Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, এপ্রিল 29, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মূল্যস্ফীতির সময়ে সঞ্চয়পত্রের সুদ কমানো কতটা যৌক্তিক?
    অর্থনীতি

    মূল্যস্ফীতির সময়ে সঞ্চয়পত্রের সুদ কমানো কতটা যৌক্তিক?

    সিভি ডেস্কUpdated:অক্টোবর 17, 2025অক্টোবর 17, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    সঞ্চয়পত্রের সুদহার
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সরকার আগামী জানুয়ারি থেকে সঞ্চয়পত্রের সুদহার আরও দেড় শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে সরকারের ঋণ ব্যয় কমবে, তবে বিপদে পড়বেন অবসরপ্রাপ্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ—যাঁরা সঞ্চয়পত্রকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখতেন।

    সরকার দীর্ঘদিন বাজেট ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্র বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ট্রেজারি বিল ও বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে সস্তায় ঋণ নেওয়ার দিকে ঝুঁকছে সরকার। বর্তমানে এসব বিল-বন্ডের গড় সুদহার সঞ্চয়পত্রের চেয়ে কম হওয়ায় আবারও সুদহার কমানোর সিদ্ধান্ত এসেছে। এতে সরকারের ঋণ ব্যয় সাশ্রয় হবে, কিন্তু প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তায়।

    এই সিদ্ধান্তের পেছনে দুটি প্রধান কারণ দেখা যাচ্ছে—ঋণের ব্যয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ। তবে মূল্যস্ফীতি যখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চাপে ফেলেছে, তখন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমানো নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য আরও বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ক্রমেই কমছে। শুধু গত জুলাই মাসেই নিট বিক্রি কমেছে ৪১ শতাংশের বেশি। অনেকেই এখন সঞ্চয়পত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে অন্য বিনিয়োগের বিকল্প খুঁজছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও চাইছে, মানুষের আগ্রহ ট্রেজারি বিল বা বন্ডের দিকে যাক।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলা যেত যদি একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য বিকল্প ও নিরাপদ বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হতো। কিন্তু উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে কেবল সুদহার কমানোকে তাঁরা অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত বলছেন। এতে একদিকে সরকারের ঋণ গ্রহণ সহজ হবে, অন্যদিকে সঞ্চয়পত্রের টাকার ওপর নির্ভরশীল বিপুল জনগোষ্ঠী আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন।

    তাঁরা মনে করেন, সরকারের উচিত হবে ঋণের ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রনির্ভর মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে অন্যান্য নিরাপদ বিনিয়োগ খাতকে আকর্ষণীয় করে তোলা প্রয়োজন। কারণ নাগরিকের সঞ্চয়ের প্রতি আস্থা নষ্ট হলে সেটি অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    ব্যাংকারদের পদোন্নতিতে শর্ত শিথিল করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    এপ্রিল 29, 2026
    অর্থনীতি

    ৯০ শতাংশ রাশিয়ান ঋণে রূপপুর প্রকল্প—২৮ বছরে শোধ করবে বাংলাদেশ

    এপ্রিল 29, 2026
    ব্যাংক

    পরীক্ষা ছাড়াই অন্য ব্যাংকের উচ্চ পদে যেতে পারবেন ব্যাংকাররা

    এপ্রিল 29, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.