Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, অক্টো. 2, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১,১১০ জন
    স্বাস্থ্য

    হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১,১১০ জন

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 1, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সারা দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১০ জনে। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাড়ে ছয় মাসে প্রাণহানি এক হাজার ছাড়িয়ে যাওয়া ইঙ্গিত দেয়, প্রকোপ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি এবং এর বড় অংশের শিকার শিশুরা।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩২ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হামরোগী ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৩ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৬০২ জন, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৮২ জন। দৈনিক এক হাজারের বেশি সন্দেহজনক রোগী মানে সংক্রমণ এখনো উচ্চ হারে চলছে। তবে মোট সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে নিশ্চিত হয়েছেন প্রায় ১১ শতাংশ। এর অর্থ এই নয় যে বাকিরা হামে আক্রান্ত নন। সব সন্দেহজনক রোগীর নমুনা পরীক্ষা হয় না, ফলে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা প্রকৃত সংক্রমণের চেয়ে কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পরীক্ষার পরিধি কতটা এবং কত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, বিজ্ঞপ্তিতে সে তথ্য নেই।

    মৃত্যুর হিসাবে দুটি ভাগ আছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ১ হাজার ৯ শিশু এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০১ জনের, যোগফল ১ হাজার ১১০। গত ২৪ ঘণ্টার দুটি মৃত্যুই সন্দেহজনক হামে, নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এখানে লক্ষণীয়, মৃত্যুর প্রায় ৯১ শতাংশ সন্দেহজনক ক্যাটাগরিতে, যাদের হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়নি। এর কারণ হতে পারে, গুরুতর অসুস্থ শিশুর মৃত্যুর আগে নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষার সময় পাওয়া যায়নি, কিংবা পরীক্ষার ফল আসার আগেই মৃত্যু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় না হলে হামের সত্যিকারের ক্ষতির চিত্র অস্পষ্ট থেকে যায়।

    সামগ্রিক সংখ্যাকে অনুপাতের দিক থেকে দেখলে সন্দেহজনক রোগীর তুলনায় মৃত্যুহার প্রায় শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি এক হাজার সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে ছয়জনের মতো মারা গেছে। নিশ্চিত রোগীর ক্ষেত্রে মৃত্যুহার প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। হার ছোট দেখালেও এত বড় সংখ্যক রোগীর কারণে প্রাণহানি এক হাজারের বেশি, আর হাম টিকায় প্রতিরোধযোগ্য রোগ বলে প্রতিটি মৃত্যুই প্রশ্ন তোলে। কোন বয়সের, কোন অঞ্চলের এবং টিকা নেওয়া ছিল কি না, তা জানা না গেলে ঝুঁকির মূল জায়গা শনাক্ত করা কঠিন। বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নেই।

    চিকিৎসার চিত্রে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৩ জন। ভর্তি ও ছাড়পত্রের ব্যবধান প্রায় ৬ হাজার ৯০০। এর একটি অংশ এখনো চিকিৎসাধীন থাকতে পারে, আর কিছু রোগী মারা গেছেন বা অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত হয়েছেন, তবে বিজ্ঞপ্তিতে এই ব্যবধানের হিসাব দেওয়া হয়নি। ভর্তি রোগী ও মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যার তফাত থেকে বোঝা যায়, প্রায় ২২ হাজার রোগী হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বাড়িতে বা অন্যত্র চিকিৎসা নিয়েছেন। এমন রোগীর অবস্থা অবনতি হলে দেরিতে হাসপাতালে পৌঁছানোর ঝুঁকি থাকে, যা মৃত্যুর একটি কারণ হতে পারে।

    সব মিলিয়ে হামের এই পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর সতর্কসংকেত। দৈনিক এক হাজারের বেশি সন্দেহজনক রোগী এখনো শনাক্ত হচ্ছে, আর মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এ অবস্থায় টিকাদান কর্মসূচির আওতা ও বাদ পড়া শিশুদের হালনাগাদ তথ্য, মৃত্যুর কারণ ও বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং নমুনা পরীক্ষার সক্ষমতা প্রকাশ করা জরুরি। বিজ্ঞপ্তিতে সংক্রমণ রোধে নতুন কোনো পদক্ষেপ বা টিকা অভিযানের কথা উল্লেখ নেই। অভিভাবকদের জন্য সতর্কতার বার্তা হলো, শিশুর জ্বর, গায়ে লালচে ফুসকুড়ি, কাশি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং টিকা না নিয়ে থাকলে দ্রুত তা সম্পন্ন করা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরবর্তী দৈনিক বিজ্ঞপ্তিতে রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা কমে কি না, সেদিকেই এখন নজর থাকবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    শহর আছে, টয়লেট নেই; ঢাকার নাগরিক জীবনের নীরব সংকট

    অক্টোবর 1, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ডে প্রাণঘাতী ইনজেকশন ব্যর্থ, পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

    অক্টোবর 1, 2026
    স্বাস্থ্য

    ডেঙ্গুতে সেপ্টেম্বরে রেকর্ড ১৪৮ মৃত্যু, অক্টোবরেও বাড়তে পারে ঝুঁকি

    অক্টোবর 1, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.