চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের খুদে বার্তার মাধ্যমেও সহজেই নিজেদের ফলাফল জানতে পারবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফল প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত দুটি ফলাফল প্রকাশের ওয়েবসাইট থেকে নিজেদের ফল দেখতে পারবেন। পাশাপাশি যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই, তারা মোবাইল ফোনের খুদে বার্তার মাধ্যমেও দ্রুত ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে খুদে বার্তায় এসএসসি, এরপর একটি ফাঁকা স্থান দিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর, এরপর রোল নম্বর এবং সর্বশেষ ২০২৫ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি, এরপর মাদ, তারপর রোল নম্বর ও ২০২৫ লিখে একই নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের এসএসসি, এরপর কার, তারপর রোল নম্বর ও ২০২৫ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে বার্তা পাঠাতে হবে।
প্রতিটি খুদে বার্তার জন্য ভ্যাট ও করসহ ১ টাকা ৩৯ পয়সা কেটে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
চলতি বছরের ২১ এপ্রিল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। সারা দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অপেক্ষার অবসান ঘটবে। এরপরই শুরু হবে কলেজে ভর্তি কার্যক্রমের প্রস্তুতি। তাই ফল প্রকাশের সময় অনলাইনে অতিরিক্ত চাপ থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পুনরায় চেষ্টা করা অথবা খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানার বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

