Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, অক্টো. 30, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জীর্ণ ভবনে নামেই হার্ভার্ড কলেজ, বাস্তবে শূন্য: শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মসংস্থানের হিসাব মিলছে না
    শিক্ষা

    জীর্ণ ভবনে নামেই হার্ভার্ড কলেজ, বাস্তবে শূন্য: শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মসংস্থানের হিসাব মিলছে না

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 30, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ঢাকার ভাটারা থানার জগন্নাথপুরে শহীদ হারিজ সড়কের ঠিকানায় কাগজে-কলমে চালু আছে হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল কলেজ। কিন্তু বাস্তবে সেখানে কলেজের কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি। ৮ অক্টোবর ঠিকানা ধরে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করেও প্রতিষ্ঠানটির খোঁজ মেলেনি। পরে এক দোকানি একটি জীর্ণ ভবন দেখিয়ে দেন, যার ফটকের পাশের দেয়ালে লেখা ‘রেইনবো মডেল হাইস্কুল’।

    দোতলায় নিজেকে কলেজের উপাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন পরিচয় দেওয়া একজনের দেখা মেলে। তিনি জানান, কলেজ এখানেই চলে। তবে ভেতরে কোনো কলেজ কার্যক্রম ছিল না। দেখে মনে হয়েছে, জায়গাটি সাধারণ কিন্ডারগার্টেন বা কোচিং সেন্টারের মতো।

    এ বছর একাদশ শ্রেণিতে কতজন ভর্তি হয়েছে, জানতে চাইলে উপাধ্যক্ষ বলেন, তিনি জানেন না, অধ্যক্ষ জানেন। কিন্তু অধ্যক্ষকে সেখানে পাওয়া যায়নি। শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার দুই দফায় আবেদনের সুযোগ থাকলেও এই কলেজে একজন শিক্ষার্থীও ভর্তির আবেদন করেনি। কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি ব্যবস্থায় কারও পছন্দের তালিকায়ও কলেজটির নাম নেই। অথচ কাগজে কলেজটির আসন ১৫০টি এবং শিক্ষকও আছেন।

    হার্ভার্ড ইন্টারন্যাশনাল কলেজ দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বড় অব্যবস্থাপনার একটি উদাহরণ মাত্র। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা, সব স্তরেই শিক্ষার্থীর চাহিদা, শিক্ষক, অবকাঠামো ও কর্মসংস্থানের বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় না করে প্রতিষ্ঠান ও আসন বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কোথাও শিক্ষার্থী নেই, শিক্ষক আছেন। কোথাও শিক্ষার্থী আছে, শিক্ষক নেই। কোথাও স্থায়ী ক্যাম্পাস ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় চলছে, আবার কোথাও বছরের পর বছর শিক্ষার্থী না থাকলেও কারিগরি প্রতিষ্ঠান টিকে আছে।

    অসংগতির শুরু প্রাথমিক স্তর থেকেই। ২০২৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষা শুমারি অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ লাখ ১৮ হাজার ৬০৭টি। প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এই স্তরে ২৫ ধরনের প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতার মাধ্যমে ২ কোটি ১ লাখ ৮৩ হাজার শিক্ষার্থী পড়ছে। এর মধ্যে ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার। অর্থাৎ প্রায় ৪৫ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় বেসরকারি, অথচ আইন অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক এবং এর দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

    বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে কিন্ডারগার্টেন কতগুলো, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই। ২০২৪ সালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা আনুমানিক ৪৪ হাজার। তখন পর্যন্ত এর প্রায় ২০ শতাংশ একাডেমিক স্বীকৃতি বা নিবন্ধনের আওতায় ছিল। ফলে কতগুলো প্রতিষ্ঠান কোথায় চলছে, কত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আছেন, কোন শিক্ষাক্রম অনুসরণ করা হচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ চিত্র সরকারের কাছে নেই। কিন্ডারগার্টেনগুলো মূলত প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেও অনেকে অষ্টম বা দশম শ্রেণি পর্যন্ত চালায়।

    শিক্ষকসংকটও প্রকট। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ ৬৫ হাজারের বেশি, যার ৩৬ হাজারের বেশি শূন্য। চলতি মাসে ১২ হাজার ৮৩০ জন সহকারী শিক্ষক যোগ দিলেও এ পদে এখনো প্রায় ৩ হাজার শূন্য। গত জুলাইয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, সরকারি বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যমের প্রাথমিক প্রতিষ্ঠানও সরকারি তদারকির আওতায় আনা হবে। তবে আগের বিভিন্ন সরকারের সময়েও একই ধরনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছিল।

    শিক্ষার মানও প্রশ্নের মুখে। একাধিক গবেষণা ও জরিপ বলছে, শিক্ষার্থীরা বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী যা শেখার কথা, তা শিখছে না। গত জুনে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ইউনিট ঢাকা মহানগরের ৩৪১টি, ঢাকা জেলার প্রায় ৬০০, নারায়ণগঞ্জের ৫৪৭ ও মুন্সিগঞ্জের ৬১১টি বিদ্যালয় পরিদর্শন করে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অনেক শিশু বাংলা ভাষার কয়েকটি বর্ণ ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারে না, যুক্তবর্ণে হোঁচট খায়। ইংরেজি ও গণিতেও দুর্বলতা চোখে পড়ার মতো।

    মাধ্যমিক স্তরে বিশৃঙ্খলা আরও জটিল। মাধ্যমিক শিক্ষা দেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখন ২১ হাজার ৩১৪, যা ১৯৯৫ সালে ছিল ১২ হাজার ১২টি। দীর্ঘদিন ধরে প্রায় দেড় শ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক স্তর চালু আছে, কিন্তু সেজন্য আলাদা শিক্ষক পদ নেই। মাধ্যমিকের শিক্ষকেরাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন, যদিও তাঁদের এ জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ নেই। দেশের ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কলেজ শাখাও আছে, কিন্তু সেই বাড়তি স্তরের জন্য আলাদা শিক্ষক কাঠামো তৈরি হয়নি। আবার ৫৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়, সেখানকার শিক্ষক প্রাথমিকের। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ৭০ হাজারের বেশি। ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ছিল ৮৬ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি।

    বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ‘বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান-২০২৫’ প্রতিবেদন বলছে, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি পড়ানো ৯ হাজার ৯৮২ জন শিক্ষকের স্নাতকে ইংরেজি বিষয় ছিল না। গণিতেও একই চিত্র। গণিত পড়ানো ১০ হাজার ১৬৯ জন শিক্ষকের স্নাতকে গণিত নেই।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যে দেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৭০২টি। এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ১৫ হাজার ২৯৩, যার তিন হাজারের কিছু বেশি শূন্য। প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য প্রায় পৌনে চার শ। সিলেটের জকিগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রী ৪৮৬ জন, শিক্ষক মাত্র দুজন। পরিস্থিতি সামলাতে কয়েকজন খণ্ডকালীন শিক্ষক নেওয়া হয়েছে।

    আইসিটি শিক্ষাতেও বড় অসংগতি আছে। ২০১৩ সালে মাধ্যমিকে বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হলেও ১৩ বছর পরও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এর জন্য আলাদা শিক্ষক পদ তৈরি হয়নি। ফলে গণিত, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞানের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বা প্রয়োজনমতো আইসিটির ক্লাস নিতে হচ্ছে।

    কলেজ স্তরে অপরিকল্পনার সবচেয়ে বড় উদাহরণ এবারের একাদশ শ্রেণির ভর্তি। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন, পাস করেছে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি। একাদশে ভর্তিযোগ্য কলেজ-মাদ্রাসা ৮ হাজার ১৮০টি, আসন ২৬ লাখ ১ হাজার ৭৭৯টি। প্রথম দুই দফায় ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে ১০ লাখ ৩ হাজার ২৮৮ জন। ফলে প্রায় ১৬ লাখ আসন খালি থাকছে। প্রথম দুই ধাপে ৪১৬টি কলেজ ও মাদ্রাসায় কেউ আবেদনই করেনি। এখন তৃতীয় ধাপের ভর্তি চলছে।

    উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কলেজের সংখ্যা ২০০৯ সালে ছিল ৩ হাজার ৩৪৭, ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৪ হাজার ৯৩৬ হয়েছে। অথচ গত তিন বছরের তথ্য বলছে, এসব কলেজে শিক্ষার্থী ধারাবাহিকভাবে কমছে।

    কারিগরি শিক্ষায় ২০৩০ সালের মধ্যে শিক্ষার্থীর হার ৩০ শতাংশে তোলার লক্ষ্য আছে। কিন্তু শুধু প্রতিষ্ঠান ও আসন বাড়িয়ে তা হচ্ছে না। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তথ্যে ১২ হাজার ৯৩২টি প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। আসন ১৯ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি, ভর্তি হয়েছে প্রায় পৌনে ১০ লাখ। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক আসন খালি। টানা তিন বছর কেউ ভর্তি না হওয়ায় সম্প্রতি ২৪৬টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি স্থগিত করেছে শিক্ষা বোর্ড। এর মধ্যে ১৩৭টি ডিপ্লোমা এবং ১০৯টি এইচএসসি-বিএমটি পর্যায়ের। আরও ১১২টি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি বন্ধ ও পাঠদানের অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে দীর্ঘদিন শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়া বা কার্যক্রম না থাকায় ভোকেশনাল শিক্ষার ৬২১টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

    মাদ্রাসা শিক্ষায় চিত্র ভিন্ন, সেখানে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থী দুটোই বাড়ছে। ইবতেদায়িসহ মাদ্রাসা শিক্ষায় ৪২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়ছে। প্রাথমিকের ওপরের স্তরে মাদ্রাসার সংখ্যা ২০০২ সালে ছিল ৭ হাজার ৮২০, ২০২৫ সালে তা ৯ হাজার ২৯৬। ব্যানবেইসের তথ্যে, দাখিল থেকে কামিল পর্যন্ত মাদ্রাসায় গত বছর শিক্ষার্থী ছিল ২৮ লাখ ৪০ হাজারের বেশি, আগের বছর ছিল ২৭ লাখ ৯৬ হাজারের বেশি। এক বছরে মাদ্রাসা বেড়েছে ২৭টি, শিক্ষার্থী বেড়েছে ৪৩ হাজারের বেশি। এই হিসাবে কওমি মাদ্রাসার তথ্য নেই।

    উচ্চশিক্ষায় বর্তমানে ৬১টি পাবলিক ও ১১৭টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। তবু মান ও কর্মসংস্থানের সংকট কাটছে না। আইএমএফের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রতি ১০০ শিক্ষিত তরুণের মধ্যে ৩৬ জন বেকার। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের গবেষণায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ থেকে পাস করা প্রায় ২৮ শতাংশ স্নাতক বেকার থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও স্নাতকের সংখ্যা বাড়লেও সে হারে কর্মক্ষেত্র তৈরি হয়নি, আবার শিক্ষার সঙ্গে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের সংযোগও দুর্বল। ফলে ডিগ্রি পেয়েও অনেকে প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে চাকরির বাজারে ঢুকতে পারছেন না।

    অবকাঠামোগত পরিকল্পনারও ঘাটতি আছে। ২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এখনো নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে গড়া কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিক, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, এমনকি কৃষির মতো বিষয়ও যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যেও নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগ থামেনি। ১০টির বেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে, ইউজিসি সেগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। কক্সবাজারসহ আরও কয়েকটি জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনাও আছে।

    শিক্ষাবিদ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, এই পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর ধরে চলতে চলতে পুরো ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, শিক্ষা কখনোই রাজনৈতিক অগ্রাধিকারে যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি এবং সরকারের নানা উদ্যোগ খণ্ডিত ও বিচ্ছিন্ন মনে হচ্ছে। তিনি পরামর্শ দেন, শিক্ষার প্রধান উপখাতগুলো নিয়ে মধ্যমেয়াদি লক্ষ্য ও কৌশল ঠিক করে কাজ করতে হবে। কোনো একটি স্তরের সমস্যা আলাদাভাবে সমাধান না করে পুরো ব্যবস্থা নিয়ে সামগ্রিকভাবে ভাবতে হবে।

    বিভিন্ন স্তরের সমস্যা আলাদা মনে হলেও এর পেছনে একটি অভিন্ন সংকট আছে। প্রতিষ্ঠান বাড়ানো হচ্ছে, কিন্তু শিক্ষার প্রয়োজন ও বাস্তবতার সঙ্গে তার সমন্বয় নেই। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবও কাজ করেছে বলে মনে করা হয়। ফলে একদিকে ১৬ লাখ আসন খালি পড়ে থাকছে, অন্যদিকে স্কুলে শিক্ষক নেই; একদিকে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন জমছে, অন্যদিকে শিক্ষিত তরুণদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি বেকার। এই ব্যবধান না কমালে শিক্ষায় বিনিয়োগের সুফল মিলবে না। এখন দেখার বিষয়, সরকার খণ্ড খণ্ড উদ্যোগের বদলে কবে নাগাদ সামগ্রিক পরিকল্পনায় যায়।

    সূত্র:প্রথম আলো

     

     

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ধর্ম

    রোগমুক্তির আশায় ‘আত্রাইয়ের হুজুর’র পানিপড়া নিতে ফুলবাড়ী স্টেশনে উপচেপড়া ভিড়

    অক্টোবর 30, 2026
    বাণিজ্য

    নভেম্বরে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রিতে নামছে টিসিবি, লক্ষ্য ভর্তুকির বোঝা কমানো

    অক্টোবর 30, 2026
    বাংলাদেশ

    জানুয়ারি আসার আগেই বাসা ভাড়া বৃদ্ধির নোটিশ, দিশেহারা রাজধানীর ভাড়াটিয়ারা

    অক্টোবর 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.