Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মে 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মাধ্যমিক শিক্ষায় গ্রামের শিশু যে কারণে পিছিয়ে পড়ছে
    শিক্ষা

    মাধ্যমিক শিক্ষায় গ্রামের শিশু যে কারণে পিছিয়ে পড়ছে

    নিউজ ডেস্কমে 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে শিক্ষার বিস্তার নিয়ে অনেক সাফল্যের কথা বলা হলেও মাধ্যমিক স্তরে এসে সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়ে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা এখনো অনেক ক্ষেত্রে ব্যয়বহুল, দূরবর্তী এবং অনিশ্চিত। দেশের মোট মাধ্যমিক শিক্ষার্থীর বড় অংশ গ্রামে বসবাস করলেও সরকারি সুযোগ-সুবিধার বড় অংশ কেন্দ্রীভূত শহরে। ফলে শিক্ষার সুযোগ কাগজে-কলমে বিস্তৃত হলেও বাস্তবে দরিদ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা এখনো সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে।

    পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ২২ বছর বয়সী আরিফুল ইসলামের জীবন সেই বাস্তবতারই একটি উদাহরণ। আর্থিক সংকটের কারণে তিনি অষ্টম শ্রেণীর পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। ২০১৮ সালে তার জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের টাকাও জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষে পড়ালেখার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়লে তিনি অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। এখন তিনি ঢাকায় একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন। তার ভাইও ষষ্ঠ শ্রেণীর পর পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়।

    আরিফুলের গল্প আলাদা কোনো ঘটনা নয়। গ্রাম, চর, হাওর ও দুর্গম এলাকার বহু শিক্ষার্থীর জীবনেই একই চিত্র দেখা যায়। পরিবারে আয় কম, বিদ্যালয় দূরে, সরকারি প্রতিষ্ঠান নেই বা থাকলেও যাতায়াত কঠিন—এসব কারণে অনেক শিক্ষার্থী মাধ্যমিকের আগেই শিক্ষা থেকে ছিটকে পড়ে। যাদের পরিবার তুলনামূলকভাবে সচ্ছল, তারা সন্তানকে উপজেলা সদরে রেখে পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে পারে। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের জন্য এমন ব্যবস্থা প্রায় অসম্ভব।

    শিক্ষাবিষয়ক পরিসংখ্যানও একই সংকটের দিকে ইঙ্গিত করছে। ইউনেস্কোর তথ্যমতে, দেশে নিম্ন মাধ্যমিক স্তর সম্পন্ন করার হার প্রায় ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ একটি বড় অংশ মাধ্যমিকের পথে এগোতে পারলেও সবাই শেষ পর্যন্ত তা সম্পন্ন করতে পারে না। এর পেছনে শুধু ব্যক্তিগত অনাগ্রহ নয়, বরং আর্থিক চাপ, বিদ্যালয়ের দূরত্ব, সরকারি সহায়তার অভাব এবং গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বল অবকাঠামো বড় ভূমিকা রাখছে।

    বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে মাধ্যমিক স্তরে মোট শিক্ষার্থী ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ জন। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থী ৬১ লাখ ৭৫ হাজার ৪২ জন। অর্থাৎ মোট মাধ্যমিক শিক্ষার্থীর ৬৮ দশমিক ১৩ শতাংশই গ্রামে। কিন্তু সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সুবিধা বণ্টনে গ্রামাঞ্চল স্পষ্টভাবে পিছিয়ে রয়েছে।

    বর্তমানে দেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৯৪টি। এর মধ্যে মাত্র ৫৩টি গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত, যা মোট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অন্যদিকে বাকি ৯২ দশমিক ৬৩ শতাংশ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শহরাঞ্চলে। এই পরিসংখ্যান একটি বড় প্রশ্ন তোলে—যেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ গ্রামে, সেখানে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান অংশ কেন শহরে কেন্দ্রীভূত?

    এই বৈষম্যের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে দরিদ্র পরিবারের ওপর। কারণ শহরের শিক্ষার্থীরা তুলনামূলকভাবে সরকারি বিদ্যালয়, ভালো শিক্ষক, কোচিং সুবিধা, যাতায়াত ও তথ্যপ্রাপ্তিতে এগিয়ে থাকে। কিন্তু গ্রামের শিক্ষার্থীদের অনেক সময় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ফি, মাসিক বেতন, পরীক্ষা ফি, অতিরিক্ত খরচ এবং যাতায়াত ব্যয় দরিদ্র পরিবারের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে শিক্ষার্থী মেধাবী হলেও অর্থের অভাবে পড়াশোনা থেমে যায়।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আব্দুস সালামের মতে, বাংলাদেশের শিক্ষায় আর্থিক বৈষম্য সবচেয়ে প্রকটভাবে দেখা যায় মাধ্যমিক স্তরে। কারণ এই স্তরের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান বেসরকারি। বিশেষ করে গ্রাম, চর ও হাওরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা এ ক্ষেত্রে বেশি অবহেলিত। সরকার এমপিওভুক্তির মাধ্যমে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত নয়।

    এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এমপিওভুক্তি সব সমস্যার সমাধান নয়। একটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলে শিক্ষকদের বেতন-ভাতার একটি অংশ সরকারি সহায়তায় আসে, কিন্তু শিক্ষার্থীর পরিবারের ওপর থাকা অন্যান্য ব্যয় পুরোপুরি কমে না। একই সঙ্গে অবকাঠামো, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, মানসম্মত পাঠদান, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, নিরাপদ যাতায়াত এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীর সহায়তা—এসব ক্ষেত্রেও ঘাটতি থেকে যায়। ফলে শুধু এমপিওভুক্তি দিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার বৈষম্য দূর করা কঠিন।

    মাধ্যমিক শিক্ষার বড় অংশ জাতীয়করণের প্রস্তাব অনেক দিন ধরেই আলোচনায় আছে। তবে এ ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো, যেসব প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হবে, সেগুলোর শিক্ষক, পাঠদান পদ্ধতি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করা। শুধু বিদ্যালয়ের নামের আগে সরকারি শব্দ বসালেই শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন আসবে না। জাতীয়করণের সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, তদারকি এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

    প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও একসময় আশার আলো দেখিয়েছিল। ২০১৩ সাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের অনুমোদন দেওয়া হয়। সে সময় ৭২৯টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান শুরু হয়। ২০২৪ সাল পর্যন্ত এ কার্যক্রম ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু ছিল, যার মধ্যে ৪৭৭টিই ছিল গ্রামাঞ্চলে।

    এই উদ্যোগ গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত। কারণ প্রাথমিক বিদ্যালয় সাধারণত গ্রামের কাছাকাছি থাকে। যদি সেখানেই অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার সুযোগ থাকে, তাহলে দরিদ্র পরিবারের অনেক শিশু অন্তত নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করার সুযোগ পেত। বিশেষ করে মেয়েশিক্ষা, চরাঞ্চলের শিশু, শ্রমজীবী পরিবারের সন্তান এবং ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বড় সহায়ক হতে পারত।

    কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত বছরের ১২ মার্চ আপগ্রেডেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে গ্রামাঞ্চলে সরকারি অর্থায়নে মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ আরও সীমিত হয়ে পড়েছে। যে পথটি গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য তুলনামূলক সহজ হতে পারত, সেটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী মনে করেন, মাধ্যমিক শিক্ষাকে ধাপে ধাপে জাতীয়করণের দাবি দীর্ঘদিনের হলেও বাস্তবে সে পথে কার্যকর অগ্রগতি হয়নি। বরং এমপিওভুক্তির ওপর বেশি নির্ভর করা হয়েছে। তার পর্যবেক্ষণে, অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজন ও নীতিমালার ভিত্তিতে নয়, বরং প্রভাব ও সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর স্বার্থে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। এতে কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধা পেলেও শিক্ষার সামগ্রিক মান উন্নত হয়নি।

    এই সমালোচনার ভেতরে একটি বড় নীতিগত প্রশ্ন আছে। রাষ্ট্র কি মাধ্যমিক শিক্ষাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখবে, নাকি পরিবারের আর্থিক সামর্থ্যের ওপর ছেড়ে দেবে? যদি শিক্ষাকে মানবসম্পদ উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে মাধ্যমিক স্তরে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা কঠিন হবে।

    মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রণয়নের কথাও বলা হচ্ছে। একসঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করা বাস্তবসম্মত না হলেও ধাপে ধাপে অষ্টম, দশম এবং পরে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা বিস্তারের পরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে। অন্তত অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে দরিদ্র পরিবারের ওপর চাপ অনেকটা কমবে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে সহায়ক হবে।

    ২২ এপ্রিল গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও ধাপে ধাপে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নীত করে তা অবৈতনিক করার পরিকল্পনার কথা জানান। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু ঘোষণা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিদ্যালয়, প্রশিক্ষিত শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, পাঠ্যসামগ্রী, নিরাপদ পরিবেশ এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের বক্তব্য অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের মতো সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিগত বিষয়। তবে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মানোন্নয়নের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ চলছে। ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

    তবে বাস্তবতা হলো, গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের সংকট শুধু ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয় নয়; এটি বর্তমানের জরুরি সমস্যা। আজ যে শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে অষ্টম শ্রেণীর পর পড়াশোনা ছাড়ছে, তার জন্য কয়েক বছর পরের পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়। তার দরকার এখনই সহায়তা, কাছাকাছি সরকারি বিদ্যালয়, কম খরচের শিক্ষা এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার বাস্তব সুযোগ।

    মাধ্যমিক শিক্ষায় বৈষম্য কমাতে কয়েকটি বিষয়ে জরুরি মনোযোগ প্রয়োজন। প্রথমত, গ্রামাঞ্চলে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, চর, হাওর, পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা নিতে হবে। তৃতীয়ত, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ফি মওকুফ, শিক্ষা উপকরণ সহায়তা ও যাতায়াত সহায়তা বাড়াতে হবে। চতুর্থত, আপগ্রেডেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষা চালুর বিষয়টি নতুনভাবে মূল্যায়ন করা দরকার। পঞ্চমত, এমপিওভুক্তির পাশাপাশি শিক্ষার মান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

    বাংলাদেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অগ্রগতির জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রাথমিক শিক্ষা শিশুদের শিক্ষার ভিত্তি তৈরি করলেও মাধ্যমিক শিক্ষা তাদের দক্ষতা, চিন্তাশক্তি ও ভবিষ্যৎ জীবনের সম্ভাবনা তৈরি করে। এই স্তরেই যদি দরিদ্র ও গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা বাদ পড়ে যায়, তাহলে উচ্চশিক্ষা ও কর্মবাজারে বৈষম্য আরও গভীর হবে।

    অতএব, মাধ্যমিক শিক্ষার বর্তমান চিত্র শুধু শিক্ষা খাতের সমস্যা নয়; এটি সামাজিক ন্যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ তৈরির প্রশ্ন। দেশের ৬৮ দশমিক ১৩ শতাংশ মাধ্যমিক শিক্ষার্থী যেখানে গ্রামে, সেখানে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাত্র ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ গ্রামে থাকা কোনোভাবেই সাম্যভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষণ হতে পারে না। শিক্ষা যদি সত্যিই সবার জন্য হয়, তবে সুযোগও সবার কাছে পৌঁছাতে হবে—শহরের মতো গ্রামেও, সচ্ছল পরিবারের মতো দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের কাছেও।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    শিক্ষা

    ১৬মে থেকে টানা ২৩ দিনের ছুটি পাচ্ছে দেশের শিক্ষার্থীরা

    মে 14, 2026
    বাংলাদেশ

    শিক্ষকদের পদোন্নতি সংকটে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শাটডাউন

    মে 11, 2026
    বাংলাদেশ

    নরসিংদীর মাদ্রাসায় কী ঘটেছে, আবাসিক মাদ্রাসায় মেয়েরা কতটা নিরাপদ?

    এপ্রিল 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.