বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পর এবার সরকারের জন্য বড় আর্থিক দায় ও ঝুঁকি তৈরি করছে দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার একমাত্র প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। একদিকে দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা ক্রমেই বাড়ছে, অন্যদিকে প্রত্যাশা অনুযায়ী সঞ্চালন আয় না হওয়ায় তৈরি হচ্ছে পরিচালন ঘাটতি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
পিজিসিবির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে প্রতিষ্ঠানটির ঋণ। ২০২১-২২ অর্থবছর শেষে পিজিসিবির মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা। সে সময় সংরক্ষিত আয়ের উদ্বৃত্ত ছিল ৭৩৭ কোটি টাকা। পরের অর্থবছরে ঋণ বেড়ে ৪০ হাজার ১৬৪ কোটি টাকায় দাঁড়ায় এবং সংরক্ষিত আয় ৬৪৮ কোটি টাকা লোকসানে চলে যায়।
২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৪৯ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা। একই সময়ে সংরক্ষিত লোকসান বেড়ে হয় ১ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ঋণ বেড়ে ৫৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা এবং সংরক্ষিত লোকসান দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত পিজিসিবির ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা। তবে এ সময়ে সংরক্ষিত লোকসান কিছুটা কমে ৯২১ কোটি টাকায় নেমেছে।
দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে দীর্ঘ সঞ্চালন লাইন, উপকেন্দ্র ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক অবকাঠামো নির্মাণ করছে পিজিসিবি। এসব প্রকল্পের বড় অংশই বাস্তবায়ন হচ্ছে দেশি-বিদেশি ঋণের অর্থে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পটুয়াখালী-গোপালগঞ্জ, আমিনবাজার-গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈরসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অর্থে সঞ্চালন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
বর্তমানে সঞ্চালন লাইন ও অবকাঠামো উন্নয়নে পিজিসিবির ১৪টি প্রকল্প চলমান। এসব প্রকল্পে দেশি-বিদেশি ঋণ মিলিয়ে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭৪ হাজার কোটি টাকা।
তবে বিপুল বিনিয়োগের বিপরীতে পিজিসিবির সঞ্চালন আয় সে হারে বাড়েনি। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের মতে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সঞ্চালন না হওয়ায় আয় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অবকাঠামো নির্মাণের পরও তা প্রত্যাশিত মাত্রায় ব্যবহার না হওয়ায় রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার খরচ ঠিকই বহন করতে হচ্ছে।
গত কয়েক বছরে বিপিডিবির গ্যাসভিত্তিক বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকেও প্রত্যাশিত পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন হয়নি। আবার দূরবর্তী কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ পরিবহনের ক্ষেত্রে সঞ্চালন ক্ষতিও বেড়েছে। ফলে একদিকে আয় কমেছে, অন্যদিকে অবকাঠামো পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় অব্যাহত রয়েছে।
সরকারের ওপর পিজিসিবির আর্থিক ঝুঁকির বিষয়টি অর্থ বিভাগের সাম্প্রতিক মূল্যায়নেও উঠে এসেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর দায় ও আর্থিক ঝুঁকি নিয়ে করা অর্থ বিভাগের প্রতিবেদনে দেখা যায়, মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে পিজিসিবির আর্থিক ঝুঁকি মাঝারি পর্যায় থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে উচ্চ ঝুঁকির পর্যায়ে চলে গেছে।
ওই অর্থবছর শেষে কোম্পানিটির মোট দায় ছিল প্রায় ৫৬ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৩০ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। মোট ঋণের প্রায় ৮৯ শতাংশই সরকারের সঙ্গে করা সহযোগী ঋণচুক্তি ও ঋণচুক্তির আওতায় নেওয়া হয়েছে।
পিজিসিবির আয়ের প্রধান উৎস হলো বিদ্যুৎ সঞ্চালন বা সঞ্চালন চার্জ। এই আয় দিয়েই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন ব্যয়, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য খরচ মেটানোর কথা। কিন্তু কয়েক বছর ধরে এই সঞ্চালন চার্জ বাড়ানো হয়নি। একই সময়ে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সঞ্চালনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল, সেটিও অর্জিত হয়নি। ফলে ব্যয় বাড়লেও আয়ের প্রবৃদ্ধি সেই অনুপাতে হয়নি।
এর ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার। ২০২২-২৩ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে পিজিসিবির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা। বিপুল বৈদেশিক ঋণ থাকায় ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার ওপর পড়েছে।
পিজিসিবির পর্ষদে পরিচালক হিসেবে থাকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী বলেন, পিজিসিবির বড় অঙ্কের বৈদেশিক ঋণ রয়েছে। ফলে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয়েছে। তার মতে, মুদ্রার অবমূল্যায়নজনিত এ ঝুঁকি পিজিসিবির নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে পর্ষদেও উদ্বেগ রয়েছে এবং পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
পিজিসিবির আর্থিক ঝুঁকির আরেকটি বড় কারণ হলো এর ঋণনির্ভর মূলধন কাঠামো। ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে কোম্পানিটির মোট মূলধনের ৮১ শতাংশই ছিল ঋণনির্ভর। বিপরীতে নিজস্ব মূলধন বা ইকুইটির অংশ ছিল মাত্র ১৯ শতাংশ। ওই অর্থবছরে ঋণ-মূলধন অনুপাত দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৬৫ এবং ঋণ ও কর-পূর্ববর্তী আয়ের অনুপাত ছিল ২৪ দশমিক ৬৬। অর্থাৎ নিজস্ব মূলধনের তুলনায় প্রতিষ্ঠানের ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি এবং পরিচালন আয় দিয়ে সেই ঋণের চাপ সামলানোর সক্ষমতাও দুর্বল।
পিজিসিবির ঋণনির্ভরতা বাড়ার পেছনে সরকারের অর্থায়ন কাঠামোরও ভূমিকা রয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য সরকার যে অর্থ দেয়, তার একটি অংশ ইকুইটি এবং বড় অংশ ঋণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের হিসাবে যুক্ত হয়। বিশেষ করে সহযোগী ঋণচুক্তির আওতায় পাওয়া অর্থ প্রতিষ্ঠানের দায় হিসেবে দেখানো হয়।
ফলে সরকারের কাছ থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ বাস্তবে ভর্তুকির মতো হলেও তা পিজিসিবির হিসাবপত্রে ঋণ হিসেবে জমা হচ্ছে। এতে সরকারের তাৎক্ষণিক ব্যয়ের চাপ তুলনামূলক কম দেখা গেলেও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যালান্সশিটে দায় বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদে যে অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম, সেটিও ঋণ হিসেবে জমা হওয়ায় পিজিসিবির ওপর ক্রমেই বড় দায় তৈরি হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব আয় দিয়ে পরিচালন ব্যয় পুরোপুরি মেটানোও সম্ভব হচ্ছে না। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পিজিসিবির ব্যয় পুনরুদ্ধারের হার ছিল শূন্য দশমিক ৮৬। অর্থাৎ মোট ব্যয়ের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৮৬ শতাংশ অর্থ পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে। ফলে প্রায় ১৪ শতাংশ পরিচালন ঘাটতি থেকে গেছে।
পরিচালন পর্যায়ে নগদ প্রবাহ ও মুনাফা থাকলেও পরিচালন-বহির্ভূত উচ্চ ব্যয়ের কারণে শেষ পর্যন্ত কোম্পানিটি নিট লোকসানে রয়েছে। ওই অর্থবছরে ইকুইটির বিপরীতে আয় ছিল ঋণাত্মক ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং সম্পদের বিপরীতে আয় ছিল ঋণাত্মক শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ। একই সময়ে পাওনাদারদের বিল পরিশোধ করতে গড়ে ৩২৯ দিন সময় লেগেছে।
লোকসানের চাপ কমাতে পিজিসিবি সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত জুনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিদ্যুৎ সঞ্চালনের নতুন হার নির্ধারণ করে। কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন হারে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে পিজিসিবির বার্ষিক সঞ্চালন আয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বাড়তে পারে।
১৯৯৭ সালে দেশের একমাত্র বিদ্যুৎ সঞ্চালন সংস্থা হিসেবে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর এখন পর্যন্ত পাঁচবার সঞ্চালন ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনবার বিদ্যুৎ বিভাগ এবং দুবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ট্যারিফ নির্ধারণ করেছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর পর চলতি বছরের জুনেও তা আবার বাড়ানো হয়েছে।
তবে শুধু পিজিসিবির আর্থিক সক্ষমতাই নয়, দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে দেশের প্রায় পুরো সঞ্চালন ব্যবস্থা একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ব্যয় ও দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য কার্যকর প্রতিযোগিতামূলক তুলনার সুযোগ নেই। একক প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল ব্যবস্থায় খরচ কমানো ও দক্ষতা বাড়ানোর স্বাভাবিক বাজারচাপও অনুপস্থিত।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সঞ্চালন খাতে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা, সরকারি অন্য সংস্থাকে সম্পৃক্ত করা কিংবা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হলে একটি কার্যকর প্রতিযোগিতামূলক কাঠামো গড়ে উঠতে পারে। এতে পিজিসিবির ব্যয় ও কর্মদক্ষতা তুলনা করার সুযোগ তৈরি হবে এবং সঞ্চালন খাতেও জবাবদিহি বাড়তে পারে।
সাবেক অর্থসচিব ও মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর মতে, বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোনো সাধারণ ব্যবসা নয়; এটি পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। তাই পিজিসিবির ক্ষেত্রে পূর্ণ ব্যয় পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা জরুরি। প্রতিষ্ঠানটি যদি নিজস্ব আয় দিয়ে পুরো ব্যয় মেটাতে না পারে, তাহলে ধারাবাহিক লোকসান তৈরি হবে এবং শেষ পর্যন্ত সরকারকেই সেই ঘাটতি পূরণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ভর্তুকির অর্থ ঋণ হিসেবে দেখানোর কারণে পিজিসিবির ওপর ধীরে ধীরে ঋণের বোঝা জমেছে। এই প্রবণতা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে তা টেকসই পর্যায়ের বাইরে চলে যেতে পারে। একই সঙ্গে সঞ্চালন খাতে পিজিসিবির একচেটিয়া অবস্থানের কারণে দক্ষতা যাচাইয়ের কার্যকর মানদণ্ডও নেই। তাই একাধিক প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে বা বেসরকারি খাতের সীমিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক কাঠামো তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এদিকে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার থেকে প্রতিবছর অর্থ নিচ্ছে পিজিসিবি। সরকারের দেওয়া এই অর্থের ৬০ শতাংশ ইকুইটি এবং ৪০ শতাংশ ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইকুইটি হিসেবে পাওয়া অর্থ প্রথমে আমানত হিসেবে দেখানো হয় এবং পরে এর বিপরীতে সরকারের নামে শেয়ার ইস্যু করা হয়।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিজিসিবির বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেওয়ারও বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে কারণে কোম্পানির আয় ও মুনাফায় ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সঞ্চালন আয় প্রত্যাশিত হারে না বাড়ায় একদিকে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল হচ্ছে, অন্যদিকে প্রতি বছর অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছ থেকে বড় অঙ্কের ইকুইটি নেওয়া হচ্ছে। এর বিপরীতে বিপুলসংখ্যক শেয়ার ইস্যু করতে হচ্ছে কোম্পানিটিকে।
ফলে ঋণ বাড়ার পাশাপাশি মূলধন কাঠামোতেও চাপ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব শুধু সরকারের আর্থিক দায়ের ওপর নয়, পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের ওপরও পড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে সঞ্চালন আয় বাড়ানো, পূর্ণ ব্যয় পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা, বৈদেশিক ঋণের ঝুঁকি কমানো এবং সরকারের অর্থায়ন কাঠামো পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি সঞ্চালন খাতে দক্ষতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্যোগ প্রয়োজন।

