Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুলাই 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সেরারা হয়তো এভাবেই সমালোচনার জবাব দেয়
    খেলা

    সেরারা হয়তো এভাবেই সমালোচনার জবাব দেয়

    নিউজ ডেস্কUpdated:জুন 24, 2026জুন 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো যখন গোল করেন না, তখন ফুটবল দুনিয়ার একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ফিরে আসে। কেউ বলেন, তাঁর সময় শেষ। কেউ বলেন, এখন বিদায় নেওয়ার পালা। কেউ আবার বয়সের হিসাব টেনে বলেন, ৪১ বছর বয়সে আর কত? কিন্তু ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ার যারা কাছ থেকে দেখেছেন, তারা জানেন—এই মানুষটিকে শেষ বলে ঘোষণা করা সব সময়ই বিপজ্জনক।

    কারণ রোনালদো শুধু একজন গোলদাতা নন, তিনি এক ধরনের মানসিকতার নাম। তিনি এমন এক খেলোয়াড়, যিনি সমালোচনাকে ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে নেন না; বরং সেটিকে জ্বালানি বানিয়ে মাঠে নামেন। আর উজবেকিস্তানের বিপক্ষে হিউস্টনের ম্যাচে ঠিক সেটাই দেখা গেল। মহান খেলোয়াড়রা সমালোচনার জবাব এভাবেই দেন—বক্তব্য দিয়ে নয়, গোল দিয়ে; অজুহাত দিয়ে নয়, পারফরম্যান্স দিয়ে।

    বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পর্তুগালের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের ম্যাচে রোনালদো গোল পাননি। সেই ম্যাচের পর তাঁকে ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়। তিনি কি এখনও পর্তুগালের মূল একাদশে থাকার মতো প্রভাব রাখেন? তাঁর বয়স কি দলের গতিকে কমিয়ে দিচ্ছে? তরুণদের জায়গা কি আটকে দিচ্ছেন তিনি? এসব প্রশ্ন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়, ফুটবল আলোচনার মূল জায়গাতেও উঠে আসে।

    কিন্তু উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মঙ্গলবারের ম্যাচে রোনালদো যেন সব প্রশ্নের উত্তর একসঙ্গে দিয়ে দিলেন।

    ম্যাচ শুরু হতে না হতেই পর্তুগাল আক্রমণে উঠে যায়। ষষ্ঠ মিনিটে রোনালদো ঠিক সেই জায়গায় ছিলেন, যেখানে একজন সত্যিকারের গোলশিকারি থাকেন। কাছের পোস্টের দিকে দ্রুত এগিয়ে এসে ডান পায়ের এক স্পর্শে বল জালে পাঠান তিনি। গোলটি দেখতে সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু এমন গোলের পেছনে থাকে বছরের পর বছর ধরে তৈরি হওয়া অবস্থান নেওয়ার বুদ্ধি, সময়জ্ঞান এবং বক্সের ভেতরে অদৃশ্য জায়গা খুঁজে নেওয়ার ক্ষমতা।

    এই এক গোলেই ইতিহাস হয়ে যায়। রোনালদো হয়ে যান ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড়, যিনি ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করেছেন—২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬। এই রেকর্ড শুধু সংখ্যার নয়, এটি স্থায়িত্বের রেকর্ড। আধুনিক ফুটবলে এত দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা অবিশ্বাস্য কঠিন। আর সেই কঠিন কাজটিই রোনালদো করে দেখালেন ৪১ বছর বয়সে।

    তবে রাতটি শুধু একটি গোলের গল্প ছিল না। ৩৯তম মিনিটে আবারও রোনালদো সামনে এলেন। ব্রুনো ফের্নান্দেস মাঝমাঠ থেকে উজবেকিস্তানের রক্ষণভাগ চিরে একটি নিখুঁত পাস বাড়ান। রোনালদো তাঁর রান শুরু করেন ঠিক সময়মতো। না আগে, না পরে। অফসাইড ফাঁদ এড়িয়ে তিনি বল নিয়ন্ত্রণে নেন এবং ঠান্ডা মাথায় ডান পায়ের শটে বল পাঠান দূরের কোণে। এই গোলের মধ্যে ছিল পুরোনো রোনালদোর ছাপ—দৌড়ের হিসাব, শরীরের ভারসাম্য, গোলরক্ষককে ভুল পথে টেনে নেওয়ার কৌশল এবং শেষ মুহূর্তে নিখুঁত ফিনিশ।

    এই দ্বিতীয় গোল তাঁকে আরেকটি বড় উচ্চতায় তুলে দেয়। ইউজেবিওর সঙ্গে সমতায় থাকা বিশ্বকাপ গোলসংখ্যাকে পেছনে ফেলে রোনালদো পর্তুগালের ইতিহাসে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যান। তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১০। ইউজেবিওর ৯ গোলের রেকর্ড বহু দশক ধরে পর্তুগিজ ফুটবলের গর্ব ছিল। রোনালদো সেটিকে ছাড়িয়ে গেলেন এমন এক রাতে, যখন তাঁকে অনেকেই শেষ দেখছিলেন।

    এটাই রোনালদোর গল্পের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক। তাঁকে যতবার শেষ বলা হয়েছে, তিনি ততবার নতুন করে শুরু করেছেন।

    উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের সামগ্রিক পারফরম্যান্সও ছিল দাপুটে। রবার্তো মার্তিনেসের দল আগের ম্যাচের হতাশা ঝেড়ে ফেলে শুরু থেকেই গতি, চাপ এবং নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেস মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ন্ত্রণ করেন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। ব্রুনো ফের্নান্দেস ছিলেন সৃজনশীলতার কেন্দ্রবিন্দু। জোয়াও ফেলিক্স ও পেদ্রো নেতো দুই প্রান্তে উজবেকিস্তানের রক্ষণভাগকে বারবার ছড়িয়ে দেন। আর যখনই জায়গা তৈরি হয়েছে, রোনালদো সেখানে হাজির ছিলেন।

    পর্তুগালের দ্বিতীয় গোলটি আসে নুনো মেন্দেসের পা থেকে। দারুণ এক সেট-পিস থেকে তিনি বল জালে জড়ান। এই গোল পর্তুগালের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়। উজবেকিস্তান এক সময় ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও তাদের একটি গোল বাতিল হয়। আক্রমণ গড়ে ওঠার আগে জোয়াও কানসেলোর ওপর ফাউল হওয়ায় ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত উজবেকিস্তানের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে, আর পর্তুগাল সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয়।

    দ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা বদলায়নি। পর্তুগাল বল দখলে রাখে, আক্রমণ সাজায়, প্রতিপক্ষকে ভুল করতে বাধ্য করে। ৬০তম মিনিটে কর্নার থেকে চতুর্থ গোল আসে। জোয়াও ফেলিক্সের স্পর্শের পর বল উজবেক রক্ষণে বিভ্রান্তি তৈরি করে এবং শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতী গোলে পরিণত হয়। পরে ৮৭তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা রাফায়েল লেয়াও পর্তুগালের পঞ্চম গোল করেন। নেলসন সেমেদোর ডান দিকের আক্রমণ থেকে পাওয়া বল তিনি দারুণভাবে জালে পাঠান।

    শেষ স্কোর ৫-০। কিন্তু স্কোরলাইনের চেয়েও বড় ছিল বার্তাটি। পর্তুগাল জানিয়ে দিল, প্রথম ম্যাচের ড্র তাদের আসল চেহারা নয়। আর রোনালদো জানিয়ে দিলেন, তাঁকে বাতিল করার আগে এখনও অনেকবার ভাবতে হবে।

    রোনালদো হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন। ম্যাচের শেষ দিকে আরেকটি সুযোগে তিনি খুব কাছে গিয়েছিলেন। এমনকি একটি চিপও গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বয়সের কারণে তাঁর গতি আগের মতো নেই, এটি সত্য। তিনি আর মাঠের প্রতিটি ঘাসের ডগা ছুঁয়ে দৌড়ান না, এটিও সত্য। কিন্তু বক্সের ভেতরে তাঁর ঘ্রাণশক্তি, অবস্থান নেওয়ার দক্ষতা এবং গোলের সামনে স্থিরতা এখনও বিরল।

    এখানেই রোনালদোর বিবর্তন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ বয়সে তিনি ছিলেন গতি, ড্রিবল, দূরপাল্লার শট আর বিস্ফোরক দৌড়ের প্রতীক। রিয়াল মাদ্রিদের সোনালি সময়ে তিনি ছিলেন প্রায় অসম্ভব সব গোলের কারিগর। আর ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে এসে তিনি নিজেকে বদলে ফেলেছেন এক পরিণত পেনাল্টি-বক্স শিকারিতে। এখন তাঁর কাজ সব সময় বল ছোঁয়া নয়; বরং সঠিক মুহূর্তে সঠিক জায়গায় থাকা। অনেকেই এই পরিবর্তনকে দুর্বলতা ভাবেন, কিন্তু আসলে এটি তাঁর টিকে থাকার শিল্প।

    মহান খেলোয়াড়দের বড় বৈশিষ্ট্য হলো, তারা শুধু প্রতিভার ওপর ভর করে দীর্ঘ সময় টিকে থাকেন না। তারা নিজেদের বদলান। সময়ের সঙ্গে লড়েন। শরীর বদলায়, খেলার ধরন বদলায়, কিন্তু ক্ষুধা বদলায় না। রোনালদোর মধ্যেও সেই ক্ষুধা এখনও আগের মতোই প্রবল।

    এই ম্যাচের আরেকটি বিশ্লেষণযোগ্য দিক হলো পর্তুগালের কৌশল। রোনালদোকে কেন্দ্র করে আক্রমণ সাজানো হলেও তাঁকে একা বিচ্ছিন্ন রাখা হয়নি। ব্রুনো ফের্নান্দেস তাঁর পেছনে সৃজনশীল ভূমিকা নিয়েছেন, দুই প্রান্ত থেকে ক্রস ও কাটব্যাক এসেছে, মাঝমাঠ থেকে দ্রুত বল সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে রোনালদোকে বারবার এমন জায়গায় পাওয়া গেছে, যেখানে তাঁর অভিজ্ঞতা সবচেয়ে কার্যকর। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে তিনি যেমন বিচ্ছিন্ন দেখাচ্ছিলেন, উজবেকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ছিলেন আক্রমণের স্বাভাবিক শেষ বিন্দু।

    এটাই একজন ৪১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে ব্যবহার করার সঠিক পথ। তাঁকে তরুণ উইঙ্গারের মতো দৌড়াতে বলা যাবে না। তাঁকে মাঝমাঠে বল তোলার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। তাঁকে দিতে হবে জায়গা, সার্ভিস এবং আক্রমণের কাঠামো। পর্তুগাল সেটিই করেছে। ফলও পেয়েছে।

    এই জয়ে পর্তুগালের গ্রুপ পরিস্থিতিও অনেক শক্ত হলো। দুই ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট দাঁড়ায় ৪। গোল ব্যবধানও বড়ভাবে ইতিবাচক হলো। উজবেকিস্তান টানা দ্বিতীয় হারের পর টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পথে পড়ে যায়। সামনে কলম্বিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের ম্যাচ গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ জয় দলটির আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছে।

    রোনালদোর জন্য রাতটি ছিল ব্যক্তিগত পুনর্জন্মের মতো। কঙ্গোর বিপক্ষে গোলহীন ম্যাচের পর যে সমালোচনা শুরু হয়েছিল, সেটিকে তিনি থামালেন নিজের সবচেয়ে চেনা ভাষায়। তিনি সংবাদ সম্মেলনের বড় বক্তৃতা দেননি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ ব্যাখ্যা দেননি, সমালোচকদের নাম ধরে জবাব দেননি। তিনি শুধু মাঠে নেমেছেন, দুই গোল করেছেন, ইতিহাস লিখেছেন এবং পর্তুগালকে জয়ের পথে রেখেছেন।

    এটাই বড় খেলোয়াড়দের পার্থক্য। সাধারণ খেলোয়াড় সমালোচনায় ভেঙে পড়ে, মহান খেলোয়াড় সমালোচনাকে চ্যালেঞ্জ বানায়। সাধারণ খেলোয়াড় বয়সকে অজুহাত বানায়, মহান খেলোয়াড় বয়সকে নতুন প্রমাণের মঞ্চ বানায়। রোনালদো আবারও দেখালেন, তাঁর ক্যারিয়ার শুধু গোলের সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় না; এটি জেদের, শৃঙ্খলার এবং অসম্ভব আত্মবিশ্বাসের গল্প।

    লিওনেল মেসিকে অনেকেই সর্বকালের সেরা বলেন, এবং সেই আলোচনার নিজস্ব যুক্তি আছে। কিন্তু রোনালদোর জায়গাটাও ফুটবল ইতিহাসে আলাদা। তিনি হয়তো সব সময় সৌন্দর্যের ফুটবল খেলেননি, কিন্তু তিনি প্রতিযোগিতার ভাষা বদলে দিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন, প্রতিভা যত বড়ই হোক, প্রতিদিন নিজেকে প্রমাণ করার ক্ষুধা না থাকলে দীর্ঘ রাজত্ব সম্ভব নয়।

    উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি তাই শুধু পর্তুগালের ৫-০ জয় নয়। এটি ছিল এক মহাতারকার বক্তব্য। ৪১ বছর বয়সেও তিনি বললেন—আমি এখনও আছি। আমি এখনও গোল করতে পারি। আমি এখনও ইতিহাস বদলাতে পারি।

    সমালোচকরা হয়তো আবারও ফিরবেন। পরের ম্যাচে গোল না পেলে আবারও প্রশ্ন উঠবে। কিন্তু রোনালদো জানেন, ফুটবলে শেষ কথা মুখে বলা যায় না। শেষ কথা বলা যায় মাঠে। আর হিউস্টনের সেই রাতে তিনি সেটাই করলেন।

    যারা ভেবেছিলেন, তাঁর সময় শেষ—তাদের জন্য রোনালদোর উত্তর ছিল সহজ, নির্মম এবং সুন্দর: দুই গোল, একাধিক রেকর্ড, আর ৫-০ ব্যবধানের এক দাপুটে জয়।

    মহান খেলোয়াড়রা সমালোচনার জবাব এভাবেই দেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    খেলা

    মেসিকে লেখা ছোট্ট ভক্তের চিঠিই বদলে দিল জীবন

    জুলাই 4, 2026
    খেলা

    মেসির আর্জেন্টিনার সামনে কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষা

    জুলাই 3, 2026
    খেলা

    ভুলে যাওয়া ফুটবল ঐতিহ্য: যে বাংলাদেশ একসময় ইংরেজদেরও হারিয়েছিল

    জুলাই 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.