Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, সেপ্টে. 20, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ব্যাংক ঋণের ওপর সরকারের নির্ভরতা বাড়ছে, মোট ঋণ ৬.৯৮ ট্রিলিয়ন টাকা
    অর্থনীতি

    ব্যাংক ঋণের ওপর সরকারের নির্ভরতা বাড়ছে, মোট ঋণ ৬.৯৮ ট্রিলিয়ন টাকা

    নিউজ ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 20, 2026সেপ্টেম্বর 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    চলতি অর্থবছরের শুরুতেই ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। জুলাই ও আগস্ট—এই দুই মাসে সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১২৮.৭২ বিলিয়ন টাকা ঋণ নিয়েছে। এর ফলে আগস্ট শেষে ব্যাংক খাতে সরকারের মোট বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬.৯৮ ট্রিলিয়ন টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে নেওয়া এই ঋণের একটি অংশ ব্যবহার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া আগের ঋণ পরিশোধে। একই সময়ে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ৩৭.২৮ বিলিয়ন টাকা পরিশোধ করেছে।

    রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় উন্নয়ন ব্যয়, সামাজিক কর্মসূচি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য নিয়মিত খরচ চালাতে সরকার ব্যাংক থেকে অর্থ নেওয়ার দিকে বেশি ঝুঁকছে।

    সরকার চলতি অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে মোট ১.১২ ট্রিলিয়ন টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান বাড়তে থাকায় অর্থ ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকারের অতিরিক্ত ব্যাংক ঋণ নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে চাপ তৈরি করতে পারে। কারণ ব্যাংকের বড় অংশের অর্থ যদি সরকারি ঋণে চলে যায়, তাহলে উদ্যোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন বিনিয়োগ বা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় ঋণ পাওয়া কঠিন হতে পারে।

    এই পরিস্থিতিকে অর্থনীতিতে ‘ভিড় সরিয়ে দেওয়ার প্রভাব’ হিসেবে দেখা হয়, যেখানে সরকারি ঋণের চাহিদা বাড়লে বেসরকারি খাতের জন্য অর্থের সুযোগ কমে যেতে পারে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই চাপ কমাতে রাজস্ব আয় বাড়ানো, কর ব্যবস্থার কার্যকারিতা উন্নত করা এবং সরকারি ব্যয়ে আরও শৃঙ্খলা আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ শক্তিশালী করতে হবে, যাতে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া সরকারি ঋণ ৩৭.২৯ বিলিয়ন টাকা কমেছে। তবে এই পরিশোধ বাদ দিলেও ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ গ্রহণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২৮.৭২ বিলিয়ন টাকা।

    এই অর্থ নেওয়া হয়েছে ‘ওয়েজ অ্যান্ড মিনস অ্যাডভান্স’ ব্যবস্থার মাধ্যমে। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধা, যা সরকারের সাময়িক আয়-ব্যয়ের ঘাটতি সামলাতে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এই ঋণ তিন মাস বা ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন অর্থ সৃষ্টির বিষয়টি জড়িত থাকে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট শেষে ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের মোট বকেয়া ঋণের পরিমাণ ৬.৯৮ ট্রিলিয়ন টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সরকারের ঋণ ৯০৩.২৩ বিলিয়ন টাকা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ঋণ ৬.০৮ ট্রিলিয়ন টাকার বেশি।

    এ ছাড়া চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও সরকার ১০.৩২ বিলিয়ন টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে।

    আগের অর্থবছর ২০২৫-২৬ শেষে সরকারের ব্যাংক ঋণের পরিমাণ ছিল ৬.৮৫ ট্রিলিয়ন টাকা। এর আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ শেষে এই পরিমাণ ছিল ৫.৫১ ট্রিলিয়ন টাকার বেশি।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১.০৪ ট্রিলিয়ন টাকা। তবে বছর শেষে প্রকৃত ঋণ দাঁড়ায় ১.৩৫ ট্রিলিয়ন টাকা, যা নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় ২২০ বিলিয়ন টাকা বেশি।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, সরকারের জন্য ঋণ নেওয়া স্বাভাবিক অর্থ ব্যবস্থাপনার অংশ হলেও মূল বিষয় হলো এর দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা।

    তার মতে, তুলনামূলক অর্থনীতিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত অন্যতম কম। তাই করের আওতা বাড়ানো এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা উন্নত করা জরুরি।

    তিনি আরও বলেন, সরকারকে প্রকল্প নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হবে এবং এমন প্রকল্পে গুরুত্ব দিতে হবে, যেগুলো অর্থনৈতিক সুফল তৈরি করে এবং ভবিষ্যতে টেকসই আয় সৃষ্টি করতে পারে।

    পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, দুর্বল রাজস্ব আয় এবং অর্থায়নের বাড়তি চাহিদার কারণে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা বাড়ছে।

    তার মতে, স্বল্পমেয়াদে ব্যাংক ঋণ সরকারের অর্থের প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করলেও দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের নির্ভরতা সুদের চাপ বাড়াতে পারে এবং বেসরকারি খাতে অর্থের প্রাপ্যতা কমিয়ে দিতে পারে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, কর ব্যবস্থার সংস্কার এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা গেলে সরকারের ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থপ্রবাহও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে নতুন রিগ কিনছে পেট্রোবাংলা

    সেপ্টেম্বর 20, 2026
    অর্থনীতি

    ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    সেপ্টেম্বর 20, 2026
    অর্থনীতি

    নীতিগত সহায়তার পরও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে গতি নেই

    সেপ্টেম্বর 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.