দেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আটটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে একশোতে, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে নয়শো ত্রিশে। দুটি মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন ১ হাজার ৩০ ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিনে বলা হয়, রোববার সকাল আটটা থেকে পরবর্তী চব্বিশ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে রাজধানীতেই মারা গেছে চারজন শিশু। এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে বারোশোর বেশি রোগী।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, এই সময়ে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে, তারপর যথাক্রমে চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে তুলনামূলক কম সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামগ্রিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট প্রায় দেড় লাখ রোগী ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশই—প্রায় এক লাখ ছেচল্লিশ হাজারের বেশি—চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
একই সময়ের মধ্যে দেশে হামের সন্দেহজনক রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ তিয়াত্তর হাজারে, যার মধ্যে বিশ হাজারের বেশি রোগীর ক্ষেত্রে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

