Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » চীন-ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি—তবু কেন আশাবাদী বাংলাদেশ?
    অর্থনীতি

    চীন-ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি—তবু কেন আশাবাদী বাংলাদেশ?

    নিউজ ডেস্কজুন 27, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে চীন ও ভারতের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি। বিশ্বের এই দুই বৃহৎ অর্থনীতির সঙ্গে দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক যত বিস্তৃত হচ্ছে, আমদানিনির্ভরতার কারণে ঘাটতির পরিমাণও তত বাড়ছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, উপযুক্ত নীতি গ্রহণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং রফতানি খাতকে বহুমুখী করতে পারলে এই ঘাটতিকেই অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় রূপ দেওয়া সম্ভব।

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য ঘাটতি চীনের সঙ্গে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। ফলে দুই দেশের সঙ্গে মিলিয়ে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্য ঘাটতি ২৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতির বড় অংশই এই দুই দেশের সঙ্গে লেনদেন থেকে তৈরি হচ্ছে।

    রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‍্যাপিড)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, শুধু শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেই চীনের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে না। এজন্য চীনা ভোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি দেশটির বাজারব্যবস্থার সঙ্গে কার্যকর সংযোগ তৈরি করাও জরুরি।

    তিনি বলেন, চীনের খুচরা বিক্রয় নেটওয়ার্ক, বিতরণব্যবস্থা এবং পণ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সংযোগ না হলে সেখানে বড় বাজার তৈরি করা কঠিন হবে। এ কারণে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও চীনা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।

    ড. রাজ্জাকের মতে, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পর চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দীর্ঘমেয়াদে শুল্ক সুবিধা বজায় রাখা, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়া এমন চুক্তি বাস্তবায়ন করলে দেশীয় শিল্প এবং সরকারের রাজস্ব আয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন।

    তিনি আরও বলেন, চীনের বাজারকে লক্ষ্য করে সম্ভাবনাময় রফতানি পণ্য নির্বাচন, সেগুলোর মান উন্নয়ন এবং দেশটির প্রধান শহরগুলোতে শক্তিশালী বাণিজ্যিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশের রফতানি সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা মিললেও রপ্তানিতে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ:

    বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ২০২০ সালে ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা চালু করে চীন। পরে ২০২৪ সালে এই সুবিধা প্রায় সব ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ করা হয়। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির বাজারে প্রবেশের এমন সুযোগ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখন পর্যন্ত এর পূর্ণ সুফল পাওয়া যায়নি।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ চীনে ৭৪২ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে চীন থেকে আমদানির পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। ফলে চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আমদানি উৎস হলেও রপ্তানি বাজার হিসেবে দেশটিকে এখনও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।

    বিশ্লেষকদের মতে, এর অন্যতম কারণ বাংলাদেশের রপ্তানি কাঠামো। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। কিন্তু চীন নিজেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাক উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশ। তাই প্রচলিত পোশাকপণ্য নিয়ে চীনের বাজারে বড় পরিসরে অবস্থান তৈরি করা বাংলাদেশের জন্য সহজ নয়।

    বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বার্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁর মতে, প্রায় শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনও সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি।

    তিনি বলেন, চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের পরিচিতি বাড়াতে দেশটির বিভিন্ন শহরে স্থায়ী প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন প্রয়োজন। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং দুই দেশের যৌথ বিনিয়োগ উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রপ্তানি আয় বাড়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

    চীনা পণ্যের ওপর বাংলাদেশের উচ্চ নির্ভরতার বিষয়ে খোরশেদ আলম বলেন, শুধু নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে এই নির্ভরতা কমানো সম্ভব নয়। কারণ বিকল্প উৎসের তুলনায় চীনা পণ্য গড়ে প্রায় ২৮ শতাংশ কম দামে পাওয়া যায়। এ কারণে মূল্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশের আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছে চীন এখনও সবচেয়ে আকর্ষণীয় সরবরাহকারী। তাঁর ভাষায়, চীনা অংশীদারত্ব ছাড়া কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন কঠিন।

    ভারতের সঙ্গেও বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি, তবু দেখছেন সম্ভাবনার পথ অর্থনীতিবিদরা:

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং ভৌগোলিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় পরিবহন ব্যয় তুলনামূলক কম এবং বাজারে প্রবেশের সুযোগও সহজ হওয়ার কথা। ২০১১ সালেই ভারত বাংলাদেশকে প্রায় সব ধরনের পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা দেয়। তবে সেই সুবিধার পরও প্রত্যাশিত হারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়েনি।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। বিপরীতে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র ১ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি এখনও উল্লেখযোগ্য। তবে চীনের তুলনায় ভারতের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বর্তমানে তৈরি পোশাক, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিকপণ্য, পাটপণ্য, সিরামিক, ওষুধ এবং হালকা প্রকৌশল পণ্যের ক্ষেত্রে ভারতের বাজারে বাংলাদেশের আরও বিস্তারের সুযোগ রয়েছে। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশের কিছু পণ্যের স্থলবন্দরভিত্তিক রপ্তানির ওপর ভারতের আরোপিত বিধিনিষেধ নতুন করে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে।

    বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতির অন্যতম প্রধান কারণ দেশের শিল্প কাঠামো। রপ্তানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, বিপুল পরিমাণ আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। সুতা, কাপড়, রাসায়নিক, যন্ত্রপাতি, শিল্প উপকরণ, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ এবং মূলধনি পণ্যের বড় অংশই চীন ও ভারত থেকে আমদানি করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য এখনও সীমিত। ফলে আমদানি দ্রুত বাড়লেও রপ্তানি সেই গতিতে এগোতে পারছে না।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, বাণিজ্য ঘাটতি সব সময় অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক নয়। যদি আমদানিকৃত পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং রপ্তানি সম্প্রসারণে ব্যবহৃত হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে তা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। বাংলাদেশ বর্তমানে চীন ও ভারত থেকে যে বিপুল পরিমাণ যন্ত্রপাতি, শিল্প কাঁচামাল এবং প্রযুক্তি আমদানি করছে, তার বড় অংশই উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই মূল চ্যালেঞ্জ হলো, এই আমদানিকে কীভাবে আরও বেশি রপ্তানি, শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগে রূপান্তর করা যায়।

    কী করলে মিলবে অর্থনৈতিক সুফল?

    অর্থনীতিবিদদের মতে, সঠিক নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে চীন ও ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগে রূপান্তর করা সম্ভব। এজন্য কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

    চীন ও ভারতের বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ:

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু রপ্তানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে চীন ও ভারত থেকে আরও বেশি প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে হবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য দ্বন্দ্ব এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বহু চীনা প্রতিষ্ঠান নতুন উৎপাদন কেন্দ্র খুঁজছে। বাংলাদেশ যদি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে পারে, তাহলে এই বিনিয়োগের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দেশে আনার সুযোগ তৈরি হবে।

    যৌথ উদ্যোগে শিল্প উৎপাদনে জোর:

    চীনের বাজারে টেকসই অবস্থান তৈরি করতে দেশটির প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, চীনা অংশীদাররা শুধু বিনিয়োগই নয়, প্রযুক্তি, বাজার সম্পর্কে অভিজ্ঞতা, ব্র্যান্ডিং এবং শক্তিশালী বিতরণব্যবস্থাও নিয়ে আসে। ফলে এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের পণ্যের জন্য চীনের বৃহৎ বাজারে প্রবেশ সহজ করতে পারে।

    রপ্তানিতে নতুন খাতের বিকাশ প্রয়োজন:

    চীন ও ভারতের বাজারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে তৈরি পোশাকের বাইরে নতুন পণ্যের রপ্তানিতে জোর দিতে হবে। সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, প্লাস্টিকপণ্য, হালকা প্রকৌশল পণ্য, সিরামিক, পাট ও পাটজাত পণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যার সেবা, প্রযুক্তিনির্ভর বস্ত্র এবং ইলেকট্রনিকস ও যন্ত্রাংশ।

    ভারতের আঞ্চলিক বাজারে নজর:

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় বাজার হতে পারে। ভৌগোলিক অবস্থান, কম পরিবহন ব্যয় এবং সাংস্কৃতিক সাদৃশ্যের কারণে এসব অঞ্চলে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য, খাদ্যপণ্য, পোশাক এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তুতি:

    স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধার একটি অংশ হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে। তাই চীন, ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়া এমন চুক্তি বাস্তবায়ন করলে দেশীয় শিল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

    ব্যবসা পরিবেশ ও লজিস্টিকস উন্নয়ন:

    বিদেশি বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাড়াতে হলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, দ্রুত কাস্টমস সেবা, স্থিতিশীল করনীতি, সহজ মুনাফা প্রত্যাবাসন ব্যবস্থা, ডিজিটাল অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কার্যকর একক সেবা কেন্দ্র নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বাণিজ্য ঘাটতি নয়, লক্ষ্য হওয়া উচিত অর্থনৈতিক লাভ:

    অর্থনীতিবিদদের মতে, চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি পুরোপুরি দূর করা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ দেশের শিল্প উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন শিল্প উপকরণের বড় অংশই এই দুই দেশ থেকে আমদানি করা হয়। ফলে ঘাটতি কমানোর চেয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থেকে সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

    বাংলাদেশ যদি চীন ও ভারত থেকে আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে, যৌথ উদ্যোগে শিল্প উৎপাদন সম্প্রসারণ করে, নতুন নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তোলে এবং আঞ্চলিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হতে পারে, তাহলে বর্তমানের বড় বাণিজ্য ঘাটতিই ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

    চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে শুধু ঘাটতির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ রেখে মূল্যায়ন করলে এর প্রকৃত সম্ভাবনা ধরা পড়বে না। বরং এই সম্পর্ককে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো প্রয়োজন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    কাঁঠালের চিপস-আচার যাচ্ছে ৩০ দেশে, বাড়ছে রপ্তানির সম্ভাবনা

    জুন 27, 2026
    বাণিজ্য

    কাঁঠালের খোসায় পরিবেশবান্ধব ‘চামড়া’, বিলিয়ন ডলারের নতুন সম্ভাবনা

    জুন 27, 2026
    অর্থনীতি

    ক্ষুদ্র ব্যবসায় কর—রাজস্বে মিলবে কতটা সুফল?

    জুন 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.