
    অর্থনীতি

    উৎসে কর সংস্কার কি কমাতে পারবে করদাতার ভোগান্তি?

    নিউজ ডেস্কজুন 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    একটি দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়ে ওঠে তখনই, যখন করনীতি কেবল রাজস্ব আহরণের মাধ্যম হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে কর কাঠামোর ভূমিকা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    করের হার, কর আদায়ের পদ্ধতি, উৎসে করের কাঠামো এবং ব্যবসায়িক ব্যয়ের স্বীকৃতি—এসব বিষয় সরাসরি দেশের ব্যবসা পরিবেশকে প্রভাবিত করে। এ প্রেক্ষাপটে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে শিল্প, ব্যবসা, প্রযুক্তি, রফতানি, পরিবহন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বিদেশি অর্থায়ন এবং উৎসে কর-সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা কমানোর উদ্যোগকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম করের সাধারণ হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশে নামানোর উদ্যোগ উৎপাদন ব্যয় হ্রাসে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে দেশীয় শিল্প উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একইভাবে স্থানীয় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম আয়কর কমানোর প্রস্তাব প্রযুক্তি খাতকে আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়তে পারে।

    এছাড়া কম্পিউটার, প্রিন্টার, পোর্টেবল স্বয়ংক্রিয় তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র, ফ্ল্যাশ মেমোরি এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানিতে অগ্রিম কর হ্রাসের প্রস্তাব ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি আর বিলাসিতা নয়; বরং শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং, অনলাইন বাণিজ্য, মুক্ত পেশাজীবী কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক সেবার একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং পরিবেশবান্ধব খাতেও কর হ্রাসের মাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীর কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একইভাবে রিফাইনারি কর্তৃক জ্বালানি তেল সরবরাহে উৎসে কর ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশে নামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে বৈদ্যুতিক বাস, বৈদ্যুতিক ট্রাক এবং বৈদ্যুতিক চার্জিং স্টেশন আমদানিতে ৫ শতাংশ উৎসে কর শূন্য শতাংশে নামানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রিসাইকেলকৃত পণ্য ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামালে কর ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব টেকসই শিল্পায়ন এবং সবুজ অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা খাতে উৎসে কর ১২ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব এবং টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার রাজস্ব অংশ, লাইসেন্স ফি বা চার্জের ওপর বিদ্যমান ২০ শতাংশ উৎসে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব ডিজিটাল যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    একইসঙ্গে রফতানি আয়ের বিপরীতে নগদ প্রণোদনায় উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব, প্যাকেজিং সামগ্রী সরবরাহে উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব এবং পরিবহন, বহন ও যানবাহন ভাড়া সেবায় কর ৫ শতাংশ থেকে ২ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব উৎপাদন, রফতানি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে।

    বিদেশি বিনিয়োগ ও শিল্প অর্থায়নের ক্ষেত্রেও বাজেট প্রস্তাবে ইতিবাচক দিক রয়েছে। অনিবাসী করদাতাকে যন্ত্রপাতি ভাড়া বাবদ পরিশোধে উৎসে কর ১৫ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব, অনিবাসীকে পরিশোধিত বীমা প্রিমিয়ামে কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে কমানোর প্রস্তাব এবং বিদেশি ঋণের সুদের ওপর উৎসে কর ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে কমানোর উদ্যোগ বিনিয়োগ ব্যয় হ্রাসে সহায়ক হবে।

    আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি, বিদেশি অর্থায়ন এবং পুনঃবীমা অনেক শিল্প প্রকল্পের জন্য অপরিহার্য। এসব ক্ষেত্রে কর হার কমলে প্রকল্প ব্যয় কমে, বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত সহজ হয় এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির গতি বাড়ে। এবারের বাজেট প্রস্তাবের অন্যতম ব্যবসাবান্ধব ও বাস্তবমুখী সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে উৎসে কর কর্তন, সংগ্রহ বা পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে সমুদয় ব্যয় অগ্রহণযোগ্য ঘোষণার বিদ্যমান কঠোর বিধান পরিবর্তনের প্রস্তাবকে। পূর্বের ব্যবস্থায় ব্যবসা বা পেশা পরিচালনার প্রকৃত ও বাস্তব ব্যয়ও কেবল উৎসে কর কর্তন না হওয়ার কারণে অগ্রাহ্য হয়ে যেত।

    এর ফলে ওই ব্যয়কে ব্যবসার আয় হিসেবে গণ্য করে করদাতার ওপর অতিরিক্ত করের চাপ সৃষ্টি হতো। বাস্তবে অনেক ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তার পক্ষে প্রতিটি লেনদেনে উৎসে কর কর্তনের সব নিয়ম পুরোপুরি অনুসরণ করা সব সময় সম্ভব হয় না। দেশের কর সংস্কৃতি, হিসাবরক্ষণ দক্ষতা, সচেতনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার ঘাটতির কারণে অনেক সময় অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ব্যত্যয় ঘটে। কিন্তু শুধুমাত্র সেই কারণে প্রকৃত ব্যবসায়িক ব্যয় সম্পূর্ণভাবে অগ্রাহ্য করা ন্যায়সংগত নয় বলে মনে করা হচ্ছে।

    একটি বাস্তব উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। ধরা যাক, কোনো ব্যবসা বা পেশা পরিচালনায় বেতন-ভাতা, সেবা, ভাড়া বা অন্যান্য খাতে মোট ১ কোটি টাকা প্রকৃত ব্যয় হয়েছে। প্রচলিত আইনি কাঠামোয় উৎসে কর কর্তনে ব্যর্থতার কারণে যদি এই পুরো ১ কোটি টাকার ব্যয় অগ্রাহ্য করা হতো, তবে তা সরাসরি ব্যবসার আয় হিসেবে গণ্য করা হতো।

    এর ফলে প্রযোজ্য করহার অনুযায়ী প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা, এবং ক্ষেত্রবিশেষে সুদ ও অতিরিক্ত দায়সহ আরও বেশি করের বোঝা তৈরি হতো। অথচ বাস্তবে ব্যবসায়ী ওই অর্থ আয় করেননি; বরং ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্যয় করেছেন। এই ধরনের বিধানকে অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অতিমাত্রায় কঠোর হিসেবে দেখা হতো।

    প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এই কঠোরতা কমিয়ে একটি তুলনামূলক যুক্তিসংগত ব্যবস্থা আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, উৎসে কর কর্তন বা পরিশোধে ব্যর্থ হলে পুরো ব্যয় অগ্রাহ্য করে তাকে আয় হিসেবে গণ্য করার পরিবর্তে যে পরিমাণ কর কর্তন বা পরিশোধ করা হয়নি, সেই করের পরিমাণ এবং তার অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ পরিশোধের বিধান রাখা হয়েছে।

    উদাহরণ হিসেবে, ১ কোটি টাকার কোনো ব্যয়ের ক্ষেত্রে যদি উৎসে করের হার ৫ শতাংশ হয়, তবে করের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ লাখ টাকা। প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী এর সঙ্গে অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ যোগ হলে আরও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা যুক্ত হবে। ফলে মোট করদায় দাঁড়াবে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

    আগের ব্যবস্থায় যেখানে একই ১ কোটি টাকার ব্যয়ের কারণে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করের চাপ তৈরি হতে পারত, সেখানে নতুন প্রস্তাবে তুলনামূলকভাবে কম অর্থাৎ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা কর পরিশোধের মাধ্যমে করদাতাকে দায় নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এটিকে করদাতাবান্ধব ও অধিক যৌক্তিক একটি পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তবে এটি কর ফাঁকিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নয়। বরং এখানে কর প্রশাসনের ন্যায়সংগত ও বাস্তবমুখী সংস্কারের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। উৎসে কর কর্তন না করলেও করদাতা দায়মুক্ত হচ্ছেন না; বরং সংশ্লিষ্ট কর এবং অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ পরিশোধের মাধ্যমে তার দায় নিষ্পত্তি করতে হবে। এতে আইন তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে, কিন্তু ব্যবসার স্বাভাবিক কার্যক্রমকে অপ্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক চাপের মধ্যে ফেলছে না। এ পরিবর্তনকে কর আইনের প্রয়োগে আনুপাতিকতা, ন্যায়বোধ এবং ব্যবসাবান্ধবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এ বাজেট প্রস্তাবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উৎসে কর্তিত করকে ন্যূনতম করের পরিবর্তে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনার উদ্যোগ। ন্যূনতম কর ব্যবস্থায় কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে কর্তিত কর যদি প্রকৃত করদায়ের চেয়ে বেশি হয়, তবুও সেই অতিরিক্ত অংশ সমন্বয়ের সুযোগ থাকে না। আবার কম হলে করদাতাকে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হয়।

    অর্থাৎ ন্যূনতম কর ব্যবস্থায় করদাতার করদায় কমার সুযোগ সীমিত থাকে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত করের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। এই কারণে উৎসে করকে ন্যূনতম করের পরিবর্তে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব কর ব্যবস্থাকে আরও ন্যায়সংগত, যুক্তিসংগত এবং ব্যবসাবান্ধব করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    সার্বিকভাবে দেখা যায়, এবারের বাজেট প্রস্তাব ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতের জন্য আস্থার একটি বার্তা বহন করছে। শিল্পের কাঁচামাল, প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, রিসাইক্লিং, মোবাইল নেটওয়ার্ক, রফতানি প্রণোদনা, প্যাকেজিং, পরিবহন, বিদেশি অর্থায়ন এবং ব্যবসায়িক ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনগত জটিলতা কমানোর যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলো উৎপাদন ও বিনিয়োগের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

    আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের তুলনামূলকভাবে উচ্চ উৎসে করনির্ভর এবং কঠোর ব্যয় অগ্রাহ্য কাঠামোর বিপরীতে বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের এ প্রস্তাব ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব করনীতির একটি নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    রাজনীতি, অর্থনীতি ও করনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ, উৎপাদনের বিকাশ এবং দেশের অগ্রগতি। সেই বিবেচনায় এবারের বাজেট প্রস্তাবকে শুধু কর হ্রাসের হিসাব হিসেবে দেখা যায় না। এটি ব্যবসায় আস্থা, শিল্পে গতি, বিনিয়োগে সাহস এবং অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চারের একটি বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

    শিল্পের কাঁচামাল ও উৎপাদন সহায়ক খাতে কর কমানো বিনিয়োগের উৎসাহ বাড়াতে সহায়ক হবে। একইভাবে উৎসে কর কর্তনে ত্রুটির কারণে প্রকৃত ও বাস্তব ব্যবসায়িক ব্যয়কে আয় হিসেবে গণ্য করার কঠোর বিধান পরিবর্তনের প্রস্তাব ব্যবসায়ী সমাজকে একটি বড় ধরনের আইনগত হয়রানি থেকে মুক্তির বার্তা দেয়।

    ন্যূনতম করের পরিবর্তে উৎসে করকে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব কর ব্যবস্থাকে আরও ন্যায়সংগত ও যুক্তিসংগত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে এসব উদ্যোগকে “সবার আগে জনগণ, সবার আগে বাংলাদেশ” নীতির প্রতিফলন হিসেবেও মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

    শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সরল, কিন্তু উত্তরটা জটিল—নীতি পরিবর্তন করা সহজ, কিন্তু মানসিকতা বদলানো কঠিন। এবারের বাজেট প্রস্তাব সেই মানসিক পরিবর্তনেরই একটি ইঙ্গিত দেয়, যেখানে করনীতিকে কেবল রাজস্ব আদায়ের যন্ত্র হিসেবে না দেখে অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে পুনর্গঠনের চেষ্টা করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই চিন্তা কতটা বাস্তবে রূপ নেয় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের আস্থাকে কতটা স্থায়ী ভিত্তি দিতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাজেটজুড়ে বাস্তববাদ ও আশাবাদের দ্বন্দ্ব: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    জুন 18, 2026
    অর্থনীতি

    নকশাগত ত্রুটিতে থমকে গেল মন্ত্রীদের জন্য করা মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প

    জুন 18, 2026
    অর্থনীতি

    জ্বালানি সংকটে বিদ্যুতায়নের দিকে ঝুঁকছে বড় কোম্পানিগুলো

    জুন 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.