Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, সেপ্টে. 7, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নিষ্ক্রিয় কারখানার ভোটাধিকার কেড়ে নিতে যাচ্ছে বিজিএমইএ
    অর্থনীতি

    নিষ্ক্রিয় কারখানার ভোটাধিকার কেড়ে নিতে যাচ্ছে বিজিএমইএ

    নিউজ ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 7, 2026সেপ্টেম্বর 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    নিষ্ক্রিয় ও নিয়ম না মানা সদস্য কারখানাগুলোকে ভোটাধিকার থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। এ জন্য সংগঠনটির গঠনতন্ত্রে নতুন শর্ত যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে বাস্তবে উৎপাদন বা রপ্তানি কার্যক্রমে নেই—এমন সদস্য প্রতিষ্ঠান ভোটার তালিকায় থাকার সুযোগ হারাতে পারে।

    শনিবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) গঠনতন্ত্রে ৫(গ) ধারা যুক্ত করার বিষয়ে বিশেষ প্রস্তাব তোলা হবে। এর আগে চলতি বছরের জুনেও একই বিষয়ে ইজিএম ডেকেছিল বিজিএমইএ। তবে সদস্যদের মধ্যে সংশোধনী নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় সেই সভা পরে স্থগিত করা হয়।

    প্রস্তাবিত নতুন ধারায় বলা হয়েছে, বিজিএমইএর কোনো সদস্যকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং ভোট দেওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে নির্দিষ্ট কয়েকটি শর্ত পূরণ করলে।

    কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের বাস্তবে বিদ্যমান কারখানা বা উৎপাদনকেন্দ্র না থাকলে, কারখানায় উৎপাদনযন্ত্র স্থাপন করা না থাকলে এবং প্রতিষ্ঠানটি পোশাক উৎপাদন, সরাসরি রপ্তানি, উপঠিকাদারের মাধ্যমে রপ্তানি বা প্রকৃত রপ্তানি কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত না থাকলে সেটি ভোটার তালিকায় থাকতে পারবে না।

    শুধু তাই নয়, কোনো প্রতিষ্ঠান উৎপাদন বা রপ্তানি কার্যক্রম চালালেও যদি বিজিএমইএর প্রয়োজনীয় সেবাগুলো নিয়মিত গ্রহণ না করে, তাহলেও ভোটাধিকার হারাতে পারে। এর মধ্যে বিশেষভাবে ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন বা ইউডি সনদের মতো সেবা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিজিএমইএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভোটার হিসেবে যোগ্য হতে হলে কোনো সদস্যকে হয় সরাসরি রপ্তানিতে যুক্ত একটি কার্যকর কারখানা পরিচালনা করতে হবে, অথবা উপঠিকাদারের মাধ্যমে রপ্তানির জন্য কারখানা চালাতে হবে। এছাড়া উৎপাদনযন্ত্র স্থাপিত রয়েছে—এমন কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও তা ভোটাধিকার পাওয়ার যোগ্য হতে পারে। একই সঙ্গে বিজিএমইএর সেবাব্যবস্থা নিয়মিত ব্যবহারকারী সদস্যরাও ভোটার হিসেবে যোগ্য বিবেচিত হবেন।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রস্তাবিত সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য হলো বিজিএমইএর ভোটার তালিকা থেকে কাগজে-কলমে থাকা প্রতিষ্ঠান ও নিষ্ক্রিয় সদস্যদের বাদ দেওয়া। এর মাধ্যমে দেশের প্রধান রপ্তানি খাতের সঙ্গে বাস্তবে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতেই সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচন ও নীতিনির্ধারণের প্রক্রিয়া রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিএমইএর এক সদস্য বলেন, সর্বশেষ নির্বাচনে প্রায় ৪০০ জন ভোটার ছিলেন, যাদের কোনো কার্যকর কারখানা ছিল না এবং তারা বিজিএমইএর কোনো সেবাও নিতেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, শুধু বার্ষিক ফি পরিশোধ করে সদস্যপদ ধরে রাখা সম্ভব হলেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে ভোটাধিকার থাকা উচিত নয়।

    তিনি বলেন, সংগঠনটি মূলত রপ্তানিনির্ভর ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই এর নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারণে সক্রিয় রপ্তানিকারকদের ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বর্তমানে পোশাক খাত বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার পরিবর্তন, জ্বালানি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পরিবেশগত মানদণ্ডসহ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব বাস্তবতার সঙ্গে যারা সরাসরি কাজ করছেন, সংগঠনের নেতৃত্ব নির্ধারণে তাদের অংশগ্রহণই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বিজিএমইএ। বর্তমানে সংগঠনটির সদস্য কারখানার সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার ৫০০। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ নিট পোশাক ও সোয়েটার উৎপাদনকারী এবং বাকি ৬০ শতাংশ ওভেন পোশাক প্রস্তুতকারক।

    বিজিএমইএর নেতারা বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন, সংগঠনের প্রায় ৪ হাজার ৫০০ সদস্যের মধ্যে মাত্র ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ২০০টি কারখানা নিয়মিত ইউডি সনদ গ্রহণ করে। ফলে নতুন প্রস্তাবটি পাস হলে সংগঠনের ভোটার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ইইউর সঙ্গে বাণিজ্যে ৪৮টি অশুল্ক বাধা দূর করেছে বাংলাদেশ

    সেপ্টেম্বর 7, 2026
    অর্থনীতি

    যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি কমছে, বাড়ছে বাংলাদেশের উদ্বেগ

    সেপ্টেম্বর 7, 2026
    অর্থনীতি

    অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলার

    সেপ্টেম্বর 7, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.