অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসেই রপ্তানি আয় ধাক্কা খেয়েছে। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় এ বছর আগস্টে রপ্তানি কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ। আয় কমেছে ১১ কোটি ডলারের বেশি। গত আগস্টে রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩৯২ কোটি ডলারে, যেখানে ২০২৪ সালের আগস্টে আয় হয়েছিল ৪০৩ কোটি ডলারেরও বেশি।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি বেড়েছিল প্রায় ২৫ শতাংশ। কিন্তু আগস্টে হঠাৎ এ পতন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রপ্তানিকারকদের মতে, এর প্রধান কারণ যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা ও অস্বস্তি। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর সিনিয়র সহসভাপতি এবং অনন্ত গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক খান বলেন, রপ্তানি কমে যাওয়ার পেছনে মূল কারণ মার্কিন শুল্ক ইস্যু। আগস্টের শুরুতে ২০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণার আগ পর্যন্ত বড় ধরনের উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা ছিল।
এমনকি ভারতের শুল্ক কমতে পারে এমন আশঙ্কাতেও অনেক মার্কিন ক্রেতা রপ্তানি আদেশ স্থগিত রাখেন। ফলে আগস্টে রপ্তানিতে ধস নামে। তবে ভারতের শুল্ক বাড়ায় মার্কিন ক্রেতারা এখন নতুন করে বাংলাদেশে অর্ডার দিচ্ছেন। এতে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি আয় বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, আগস্টে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে প্রায় ৫ শতাংশ। ওই মাসে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩১৭ কোটি ডলারের, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৩৩ কোটি ডলার। মূলত তৈরি পোশাক খাতে এ পতনই সামগ্রিক রপ্তানি আয় কমার কারণ।

