অর্থপাচারের ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি হয়েছে, তবে ঝুঁকি এখনও রয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘প্রবাসীদের আয় ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে হুন্ডির মাধ্যমে পাচারের প্রবণতা এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চালান জালিয়াতি বা মিস-ইনভয়েসিংয়ে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘অর্থপাচারের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত ব্যাংকিং খাতে কিছু সংস্কার হওয়ায় আগে যেমন বড় ধরনের জালিয়াতি ও পাচার হত, এখন তা আর সম্ভব নয়। যারা এই কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল, তাদের অনেকে আইন সম্মুখীন হয়েছেন অথবা দেশ ত্যাগ করেছেন। তবে আরও গভীর সংস্কার প্রয়োজন।’ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে চালান জালিয়াতি এখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। এই খাতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হওয়ায় অর্থপাচারের প্রবণতা রয়ে গেছে।’ অর্থপাচার প্রতিরোধকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একবার পাচার হয়ে গেলে সেই টাকা ফেরত আনা অত্যন্ত কঠিন। তাই ফেরত আনার চেয়ে পাচার প্রতিরোধে বেশি সম্পদ ও প্রচেষ্টা বিনিয়োগ করাই সঠিক কৌশল।’

