Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, সেপ্টে. 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিমানের বহরে বড় পরিবর্তন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ২১ নতুন উড়োজাহাজের চুক্তি
    অর্থনীতি

    বিমানের বহরে বড় পরিবর্তন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ২১ নতুন উড়োজাহাজের চুক্তি

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের বহর বড় করার উদ্যোগ নিয়েছে। যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি, নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালু এবং বিমান চলাচলের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ২১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে।

    এই চুক্তি সম্পন্ন হলে বিমানের বর্তমান বহরের পাশাপাশি আরও বড় আকারের উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশের বহরে রয়েছে ১৯টি উড়োজাহাজ। নতুন চুক্তিগুলো কার্যকর হলে এটি হবে প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ কার্যক্রম।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মোট ২১টি উড়োজাহাজের মধ্যে ১১টি বোয়িং এবং ১০টি এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজের বিষয়ে চুক্তি হতে পারে। এরপর আগামী মাসে এয়ারবাসের সঙ্গে আরও ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তবে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজগুলোর ধরন, মোট মূল্য, অর্থায়ন পদ্ধতি এবং সরবরাহের সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    এয়ারবাসের সম্ভাব্য চুক্তিতে চারটি এ৩৫০-৯০০ এবং ছয়টি এ৩২১নিও উড়োজাহাজ থাকার কথা রয়েছে। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বোয়িংয়ের সঙ্গে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করা হয়েছিল। সেই চুক্তির আওতায় আটটি ৭৮৭-১০, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে। এসব উড়োজাহাজ ২০৩১ সালের নভেম্বর থেকে ২০৩৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বিমান বাংলাদেশ বর্তমানে যে বহর পরিচালনা করছে, তার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজ, চারটি ৭৭৭, চারটি ৭৮৭-৮, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮০০।

    নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, নতুন রুট ও বিমান চলাচল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য বহর বাড়ানো প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, বোয়িং বা এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের নিজস্ব ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত।

    তবে উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা এবং বাণিজ্যিক সুবিধাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সম্প্রতি বলেন, বিমান কেনার সিদ্ধান্ত বাণিজ্যিক যোগ্যতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    অন্যদিকে, এয়ারবাসের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়টি নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়েও আলোচনা হয়েছে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বিমান ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনায় বিষয়টি উঠে আসে।

    মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমান বর্তমানে উড়োজাহাজ সংকটের মুখোমুখি এবং দ্রুত নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে যেকোনো ক্রয় সিদ্ধান্ত উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশ এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেওয়া হবে।

    এয়ারবাস চুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ৩১ আগস্টের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে চুক্তি না হওয়ায় এখন এটি অক্টোবর মাসে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিমান কেনার পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত, যন্ত্রাংশ ব্যবস্থাপনা, পাইলট ও কেবিন ক্রু প্রশিক্ষণ এবং উড়োজাহাজ ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েও এয়ারবাস একটি সমন্বিত প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।

    সূত্র অনুযায়ী, এয়ারবাসের প্রস্তাবে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের অর্থায়নের মাধ্যমে মোট ক্রয়মূল্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ অর্থের ব্যবস্থা করার বিষয় রয়েছে। তবে ঋণের সুদের হার চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রকাশ করা হবে।

    অন্যদিকে, বোয়িংয়ের ১১টি উড়োজাহাজ কেনার সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়টি গত ৩০ আগস্ট আলোচনায় আসে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বিষয়টি উল্লেখ করেন।

    তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বোয়িং কেনার ক্ষেত্রে কোনো চাপ নেই। দেশের বিমান চলাচল খাতের প্রয়োজন বিবেচনা করেই বহর সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

    বিমানের বহর বাড়ানোর পাশাপাশি বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনাতেও পরিবর্তনের উদ্যোগ চলছে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার ও বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠকে বিমান নিরাপত্তা এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    ২০১৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের জন্য পণ্য ও ডাক পরিবহনে উচ্চ ঝুঁকির অবস্থান নির্ধারণ করেছিল। এর ফলে পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই অবস্থান পরিবর্তনের জন্য সরকার বিমানবন্দরে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাম্প্রতিক নিরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে ওই উচ্চ ঝুঁকির অবস্থান প্রত্যাহারের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

    এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠান মেনজিস এভিয়েশন তৃতীয় টার্মিনালে বিমান বাংলাদেশের সঙ্গে ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সেখানে পণ্য ব্যবস্থাপনার কাজ করতে চায় বলে জানা গেছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই কার্যক্রম অনুমোদন পেলে স্থানীয়ভাবে প্রায় ১ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনাকারী জাপানের সুমিতোমো করপোরেশন নেতৃত্বাধীন একটি জোট দ্বিতীয় ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়বে। তবে বড় বহর পরিচালনার জন্য শুধু উড়োজাহাজ কেনাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা, প্রশিক্ষিত জনবল এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা।

    বিমানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে নতুন উড়োজাহাজগুলোকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে লাভজনক পরিচালনা নিশ্চিত করা। কারণ একটি আধুনিক বহর শুধু দেশের আকাশ যোগাযোগ বাড়াবে না, একই সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন খাতের অবস্থানও নতুনভাবে গড়ে তুলতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    এইমস অব বাংলাদেশের নতুন এমডি জাহিদুস সালাম

    সেপ্টেম্বর 16, 2026
    বাংলাদেশ

    একনেকে অনুমোদন পেল তিন মেট্রো রেল প্রকল্প, ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকার বেশি

    সেপ্টেম্বর 16, 2026
    বিশেষ বিশ্লেষণ

    ঢাকার ব্যস্ত জীবনে ‘সময়ের বাজার’: কে বিক্রি করছে, কে কিনছে

    সেপ্টেম্বর 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.