দুবাইয়ে আজ দুপুর ৩টা থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি অভিযান। প্রথম ম্যাচেই প্রতিপক্ষ ভারত। কাগজে-কলমে শক্তিমত্তার বিচারে ভারত এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বাংলাদেশকে আশাবাদী করে তুলতে পারে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ এগিয়ে-
ওয়ানডে ফরম্যাটে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে ভারত অনেকটাই এগিয়ে। ৩২-৮ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক পাঁচ ম্যাচের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশই এগিয়ে রয়েছে ৩-২ ব্যবধানে। ২০২২ সালের শেষদিকে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে ভারতের বিপক্ষে দুইটি জয় এবং ২০২৩ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মাটিতে আরেকটি জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ধারাবাহিক সাফল্যের আশা-

বাংলাদেশ যখনই ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে জয় পেয়েছে, তখন ধারাবাহিকভাবে আরও কয়েকটি জয় এসেছে। ২০০৪ ও ২০০৭ সালে তিন ম্যাচের মধ্যে দুইবার ভারতকে পরাজিত করেছিল বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে মিরপুরে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছিল টাইগাররা। সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের তিনটিতে জয়ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্যেরই ইঙ্গিত দেয়। ব্যতিক্রম ছিল শুধুমাত্র ২০১২ সালের এশিয়া কাপের জয়টি।
অতীতের প্রতিকূলতা জয়-
একসময় বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ মানেই বড় ব্যবধানে পরাজয় ছিল বাংলাদেশের জন্য। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত প্রথম চার দেখায় ৯ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ। এই চারটি ম্যাচই ছিল এশিয়া কাপে। এরপর ধীরে ধীরে ব্যবধান কমিয়ে আনতে সক্ষম হয় টাইগাররা।
ঐতিহাসিক ১০০তম ম্যাচ-
ভারতের বিপক্ষে টানা ১২ ম্যাচ পরাজয়ের পর ২০০৪ সালে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশের ১০০তম ওয়ানডে, যা দলটির ক্রিকেট ইতিহাসে এক স্মরণীয় মুহূর্ত।
সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে আজকের ম্যাচেও ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে বাংলাদেশ।
পিচ রিপোর্ট-
যারা দুবাইতে ম্যাচ জিতেছে তারা বেশি সফল হয়েছে টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে। পিচ ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যায় তবে ম্যাচের শেষে ডিউ এর প্রভাব থাকায় চেজ করতে নামা দলগুলোর জন্য সুবিধাজনক। তাই টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া দলের জন্য ভালো, কারণ তারা ডিউয়ের প্রভাব পড়ার আগে অবস্থার সুবিধা নিতে পারে।

