Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, আগস্ট 8, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাণিজ্যের আড়ালে এক দশকে বাংলাদেশ থেকে পাচার ৬৮ বিলিয়ন ডলার
    অর্থনীতি

    বাণিজ্যের আড়ালে এক দশকে বাংলাদেশ থেকে পাচার ৬৮ বিলিয়ন ডলার

    হাসিব উজ জামানআগস্ট 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার এখন অবৈধভাবে অর্থ দেশের বাইরে চলে যাওয়ার অন্যতম বড় পথ হয়ে উঠেছে।

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের অর্থপাচার দেশের অর্থনীতির ওপর বহুমুখী চাপ তৈরি করছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত দুর্বল হচ্ছে, সরকারের রাজস্ব কমছে, বৈধ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের স্বাভাবিক পরিবেশ বিকৃত হচ্ছে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

     ঢাকায় বাংলাদেশ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের ঢাকা শাখা আয়োজিত পেশাগত উন্নয়ন কর্মসূচিতে এসব কথা উঠে আসে। অনুষ্ঠানের বিষয় ছিল বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচারের প্রভাব এবং দেশের অর্থনীতিতে হিসাববিদদের ভূমিকা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান ইকতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন বলেন, বৈধ বাণিজ্যকে স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি আর্থিক অপরাধ ঠেকানোর মধ্যে একটি ভালো ভারসাম্য তৈরি করা জরুরি। তার মতে, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে অর্থপাচার বন্ধ করতে হবে, তবে তা করতে গিয়ে যেন বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, শুধু আইনি বিধান থাকলেই অর্থপাচার বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে নৈতিক দায়িত্ববোধও প্রয়োজন। আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় নৈতিক দায়বদ্ধতাকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। পেশাদার হিসাববিদদের সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করে তা আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটকে জানানোর আহ্বানও জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রোকন উজ জামান। তিনি বলেন, পুঁজি পাচারের সবচেয়ে বড় মাধ্যমগুলোর একটি হয়ে উঠেছে বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার। কারণ অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তুলনায় বাণিজ্যিক লেনদেনের অঙ্ক ও তথ্য তুলনামূলক সহজে কারসাজি করা যায়।

    তিনি চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির নামে সংঘটিত একটি বড় ধরনের জালিয়াতির উদাহরণ তুলে ধরেন। ওই ঘটনায় সেন্ট লুসিয়া ও গাম্বাসহ কয়েকটি দেশের কথিত ব্যাংক ব্যবহারের মাধ্যমে ১৩.০৯ বিলিয়ন টাকার রপ্তানি আয় বকেয়া রাখা হয়েছিল। ঘোষিত রপ্তানি মূল্যের তুলনায় পণ্যের প্রকৃত বাজারমূল্য ছিল চার গুণ কম। এই মূল্য কারসাজির মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিরা সরকারের কাছ থেকে ১১.৭১ বিলিয়ন টাকার নগদ প্রণোদনা প্রতারণামূলকভাবে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল।

    বাংলাদেশ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের সভাপতি মো. কাওসার আলম দেশের আর্থিক খাতকে সংকটময় সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। তার মতে, ব্যাপক আর্থিক অপরাধের কারণে খাতটির ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানে প্রধান আর্থিক কর্মকর্তাদের আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি, যাতে তারা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কর্মকাণ্ডে কার্যকর পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে পারেন।

    বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক শাহ মো. আহসান হাবিব বাণিজ্যভিত্তিক জালিয়াতি অব্যাহত থাকার জন্য ব্যাংকগুলোর দায়িত্বের কথাও তুলে ধরেন। তার দাবি, বাংলাদেশে বাণিজ্যসংক্রান্ত জালিয়াতির ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই পরপর ঋণপত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। এর অনেকগুলোর পেছনে এমন চুক্তি থাকে, যেগুলোর আইনগত কার্যকারিতা নেই।

    তিনি বলেন, আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকের মধ্যে অস্বাভাবিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখা গেলে সেটিকে অর্থপাচারের সম্ভাব্য সতর্কসংকেত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এ ধরনের সম্পর্কের আড়ালে বাণিজ্যিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তৌহিদুল আলম খান ব্যাংকারদের সন্দেহজনক ঋণপত্র খোলার অনুরোধের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বিশেষ করে দিনের শেষ দিকে কোনো গ্রাহক যথাযথ ঋণ যাচাই ছাড়াই ঋণপত্র অনুমোদনের চাপ দিলে এবং শতভাগ নগদ জামানত দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও বিষয়টি গভীরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

    অর্থপাচারকারীরা নতুন প্রযুক্তি ও ব্যবস্থার সুযোগ নিতে নিজেদের কৌশল দ্রুত পরিবর্তন করে থাকে বলেও সতর্ক করেন তিনি। তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন এই ব্যাংকার।

    আলোচনা পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান সরকার। তিনি বলেন, দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ বাইরে চলে যাওয়ার পেছনে যে কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরি হয়েছে, তার দায় শুধু একটি পক্ষের নয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা, হিসাববিদ এবং নাগরিক সমাজ—সবারই এখানে দায়িত্ব রয়েছে।

    দুর্নীতির দীর্ঘদিনের চর্চার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মতো সাহস পেশাজীবীদের রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের ঢাকা শাখার চেয়ারম্যান এবং সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মান্নান ব্যাপারী। তিনি বলেন, আগের বিভিন্ন গবেষণায় বাংলাদেশে মোট অর্থপাচারের প্রায় ৭৫ শতাংশই বাণিজ্যভিত্তিক বলে ধারণা করা হয়েছিল।

    দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় পেশাদার হিসাববিদদের সর্বোচ্চ নৈতিক মান বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

    আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা একমত হন যে বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার ঠেকাতে কোনো একক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা, হিসাববিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

    তাদের মতে, আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়ানো, করপোরেট সুশাসন শক্তিশালী করা, নিয়মকানুন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বাড়ানো ছাড়া বাণিজ্যের আড়ালে সংঘটিত আর্থিক অপরাধ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা কঠিন। দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে তাই বাণিজ্যিক লেনদেনের প্রতিটি পর্যায়ে নজরদারি আরও জোরদার করা জরুরি।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের কাউন্সিল সদস্য, ব্যাংকার, শিক্ষক, আর্থিক খাতের পেশাজীবী, শিক্ষার্থী এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫.৫৮ শতাংশ

    আগস্ট 8, 2026
    অর্থনীতি

    কিউআর কোড ও ডিজিটাল ওয়ালেটের প্রসার কীভাবে বদলে দিচ্ছে ছোট ব্যবসার চিত্র?

    আগস্ট 8, 2026
    অর্থনীতি

    ডলারের দাম বাড়লে আপনার পকেটে কী প্রভাব পড়ে?

    আগস্ট 8, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.