দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আরও ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৪তম সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এলএনজি কেনার এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
এর মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্রের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে দুটি কার্গো কেনা হবে। একটি কার্গো ৯–১০ অক্টোবর এবং অন্যটি ২৭–২৮ অক্টোবর দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
প্রথম কার্গোর জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার। দ্বিতীয়টির দাম ২৯ দশমিক ৭৯৫ ডলার।
৫২তম কার্গোর জন্য যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ দশমিক ৯৫ ডলার দর প্রস্তাব করেছে। আর ৫৬তম কার্গোর জন্য সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেডের দর ছিল ২৯ দশমিক ৭৯৫ ডলার।
এ ছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ডারাব ইনকরপোরেটেড থেকে আরও দুটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব কার্গোর জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম পড়বে ১৭ ডলার।
একই পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাইন্ড মিংগল এলএলসি থেকে আরও দুটি কার্গো কেনা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ ডলার।
সব মিলিয়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক কোটেশন ও সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
দেশে গ্যাসের চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাম্প্রতিক সময়ে সরকার ধারাবাহিকভাবে এলএনজি আমদানি করছে। নতুন ছয় কার্গো যুক্ত হলে জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় আরও জ্বালানি যোগ হবে।

