ক্যালিস: অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সের এক অনন্য দৃষ্টান্ত-
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে স্বীকৃত ক্যালিস চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মঞ্চে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন একাধিকবার। ১৯৯৮ সালে ঢাকায় আয়োজিত প্রথম চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তিন ম্যাচে ১৬৪ রান ও ৮ উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে শিরোপা জিততে বড় ভূমিকা রাখেন। সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরি ও ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন তিনি।

এরপর ২০০৯ সাল পর্যন্ত আরও পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশ নেন ক্যালিস। ১৭ ম্যাচে ৬৫৩ রান ও ২০ উইকেট নেওয়া এই অলরাউন্ডারের পরিসংখ্যানই বলে দেয়, ব্যাটে-বলে সমান পারদর্শিতার কারণেই তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়।
গেইল: বিধ্বংসী ব্যাটিং ও কার্যকর বোলিং-
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ছিলেন ব্যাটিং দানব। ১৭ ম্যাচে ৭৯১ রান সংগ্রহের পাশাপাশি স্পিন বোলিংয়ে নিয়েছেন ১৭ উইকেট।

২০০৪ সালে ইংল্যান্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। ২০০৬ সালে ভারতের মাটিতে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৪৭৪ রান করে হন সেরা খেলোয়াড়। তিনটি সেঞ্চুরি ও ৮ উইকেট নেওয়া গেইলের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স তাঁকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে তুলে ধরে।

শেষ কথা: সেরা কে?
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে সেরা খেলোয়াড় নির্ধারণ করা সহজ নয়। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের বিচারে ক্যালিস- আর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে গেইল।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কমপক্ষে ৪০০ রান ও ১০ উইকেট নেওয়া খেলোয়াড়ের তালিকায় আছেন আরো তিনজন- সনাৎ জয়াসুরিয়া, শেন ওয়াটসন ও শচীন টেন্ডুলকার। তবে গেইল ও ক্যালিসের মতো ধারাবাহিকতা কারও নেই।
তাই চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে সেরা খেলোয়াড়ের মুকুট কাকে দেবেন, সেই সিদ্ধান্তটা আপনারই!

