Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, এপ্রিল 19, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ধনীরা কিনে নিচ্ছে তেল, বঞ্চিত হচ্ছে গরিব দেশ
    আন্তর্জাতিক

    ধনীরা কিনে নিচ্ছে তেল, বঞ্চিত হচ্ছে গরিব দেশ

    হাসিব উজ জামানএপ্রিল 19, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্ব আরেকটি বড় জ্বালানি সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, আর এই সংকটে বাজারকে একা সিদ্ধান্ত নিতে দিলে শেষ পর্যন্ত ধনীরা টিকে থাকবে, গরিবরা ছিটকে পড়বে। লেখাটির মূল যুক্তি হচ্ছে, তেলকে শুধু ক্রয়ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় ছেড়ে দিলে তা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করে না; বরং যাদের পকেট ভারী, তারা বেশি দাম দিয়ে জ্বালানি কিনে নেবে, আর দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলো ঘাটতি, মূল্যস্ফীতি ও সামাজিক চাপের মুখে পড়বে।

    বর্তমান উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালি। ইরানের বন্দরমুখী ও বন্দরত্যাগী সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, যদি ইরানের সমুদ্রপথে রপ্তানি বন্ধ হয় এবং এর সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রপ্তানিও ব্যাহত হয়, তাহলে বিশ্ববাজারে লেনদেন হওয়া মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২৫% অনুপস্থিত হয়ে যেতে পারে। এই একটি সংখ্যাই বোঝানোর জন্য যথেষ্ট যে বিষয়টি কেবল আঞ্চলিক উত্তেজনা নয়; এটি বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি, শিল্প, পরিবহন, খাদ্যদাম এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর সরাসরি আঘাত হানতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ নিজস্ব তেল উৎপাদনের বদলে আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এই ধাক্কা সবচেয়ে কঠিন হবে। ইতিমধ্যে এশিয়া ও আফ্রিকার কিছু দেশে জ্বালানি ঘাটতির চাপ দেখা যাচ্ছে—এবং লেখাটির ভাষ্য অনুযায়ী, সামনে তা আরও বাড়তে পারে।

    এই জায়গাতেই আলোচনাটি কেবল সংবাদ নয়, অর্থনৈতিক ন্যায্যতার প্রশ্নে পরিণত হয়। কারণ সংকটের সময় বাজারদরকে চূড়ান্ত বিচারক বানালে কী হয়, তা গত কয়েক বছরে বিশ্ব বহুবার দেখেছে। যখন দামে আগুন লাগে, তখন ধনী দেশগুলো উচ্চমূল্য দিয়েও জ্বালানি কিনে নিতে পারে। কিন্তু নিম্নআয়ের দেশগুলোর সামনে তখন দুটি পথ থাকে: হয় তারা বেশি দাম দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেষ করবে, নয়তো জ্বালানি কম কিনে শিল্প, বিদ্যুৎ ও দৈনন্দিন জীবন সংকুচিত করবে। ফলে বাজারের নামে একটি অদৃশ্য বৈষম্য কাজ করে—যেখানে তেল শেষ পর্যন্ত সেই দেশেই যায়, যাদের কেনার ক্ষমতা বেশি। মানবিক প্রয়োজন, সামাজিক ভারসাম্য, কিংবা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সেখানে গৌণ হয়ে পড়ে।

    এই আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মূল্য অস্থিরতার ব্যাখ্যা। লেখকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যে দামের উল্লম্ফন দেখা গেছে, তা সবসময় সরবরাহ-চাহিদার ঠাণ্ডা হিসাবের ফল নয়। বরং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ, রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তার মতো ঘটনাও বাজারকে অতিরিক্তভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ, এখানে কেবল বাস্তব ঘাটতি নয়, আতঙ্ক, জল্পনা আর রাজনৈতিক উত্তেজনাও মূল্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখছে। এ কারণেই বাজারকে সম্পূর্ণ স্বাধীন রেখে দিলে তা অনেক সময় যুক্তিসংগত বণ্টন না করে আতঙ্ক-চালিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

    এই বাস্তবতার মধ্যেই প্রস্তাব এসেছে—বিশ্বের তেল আমদানিকারক দেশগুলোকে নিয়ে একটি বহুপাক্ষিক ক্রেতা-জোট গড়া। সহজ ভাষায়, যে দেশগুলো তেল কিনে, তারা যদি আলাদা আলাদা প্রতিযোগিতা না করে বরং একসঙ্গে দরকষাকষি করে, তাহলে বাজারে তাদের যৌথ শক্তি তৈরি হবে। লেখাটির মতে, এই জোটের প্রথম নেতৃত্ব নেওয়া উচিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের। কারণ বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল আমদানির ২৩% ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮ সদস্যদেশের হাতে। আগের সংকটে তারা গ্যাসের জরুরি মূল্যসীমা বেঁধে দেওয়ার অভিজ্ঞতাও দেখিয়েছে। তবে এবার ঘাটতি আরও বড়, আর তেল বিশ্ববাজারে আরও বেশি বিনিময়যোগ্য; তাই শুধু ইউরোপকে নয়, অন্য বড় আমদানিকারক দেশগুলোকেও যুক্ত করতে হবে। অংশগ্রহণ যত বাড়বে, এই ব্যবস্থার শক্তিও তত বাড়বে।

    এখানে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সিঙ্গাপুরের মতো পরিশোধনক্ষম উচ্চআয়ের দেশগুলোর নাম গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ তারা আমদানিকৃত তেল প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা রাখে এবং বাজারে বাস্তব প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্যও এতে যোগ দেওয়ার শক্তিশালী প্রণোদনা আছে। কেননা তারা একা উচ্চআয়ের দেশগুলোর সঙ্গে দামের প্রতিযোগিতায় পারবে না। অর্থাৎ এই জোট একদিকে শক্তিধর ক্রেতাদের দরকষাকষির ক্ষমতা একত্র করবে, অন্যদিকে দুর্বল দেশগুলোকেও বাঁচার একটি কাঠামো দেবে। এ জায়গাটিই প্রস্তাবটির সবচেয়ে মানবিক দিক।

    চীনের প্রশ্নটি এখানে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। লেখাটিতে বলা হয়েছে, চীন একাই বিশ্বের মোট তেল আমদানির ২৩% ধরে রাখে। যদি চীনও এই ক্রেতা-জোটে যোগ দেয়, তাহলে জোটটি কার্যত বৈশ্বিক বাজারের ওপর শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। ২০২৩ সালের পূর্ণাঙ্গ বৈশ্বিক তথ্য অনুযায়ী, নীট আমদানিকারক দেশগুলো বিশ্বে বাণিজ্য হওয়া অপরিশোধিত তেলের সামান্য বেশি ৮০% কিনেছে। এই সংখ্যা বোঝায়, আমদানিকারক দেশগুলো একসঙ্গে থাকলে তারা চাহিদাপক্ষের একচ্ছত্র প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হতে পারে। সাধারণত আমরা একচেটিয়া শক্তির কথা বললে বিক্রেতার কথা ভাবি; এখানে উল্টোভাবে ক্রেতার যৌথ শক্তিকে কাজে লাগানোর কথা বলা হচ্ছে। অর্থাৎ, বাজারে দাম নির্ধারণের খেলায় শুধু উৎপাদকদেরই নয়, বড় ক্রেতাদেরও বড় ভূমিকা থাকতে পারে।

    প্রস্তাবিত জোটের সবচেয়ে আলোচিত অংশ হলো মূল্যসীমা। লেখকদের মতে, শারীরিক সরবরাহের জন্য তেলের দাম এমন এক পর্যায়ে বাঁধা যেতে পারে, যা রপ্তানিকারকদের কাছেও আকর্ষণীয় থাকবে—ধরা যাক প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার। তুলনা হিসেবে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কা সম্প্রতি সরবরাহকৃত তেলের জন্য প্রতি ব্যারেল ২৮৬ ডলার দিয়েছে, আর ইউরোপীয় ক্রেতারা উত্তর সাগরের অপরিশোধিত তেলের জন্য এখন ১৫০ ডলার দিচ্ছে। এই তুলনা দেখায়, বাজারের আতঙ্ক যখন চরমে ওঠে, তখন মূল্যসীমাহীন পরিস্থিতিতে দর কেমন অস্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। সেখানেই ১০০ ডলারের সীমা কেবল ব্যবসায়িক সমঝোতা নয়, অস্থিরতা কমানোর একটি উপায় হিসেবেও ভাবা হচ্ছে।

    তবে শুধু দাম বেঁধে দিলেই সমস্যা মিটবে না; বণ্টনের প্রশ্নও আছে। লেখাটির প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নআয়ের দেশগুলো যেহেতু বৈশ্বিক আমদানির মাত্র ০.১% অংশীদার, তাই তাদের যুদ্ধপূর্ব আমদানি-পরিমাণ বজায় রাখতে দেওয়া উচিত। আর যদি বিশ্ববাজার থেকে প্রায় ২৫% সরবরাহ হারিয়ে যায়, তাহলে অন্য সব দেশ যুদ্ধপূর্ব আমদানির তুলনায় সমান হারে ২৫% কমাবে। এই প্রস্তাবের যুক্তি স্পষ্ট: যাদের চাহিদা খুব কম এবং যাদের জনগণ সবচেয়ে ঝুঁকিতে, তাদের ওপর সমান কাঁচি চালানো ন্যায্য হবে না। এর বদলে বড় ভোক্তাদের ওপর বেশি দায়িত্ব পড়া উচিত। বাস্তবে এটি শুধু অর্থনৈতিক নীতি নয়, বৈশ্বিক নৈতিকতারও পরীক্ষা।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা। জোটের সদস্যদের জন্য প্রস্তাব হচ্ছে, তারা অতিরিক্ত মুনাফা করতে পারবে না; বরং যুদ্ধ-পূর্ব স্বাভাবিক মুনাফার সীমায় থেকে নিজেদের দেশের ক্রেতা ও জোটের অন্য সদস্যদের কাছে জ্বালানি সরবরাহ করবে। এতে ডিজেল বা রান্নার গ্যাসের মতো পরিশোধিত জ্বালানির মূল্যসীমাও ধরে রাখা সম্ভব হবে। কারণ শুধু অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেই হবে না, শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যে পণ্য ব্যবহার করে তার দামে স্বস্তি না এলে নীতির সামাজিক ফল মিলবে না।

    এই জোট সফল করতে হলে সদস্যদের একটি বড় প্রতিশ্রুতিও দিতে হবে: তারা যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের পরিশোধিত জ্বালানি রপ্তানি বজায় রাখবে। কারণ সবাই মিলে কম দামে তেল কিনে নিয়ে পরে যদি কেউ নিজের দেশে বেশি ধরে রাখে, তাহলে পুরো ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। অর্থাৎ এখানে কাগুজে ঐক্য নয়, বাস্তব সংহতি দরকার। জোটটি চাইলে বাইরের দেশ থেকে আমদানি হওয়া পরিশোধিত তেলজাত পণ্যেও বিস্তৃত হতে পারে। এতে বাজারের ফাঁকফোকর কমবে এবং সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়বে।

    লেখাটি শুধু আমদানিকারকদের কথাই বলেনি; রপ্তানিকারক দেশগুলোকেও এতে টানার সম্ভাবনার কথা বলেছে। উদাহরণ হিসেবে অ্যাঙ্গোলা ও ইকুয়েডরের কথা এসেছে—এরা অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করলেও পরিশোধিত তেলপণ্য আমদানি করে। ফলে তারা যদি জোটে যোগ দেয়, তাহলে কম দামে জ্বালানি পণ্যের সুবিধা পেতে পারে। আরও বড় কথা, অনেক রপ্তানিকারক দেশ চাইতে পারে তাদের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মূল্য জোটের দামের সঙ্গে বেঁধে রাখতে, যাতে বিশ্ববাজারের উঁচু দাম তাদের নিজ দেশের ভোক্তাদেরও কষ্ট না দেয়। আর যদি এই ব্যবস্থায় প্রতি ব্যারেল ৬৫ ডলারের একটি নিম্নসীমাও থাকে, তবে রপ্তানিকারকেরাও ভবিষ্যতের দামে একটি স্থিতি পাবে। দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহচুক্তিতে এই নিম্নসীমা লিখে দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে এসেছে। এর মানে, এটি কেবল সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধান নয়; বরং বাজারকে চরম ওঠানামা থেকে রক্ষা করার একটি কাঠামোও হতে পারে।

    এই প্রস্তাবের সম্ভাব্য সুফলও লেখায় স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রথমত, এটি মানুষের জীবিকা রক্ষা করতে পারে। কারণ জ্বালানির দাম বাড়লে শুধু গাড়ির তেল নয়, বিদ্যুৎ, খাদ্য পরিবহন, শিল্প উৎপাদন—সবকিছুর খরচ বেড়ে যায়। দ্বিতীয়ত, এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। তৃতীয়ত, মন্দার চাপ কমাতে পারে। আর্থিক সাশ্রয় হলে সেই অর্থ স্বল্পব্যয়ী ও স্বল্প-কার্বন বিকল্প জ্বালানির বিস্তারে ব্যবহার করা যেতে পারে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, বিদ্যুতায়ন, এমনকি গণপরিবহন বিনা ভাড়ায় করার মতো ভাবনাও এখানে এসেছে। অর্থাৎ এই জোট কেবল একটি জরুরি প্রতিরক্ষা-কৌশল নয়; সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে এটি জ্বালানি রূপান্তরের পথও দ্রুত করতে পারে।

    এখানে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক যুক্তি আছে: এই জোট ঘাটতি তৈরি করবে না, কারণ ঘাটতি তো আগেই তৈরি হয়ে গেছে। জোটের কাজ হবে সেই ঘাটতির ব্যথা কে কতটা বহন করবে, তা তুলনামূলক ন্যায্যভাবে ভাগ করা। বাজারের অন্ধ প্রতিযোগিতায় যেটি ঘটে—ধনীরা সব কিনে নেয়, গরিবরা বাদ পড়ে—এই জোট সেটি ঠেকাতে পারে। অর্থাৎ এটি অভাব দূর করার জাদু নয়; বরং অভাবের সময়ে অবিচার কমানোর একটি রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পদ্ধতি।

    সমালোচকেরা হয়তো বলবেন, এমন বহুপাক্ষিক জোট এখন কল্পনাবিলাস। কিন্তু লেখাটিতে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ধারণাটি একেবারে নতুন নয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রদেশগুলোর মধ্যে কাঁচামাল বণ্টনের জন্য অনুরূপ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছিল। তাই ইতিহাস বলছে, চরম সংকটের সময়ে প্রচলিত বাজারনীতির বাইরে গিয়েও রাষ্ট্রগুলো নতুন প্রতিষ্ঠান ও নতুন সমঝোতা তৈরি করতে পারে। আজকের ভাঙা বিশ্বব্যবস্থায় সেটিই আবার দরকার হতে পারে।

    সবশেষে, এই প্রস্তাবকে শুধু অর্থনৈতিক হিসাব দিয়ে বিচার করলে ভুল হবে। এটি আসলে বিশ্বরাজনীতিরও একটি পরীক্ষা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি ন্যায্য বণ্টনকে সামনে রেখে নেতৃত্ব নেয়, তবে তা কেবল তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতার পরিচয় দেবে না; বরং দেখাবে যে এখনও এমন আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সম্ভব, যেখানে প্রতিযোগিতার বদলে সহযোগিতা, প্রভাব বিস্তারের বদলে স্থিতি, আর শক্তির বদলে ন্যায্যতার প্রশ্ন সামনে আনা যায়। বিশ্বব্যবস্থা যতই টালমাটাল হোক, জ্বালানি সংকটের মতো কঠিন সময়ে মানবিক ও ন্যায্য সমাধানের জন্য সেই সাহসটাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া

    এপ্রিল 19, 2026
    আন্তর্জাতিক

    লেবাননে অভিযানের নামে ভয়াবহ হামলা, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও থামছে না ধ্বংস

    এপ্রিল 19, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের পারমাণবিক অধিকার সীমিত করার ক্ষমতা নেই ট্রাম্পের

    এপ্রিল 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.