বেসরকারি খাতের প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. এইচ বি এম ইকবালের কোম্পানির জব্দ করা হিসাব থেকে ২৮৭ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার চেষ্টা ঠেকিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
জানা গেছে, বনানী শাখার মাধ্যমে ওই টাকা তোলার নানা চেষ্টা করেছিলেন ইকবাল। তাকে সহায়তা করছিলেন ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা। তবে বিএফআইইউর হস্তক্ষেপে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তদন্তে আরও জানা যায়, এর আগেই চলতি বছরের এপ্রিলে জব্দ থাকা হিসাব থেকে তিনি ১ কোটি ১১ লাখ টাকা ও ৩০ হাজার ডলার তুলতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় ব্যাংককে সমপরিমাণ জরিমানা করে বিএফআইইউ।
ডা. ইকবাল ও তার পরিবারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বনানী শাখায় একাধিক হিসাব রয়েছে। এসবের মধ্যে আছে প্রিমিয়ার প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি, প্রিমিয়ার হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ইকবাল সেন্টার, প্রিমিয়ার হোটেল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ও বুখারা রেস্টুরেন্ট।
তদন্তে দেখা যায়, এসব হিসাব থেকে টাকা তুলতে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় সাড়ে ৩০০টি চেক বিভিন্ন ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকও রয়েছে। প্রতিটি চেকের মাধ্যমে ৮০ লাখ টাকা করে উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়। তবে বিষয়টি ধরা পড়ে আটকে দেয় বিএফআইইউ।
প্রসঙ্গত, গত বছরের নভেম্বরে ডা. ইকবালের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে তার স্ত্রী, সন্তান ও তাদের একক মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের হিসাবও স্থগিত করে বিএফআইইউ।

