Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, নভে. 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগে ২০ বছরে লাভ ৫৯ লাখ, কীভাবে সম্ভব?
    অর্থনীতি

    ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগে ২০ বছরে লাভ ৫৯ লাখ, কীভাবে সম্ভব?

    নিউজ ডেস্কনভেম্বর 4, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাসা, কারখানা কিংবা বাণিজ্যিক ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে দীর্ঘ মেয়াদে বড় অঙ্কের অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) একটি হিসাব অনুযায়ী, ৩০ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে প্রায় ১৫ লাখ ৩৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে ২০ বছরে সম্ভাব্য নিট লাভ হতে পারে প্রায় ৫৯ লাখ টাকা।

    প্রাথমিক বিনিয়োগ, ইনভার্টার পরিবর্তন এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় বাদ দিয়ে এই লাভের হিসাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুতের প্রচলিত মূল্য এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিবছর সর্বোচ্চ ১ শতাংশ হারে কমে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’-এ ডিপিডিসির স্টলে এ হিসাব তুলে ধরা হয়।

    সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে খরচ কত?

    ডিপিডিসির উপস্থাপিত হিসাব অনুযায়ী, ৩০ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে প্রাথমিক বিনিয়োগ প্রয়োজন ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকা।

    এর মধ্যে সৌর প্যানেল কেনায় ব্যয় হয়েছে ৯ লাখ ২৫০ টাকা। ইনভার্টার কিনতে খরচ হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪০০ টাকা। অন্যদিকে মাউন্টিং কাঠামো, ক্যাবল, নেট মিটার, সার্জ প্রটেকশনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জামে ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার ১৫০ টাকা।

    হিসাব অনুযায়ী, এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের জুনে।

    ২০ বছরে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিবর্তন ব্যয়

    সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পর দীর্ঘ মেয়াদে কিছু অতিরিক্ত ব্যয়ও রয়েছে। ডিপিডিসির হিসাবে, ২০ বছরে কেন্দ্রটির প্রাথমিক বিনিয়োগ ও রক্ষণাবেক্ষণসহ মোট ব্যয় হবে ২২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।

    এর মধ্যে প্রাথমিক স্থাপনা ব্যয় ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকা। ব্যবহারের ১১তম বছরে ইনভার্টার ও অন্যান্য সরঞ্জাম পরিবর্তনের জন্য ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ২০ বছরে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ধরা হয়েছে।

    অর্থাৎ নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিবছর গড়ে ২৪ হাজার টাকা ব্যয় হবে।

    বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে ৮১ লাখ টাকার বেশি

    সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে গ্রাহকের সম্ভাব্য বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের হিসাবও তুলে ধরেছে ডিপিডিসি।

    এ ক্ষেত্রে জুন ২০২৬-এর আগে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১২ টাকা ২১ পয়সা এবং জুন ২০২৬ থেকে প্রতি ইউনিট ১৪ টাকা ৬৩ পয়সা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

    এই হিসাব অনুযায়ী, ২০ বছরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপরীতে মোট ৮১ লাখ ৬৫ হাজার ২৯৩ টাকার বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্যদিকে, একই সময়ে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটির স্থাপন, ইনভার্টার পরিবর্তন এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণসহ মোট ব্যয় হবে ২২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।

    দুই হিসাবের পার্থক্য অনুযায়ী, ২০ বছরে সম্ভাব্য নিট আর্থিক সুবিধা দাঁড়াবে ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার ২৯৩ টাকা। অর্থাৎ প্রায় ১৫ লাখ ৩৬ হাজার টাকা প্রাথমিক বিনিয়োগের বিপরীতে দীর্ঘ মেয়াদে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয়ের সুযোগ রয়েছে।

    ৩-৪ বছরে উঠে আসতে পারে বিনিয়োগ

    ডিপিডিসির নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মাহফুজুল হাসান বলেন, কেউ ৩০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাইলে তাঁর প্রাথমিক বিনিয়োগ তিন থেকে চার বছরের মধ্যে উঠে আসতে পারে। এই হিসাব মূলত নেট মিটারিং ব্যবস্থার জন্য।

    তিনি আরও জানান, কেউ যদি হাইব্রিড পদ্ধতিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চান, তাহলে ব্যাটারি সংরক্ষণব্যবস্থা যুক্ত করার কারণে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়বে। সে ক্ষেত্রে খরচ উঠে আসতে পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লাগতে পারে।

    ডিপিডিসির এই উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি ৩০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ২০ বছরে গ্রাহকের প্রায় ৫৯ লাখ টাকা আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলক বেশি হলেও দীর্ঘ মেয়াদে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের সুযোগ রয়েছে। তবে প্রকৃত আর্থিক সুবিধা নির্ভর করবে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ব্যবহারের পরিমাণ, বিদ্যুতের মূল্য, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার কার্যকারিতার ওপর।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    মোংলাকে ঘিরে চীনা বিনিয়োগের নতুন পরিকল্পনা, সিআরসিসির সঙ্গে ইনভেস্ট বাংলাদেশের সমঝোতা

    নভেম্বর 5, 2026
    অর্থনীতি

    জাহাজ থেকে খালাসে উধাও ২৯ লাখ লিটার জ্বালানি, বিপিসির ক্ষতি ৪৫ কোটি টাকা

    নভেম্বর 5, 2026
    বাণিজ্য

    ২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হতে চায় চট্টগ্রাম বন্দর

    নভেম্বর 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.