Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, এপ্রিল 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » হামলার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ২৭০ বিলিয়ন ডলার চায় ইরান
    আন্তর্জাতিক

    হামলার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ২৭০ বিলিয়ন ডলার চায় ইরান

    হাসিব উজ জামানএপ্রিল 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান এবার যুদ্ধক্ষতির আর্থিক হিসাব সামনে এনে নতুন এক কূটনৈতিক চাপ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য ইরান এখন প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। শুধু প্রতীকী অবস্থান নয়, তেহরান এই দাবিকে ভবিষ্যৎ আলোচনার কেন্দ্রীয় বিষয়ে পরিণত করতে চাইছে। ফলে সংঘাত এখন আর কেবল যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ধীরে ধীরে অর্থনীতি, কূটনীতি, অবকাঠামো, জনজীবন এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের প্রশ্নেও পরিণত হচ্ছে।

    মঙ্গলবার জাতিসংঘে নিযুক্ত তেহরানের দূত বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ইরানের অভিযোগ, তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করেই হামলা চালানো হয়েছে। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তেহরান একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে—যে সংঘাতকে এতদিন অনেকেই দুই বা তিন পক্ষের সামরিক বিরোধ হিসেবে দেখছিলেন, ইরান সেটিকে এখন একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন হিসেবে তুলতে চাইছে।

    এই অবস্থানকে আরও শক্ত করতে ইরান হরমুজ প্রণালী ঘিরে একটি বিশেষ প্রটোকলের ধারণাও সামনে এনেছে। পরিকল্পনা হচ্ছে, এই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর শুল্ক বা কর আরোপের ব্যবস্থা করা। এর তাৎপর্য খুবই বড়। কারণ হরমুজ প্রণালী বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল পথ। অর্থাৎ, ক্ষতিপূরণ আদায়ে ইরান কেবল বক্তব্যে থেমে থাকতে চাইছে না; বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথকে চাপের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    ইরানের সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেন, পাকিস্তানে গত সপ্তাহে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনায় ক্ষতিপূরণের প্রসঙ্গ এসেছে, এবং ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য আলোচনাতেও বিষয়টি আবার তোলা হবে। এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরান যুদ্ধবিরতি বা আলোচনাকে নিছক উত্তেজনা কমানোর প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে না; বরং ক্ষতির আর্থিক স্বীকৃতি আদায়ের ক্ষেত্র হিসেবেও ব্যবহার করতে চাইছে।

    তবে এই ক্ষতির পরিমাণ কেবল সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। ইরান জানাচ্ছে, তারা এখনো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ মূল্যায়ন করছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে সামরিক কমপ্লেক্স, তেল ও গ্যাস স্থাপনা, পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি, ইস্পাত কারখানা এবং অ্যালুমিনিয়াম কারখানা। এগুলোর পুনর্নির্মাণে বহু বছর সময় লাগবে বলেও জানিয়েছে দেশটি। এর পাশাপাশি সেতু, বন্দর, রেলওয়ে নেটওয়ার্ক, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা কেন্দ্র, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং পানি শোধন প্ল্যান্টেও সরাসরি আঘাত লেগেছে। হাসপাতাল, স্কুল এবং বেসামরিক ঘরবাড়ির ক্ষতি পরিস্থিতিকে আরও মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

    এই জায়গাটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষতি অনেক সময় ধ্বংস হওয়া স্থাপনার সংখ্যা দিয়ে বোঝা যায় না; বোঝা যায় একটি রাষ্ট্রের দৈনন্দিন সক্ষমতা কতটা ভেঙে পড়েছে তা দিয়ে। যখন বিদ্যুৎ, পানি, পরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিল্প উৎপাদন একসঙ্গে চাপে পড়ে, তখন ক্ষয়ক্ষতি দ্রুত অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে রূপ নেয়। ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি সেই দিকেই যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।

    মোহাজেরানি স্বীকার করেছেন, বিদ্যমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের ধ্বংস হওয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো সম্পদ সরকারের হাতে নেই। এই স্বীকারোক্তি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি দেখিয়ে দিচ্ছে, যুদ্ধক্ষতির প্রশ্নে তেহরানের কড়া রাজনৈতিক অবস্থানের পেছনে দেশের ভেতরের আর্থিক দুর্বলতাও বড় ভূমিকা রাখছে। রাষ্ট্র যখন নিজের নাগরিকদের সহায়তা দিতেই হিমশিম খায়, তখন বাইরের শক্তির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি আরও বেশি রাজনৈতিক প্রয়োজন হয়ে ওঠে।

    বিমান চলাচল খাতের চিত্রও একইভাবে উদ্বেগজনক। অ্যাসোসিয়েশন অব ইরানিয়ান এয়ারলাইন্সের সেক্রেটারি মাকসুদ আসাদি সামানি জানিয়েছেন, ৬০টি বেসামরিক বিমান বিকল হয়ে পড়েছে, যার মধ্যে ২০টি বিমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমানে ইরানের মাত্র ১৬০টির মতো যাত্রীবাহী বিমান চালু রয়েছে। এগুলোর বেশিরভাগই বহু পুরোনো, আর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে যন্ত্রাংশের সংকট থাকায় সেগুলো সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    এখানে শুধু যুদ্ধের আঘাত নয়, পুরোনো নিষেধাজ্ঞার অভিঘাতও স্পষ্ট। অর্থাৎ, ইরানের বিমান খাত যুদ্ধের আগেই দুর্বল ছিল; হামলা এসে সেই দুর্বলতাকে গভীর সংকটে পরিণত করেছে। সামানি আরও বলেন, মার্চ মাসের শেষের দিকে নওরোজ বা পারস্য নববর্ষের ছুটিকে কেন্দ্র করে যে আয় হওয়ার কথা ছিল, তার বড় অংশই হারিয়ে গেছে। যুদ্ধের ৪০ দিনে বিমান সংস্থাগুলোর ক্ষতি ৩০০ ট্রিলিয়ন রিয়াল, যা বর্তমান বিনিময় হারে প্রায় ১৯০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তেহরান, তাবরিজ, উর্মিয়া এবং খুররমাবাদসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; রানওয়ে, নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার এবং হ্যাঙ্গার বারবার হামলার শিকার হয়েছে।

    এত বড় ধাক্কার পরও ইরান আলোচনায় বড় ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়—এমন ইঙ্গিতও মিলছে। সোমবার থেকে ইরানি বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু হলেও তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় তারা সহজে নরম হবে না, এমনকি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের প্রশ্নেও নয়। কট্টরপন্থী নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেছেন, গত সপ্তাহে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি আর বাড়ানো উচিত নয়। তার যুক্তি, এতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নিজেদের অস্ত্রভান্ডার পুনরায় পূরণ করার সুযোগ পাবে।

    এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, ইরানের ভেতরে এখন দুটো সমান্তরাল বাস্তবতা কাজ করছে। একদিকে দেশটির অর্থনীতি প্রচণ্ড চাপে, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, মানুষ দুর্ভোগে; অন্যদিকে ক্ষমতার ভেতরের কট্টর অংশ মনে করছে, এই মুহূর্তে আপস দেখানো কৌশলগত দুর্বলতা হিসেবে দেখা হবে। ফলে তেহরানের অবস্থান যতটা বাস্তবতার দ্বারা চালিত, ততটাই চালিত অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার রাজনীতি দ্বারা।

    স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইরান সামরিক খাতে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছিল। ওই বছরের অক্টোবরে ইসরায়েলের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই বাজেট তিনগুণ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু একই সময়ে অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি বহু বছর ধরেই তীব্র বাজেট সংকটে আছে। অর্থাৎ, ইরানের সামনে এখন এক কঠিন দ্বন্দ্ব—রাষ্ট্র কি যুদ্ধের প্রস্তুতিতে অর্থ ঢালবে, নাকি বিধ্বস্ত অর্থনীতি ও জনজীবন সামলাবে?

    এই পুরো সংকটকে আরও জটিল করেছে ইন্টারনেট প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত। এতে ৯ কোটিরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সাত সপ্তাহ ধরে চলা এই অবস্থা শুধু যোগাযোগব্যবস্থাকেই বিপর্যস্ত করেনি, বরং অর্থনীতির ভেতরের ক্ষয়ও বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই, ব্যবসায়িক সুযোগ হারানো এবং মানুষের মত প্রকাশের পথ সংকুচিত হয়ে আসা—সব মিলিয়ে এটি যেন আরেক ধরনের অবরোধ, যা রাষ্ট্র নিজেই নিজের ওপর চাপিয়েছে।

    ইরান চেম্বার অব কমার্সের একটি কমিশনের প্রধান আফশিন কোলাহি সোমবার রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি নির্বাহীদের সঙ্গে এক ভিডিও সম্মেলনে বলেন, এই শাটডাউনের কারণে প্রতিদিন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে তেহরানের কাছে একটি প্রধান সেতুতে মার্কিন-ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ইন্টারনেট শাটডাউনে প্রতিদিন যে ক্ষতি হচ্ছে, তা চারটি বি-১ সেতু অথবা দুটি মাঝারি বিদ্যুৎকেন্দ্র হারানোর সমান। তার এই মন্তব্যের ভেতরে এক ধরনের তীব্র আত্মসমালোচনাও আছে—বাইরের হামলা একদিকে, কিন্তু নিজের নেওয়া সিদ্ধান্তেও দেশ একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    এর আগে গত জানুয়ারিতে দেশব্যাপী সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার সময় সরকার ২০ দিনের জন্য ইন্টারনেট প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছিল। তখনও বলা হয়েছিল, অনেক অনলাইন ব্যবসা ইন্টারনেট ছাড়া তিন সপ্তাহের বেশি টিকে থাকতে পারবে না। এখন আবার একই বাস্তবতা ফিরে আসছে, তবে আরও খারাপ মাত্রায়।

    সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, পুরোদমে ইন্টারনেট সচল হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। বরং সরকার এখন স্তরভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর পথে যাচ্ছে। কিছু ব্যবসায়ী প্রতিনিধিকে বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য নাম নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষকে স্থানীয় ইন্ট্রানেটের মধ্যেই আটকে রাখা হচ্ছে। আবার যাদের যোগ্য ধরা হচ্ছে, তাদের জন্য টেলিকম কোম্পানিগুলো বেশি খরচের একটি বিশেষ সেবা দিচ্ছে। অর্থাৎ, ইন্টারনেটও ধীরে ধীরে এক ধরনের বৈষম্যমূলক সুবিধায় পরিণত হচ্ছে—যেখানে সবার প্রবেশাধিকার সমান নয়।

    এতে শুধু অর্থনীতি নয়, নাগরিক জীবনের ভিত্তিও বদলে যায়। মত প্রকাশের জায়গা সংকুচিত হয়, তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হয়, অনলাইন ব্যবসা অচল হয়ে পড়ে, আর কালোবাজারি বাড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিপিএন ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে সংযোগের বিকল্প পথ বিক্রি করে এমন অনিয়ন্ত্রিত বাজার এখনো সক্রিয়। অর্থাৎ, রাষ্ট্র যত বেশি নিয়ন্ত্রণ চাপাচ্ছে, ততই অদৃশ্য বিকল্প বাজার তৈরি হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে ইরানের বর্তমান অবস্থাকে তিনটি স্তরে দেখা যায়। প্রথমত, যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ধ্বংস—যেখানে অবকাঠামো, শিল্প, বিমানবন্দর, হাসপাতাল, স্কুল ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক চাপ—যেখানে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো সক্ষমতাও রাষ্ট্রের হাতে কমে এসেছে। তৃতীয়ত, নীতিগত সংকট—যেখানে সরকার বাইরের হামলার পাশাপাশি নিজেদের সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা, দিয়ে ভেতরের ক্ষত আরও বাড়িয়ে তুলছে।

    এই কারণেই ২৭০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণের দাবি কেবল একটি অঙ্ক নয়; এটি ইরানের বর্তমান রাষ্ট্রিক অবস্থার প্রতীক। তেহরান এই দাবির মাধ্যমে বিশ্বকে জানাতে চাইছে যে হামলার মূল্য কেবল সামরিক নয়, অর্থনৈতিকও; কেবল রাষ্ট্রের নয়, সাধারণ মানুষেরও। কিন্তু একই সঙ্গে প্রশ্ন থাকছে—ক্ষতিপূরণ আদায়ের এই কৌশল কি বাস্তবে ফল দেবে, নাকি এটি মূলত আলোচনার টেবিলে চাপ বাড়ানোর এক রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেই ব্যবহৃত হবে?

    যুদ্ধবিরতি, মধ্যস্থতা, ক্ষতিপূরণ, নৌ-অবরোধ, বাজেট সংকট, বিমান চলাচলের ভাঙন, আর ইন্টারনেট অচলাবস্থা—সবকিছু মিলিয়ে ইরান এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তের মূল্য খুব বড়। সামনে আলোচনার পথ খুললেও তেহরান যে সহজে পিছু হটবে না, এই প্রতিবেদন থেকে সেই ইঙ্গিতই সবচেয়ে স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইন্দোনেশিয়ায় মর্মান্তিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ যাত্রীর সবাই নিহত

    এপ্রিল 17, 2026
    বিশ্লেষণ

    রুশ তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে কেন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হয়?

    এপ্রিল 17, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইসলামাবাদে হতে পারে বড় কূটনৈতিক চমক

    এপ্রিল 17, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.