Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ‘চার ফুট লাফ দিয়ে যেতে হতো’, বাঁধ পেরিয়ে যেভাবে স্কুলে যেত মধ্যপ্রদেশের শিক্ষার্থীরা
    ফিচার

    ‘চার ফুট লাফ দিয়ে যেতে হতো’, বাঁধ পেরিয়ে যেভাবে স্কুলে যেত মধ্যপ্রদেশের শিক্ষার্থীরা

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 12, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    দীর্ঘদিন ধরেই এভাবে ঝুঁকি নিয়ে বাঁধ পারাপার করে ওই স্কুল পড়ুয়ারা। ছবি: বিবিসি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ভারতের মধ্যপ্রদেশে বাঁধের পিলার লাফিয়ে পার হচ্ছে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা, এরকম একটা ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটা মধ্য প্রদেশের বিদিশা জেলার পালোহ গ্রামের।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল বাচ্চারা কীভাবে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় একটি বাঁধের মাঝে থাকা এক পিলার থেকে অন্য পিলারে লাফিয়ে লাফিয়ে পার হচ্ছে।

    বিষয়টা খতিয়ে দেখতে গ্রামে গিয়েছিল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেছে। তারা জানিয়েছেন আজ নয়, গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা গত সাত-আট বছর ধরে এভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাচ্ছে। এর আগে প্রশাসনকে জানিয়েও বিশেষ লাভ হয়নি।

    তবে স্কুল পড়ুয়াদের ওই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় প্রশাসন, রাজ্য সরকার এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৎপর হয়েছে। প্রশাসনের তরফে ওই বাঁধের স্তম্ভের উপর লোহার পাটাতন বসানো হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামেই নবম ও দশম শ্রেণির পঠন-পাঠন শুরু করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। যে পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার জন্য নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে হতো তাদের বান্ধেরা গ্রামে ভর্তি করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সাতই অগাস্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রদেশ সরকারকে নোটিশ জারি করে দুই সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহের বুধবার মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টও স্থানীয় প্রশাসনের পরিদর্শন প্রতিবেদন তলব করেছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

    ‘প্রায় চার ফুট লাফাতে হতো’

    ‘স্টপ ড্যামে’র তীরে দাঁড়িয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্র দেব শর্মা। এক বছর আগে স্কুলে যাওয়ার জন্য এই বাঁধের উপর দিয়েই যেতে হতো তাকে।

    ‘স্টপ ড্যাম’ হলো খাল বা ছোট নদীর উপর নির্মিত স্বল্প উচ্চতার বাঁধ। এই ‘স্টপ ড্যাম’ সেচের জন্য জল সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ জলের স্তর বৃদ্ধি এবং শুষ্ক সময়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের জলের জোগান দিতে ব্যবহার করা হয়।

    দেব শর্মার কথায়, “আমিও ওই হাই স্কুলেই নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়েছি। সেই সময়ে আমিও এই বাঁধের উপর তৈরি পিলারগুলোর উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে স্কুলে যেতাম। আমাকে প্রায় চার ফুট লাফাতে হতো।”

    বিদিশার সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (এসডিএম) বা মহকুমা শাসক ক্ষিতিজ শর্মা অবশ্য দাবি করেছেন, পড়ুয়াদের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার আগে পর্যন্ত এই বিষয়ে জানা ছিল না। তিনি বলেছেন, “এই বিষয়ে এর আগে কোনো তথ্য ছিল না। ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর বাচ্চাদের কাছেই বান্ধেরা গ্রামের হাই স্কুলে ভর্তি করানো হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “ওই স্টপ ড্যামে লোহার পাটাতন বসানো হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে গ্রামবাসী ও শিশুরা তুলনামূলকভাবে নিরাপদভাবে পারাপার করতে পারেন।”

    কিন্তু এখানেই কাহিনীর শেষ নয়। ওই এলাকার পড়ুয়ারা জানিয়েছে, বছরের পর বছর ধরে এইভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা স্কুলে যেত।

    একাদশ শ্রেণির দেব শর্মার বাড়ির উল্টোদিকেই থাকে কেশব গুর্জর। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে যে পড়ুয়াদের দেখা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে সেও ছিল। দশম শ্রেণির এই পড়ুয়ার বাড়ি ‘স্টপ ড্যাম’ থেকে এক কিলোমিটার দূরে।

    প্রকাশ্যে আসা ভিডিওর প্রসঙ্গে ওই পড়ুয়া বলেছে, “হ্যাঁ, আমিও ওই ভিডিওতে ছিলাম। আমি ছাড়া সেখানে চারজন মেয়ে ছিল এবং বাকিরাও স্কুল পড়ুয়া। আমরা যখন স্কুলে যাচ্ছিলাম সেই সময় কেউ একজন ওই ভিডিও তৈরি করেন।”

    কিন্তু কেন ছাত্র-ছাত্রীরা বিপজ্জনকভাবে স্কুলে যাচ্ছে এই প্রশ্ন করায় ক্লাস টেনের এই নিষ্পাপ পড়ুয়া বলে ওঠে, “দাদা, আমরা এটা করতে বাধ্য।”

    কেশব গুর্জরের কথায়, “রাস্তা দিয়ে গেলে আমাদের প্রায় ১৫ কিলোমিটার যেতে হবে আবার ১৫ কিলোমিটার ফিরতে হবে। সাইকেলে এতটা পথ যাতায়াত করলে আমরা পড়াশোনা করব কী করে?”

    “আর সাইকেলে কোনো সমস্যা হলে তো আরো বেশি অসুবিধায় পড়ব। তাই সময় বাঁচাতে আমরা বাঁধের উপর দিয়ে যাওয়া আসা করি।”

    কয়েক বছর ধরে এই গোয়াল ঘরেই ক্লাস চলে। ছবি: বিবিসি

    ‘আমাদের আগে প্রজন্মও এভাবেই স্কুলে গিয়েছে’

    চার কিলোমিটার দূরে বান্ধেরা গ্রামে বাস করে রিচা গিরি গোসওয়ামী। এই পড়ুয়া জানিয়েছে শুধু তার প্রজন্ম নয় এই কয়েক প্রজন্ম ধরে এই একই ছবির পুনরাবৃত্তি হয়েছে।

    সে বলেছে, “আমাদের বড় ভাই, বোন এবং তাদেরও আগে, সবাই এই পথ দিয়েই যাতায়াত করে আসছেন। প্রায় ১০-১২ বছর ধরে সবাই এই বাঁধ পার করেই স্কুলে যাচ্ছে।”

    “যে পথটা ওই ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে এখন গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, সেটা আমাদের কাছে প্রতিদিনের ঘটনা। আমাদের আগে যারা স্কুলে পড়তে যেত, তাদের জন্যও তাই।”

    গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মিডল স্কুলের পর ছাত্র-ছাত্রীরা কী করবে? প্রাইমারি স্কুল ও হাই স্কুলের মধ্যবর্তী পর্যায়ে পঠন-পাঠনের জন্য মিডল স্কুল।

    পালোহতে হাই স্কুলে না থাকায় ছেলে-মেয়েদের হয় বিদিশা শহরে যেতে হবে নয়তো বেতোয়া নদীর ওপারের কোনো স্কুলে ভর্তি হতে হবে।

    কেশব গুর্জরের বাবা তারুওয়ার সিং গুর্জর ব্যাখ্যা করেছেন, কেন তার পরিবারকে দ্বিতীয় পথ বেছে নিতে হয়েছে।

    তার কথায়, “মূল সমস্যাটা হলো, মিডল স্কুলের পর ছেলে-মেয়েদের হাই স্কুলে পড়ার জন্য বিদিশা শহরে যেতে হবে। সেখানে পৌঁছাতে প্রথমে রেললাইন এবং তারপর দু’টো হাইওয়েও পার হতে হয়।”

    তিনি আরও বলেন, “আর্থিক দিক থেকে সন্তানদের বেসরকারি স্কুলে পাঠানোর সামর্থ্য আমাদের নেই। তাই আমরা তাদের বেতোয়া নদীর ওপারে পালোহের হাই স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিই, যদিও আমরা জানতাম যে সেখানে পৌঁছাতে হলে এই স্টপ ড্যামের পিলারের উপর দিয়ে লাফিয়ে নদী পার হতে হবে।”

    গ্রামবাসীরা দাবি করেছেন যে, এই সমস্যার বিষয়ে আগেও প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল।

    প্রশাসন কী বলছে?

    এসডিএম, গ্রামপ্রধান এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সামনেই দেব শর্মা বলে ওঠে, “আমি গ্রামপ্রধানের কাছে বেশ কয়েকবার অভিযোগ জানিয়েছিলাম। বলেছিলাম যে এখানে রেলিং বা অন্য কোনো ব্যবস্থা করা হোক, যাতে বাচ্চাদের লাফিয়ে বাঁধ পারাপার না করতে হয়। আমি চার-পাঁচবার অভিযোগ করেছি। আমার সঙ্গে যে অন্যান্য বাচ্চারা গিয়েছিল, তারাও বেশ কয়েকবার অভিযোগ করেছে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমাদের কথায় পাত্তা দেওয়া হয়নি।”

    তবে, বর্তমান গ্রামপ্রধান পূজা আহিরওয়ার জানিয়েছেন কেন তিনি এই বিষয় নিয়ে আর বিশেষ এগোননি।

    তার কথায়, “আমি আর কাউকে বলিনি। আমার আগে একজন গ্রামপ্রধান ছিলেন, কিন্তু তিনি কিছুই করেননি। তাই আমরা আর বেশিদূর করিনি। বর্ষাকালে বাচ্চারা এই পথ দিয়ে যেতও না।”

    পড়ুয়াদের ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে পালোহে অবশ্যই কিছু পরিবর্তন এসেছে। তবে একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো এটা যে শুধুমাত্র এই গ্রামেরই সমস্যা তা নয়।

    ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর ওই স্তম্ভের উপর লোহার পাটাতন বসানো হয়েছে। ছবি: বিবিসি

    অন্যান্য গ্রামেরও একই ছবি

    মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র সামনে আসছে। বিদিশা থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগর জেলার রাহলি উন্নয়ন ব্লকের বেলখড়ি কালান গ্রাম থেকেও একই ধরনের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। বর্ষাকালে পড়ুয়াদের বাচ্চাদের স্কুলে যেতে নদী পার হতে হয়।

    জলস্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুরা একে অন্যের হাত ধরে, জামা-কাপড় সামলে কোনো মতে নদী পেরিয়ে স্কুলে যায়। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন এই দৃশ্য প্রতি বর্ষাতেই দেখা যায়।

    বিষয়টা প্রকাশ্যে আসার পর রাহলি পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রবি পাটিদার বলেছেন যে, প্রশাসন বিষয়টাকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে।

    তার কথায়, “আমরা এই বিষয়ে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    মধ্য প্রদেশের সাগর থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে মান্ডলা জেলায় চিত্রটা একটু অন্যরকম।

    মাণ্ডলা জেলার সিংহানপুরী পঞ্চায়েতে বেশ কয়েক বছর ধরে গোয়াল ঘরেই ছোট ছোট পড়ুয়াদের ক্লাস চলছে। স্কুলের স্থায়ী কোনো ভবন না থাকায় শিশুরা এইভাবেই পড়াশোনা করছে।

    গ্রামপ্রধান প্রতাপ সিং মারাভি জানিয়েছেন তিনি একাধিকবার সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, স্কুল ঘরের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করেছেন।

    তিনি বলেন, “আমি গ্রাম পঞ্চায়েত ও গণশুনানিতে আবেদনপত্র জমা দিয়েছি। প্রায় পাঁচ বছর হয়ে গেছে, কিন্তু এখনও কোনো কর্মকর্তা পরিদর্শনের জন্য আসেননি। সেখানে কোনো স্কুলঘর নির্মাণ করা হয়নি। আমার একমাত্র চেষ্টা হলো যাতে সেখানে কোনো মতে স্কুলের একটা ভবন নির্মাণ করা যায় কারণ সেখানকার পরিস্থিতি খুবই গুরুতর।”

    মাণ্ডলা জেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে, এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে।

    মাণ্ডলার জেলা শাসক রাহুল নামদেব ধোটে বলেন, “বিষয়টা আমাদের নজরে এসেছে। এরপর এই নিয়ে চিঠিপত্র আদান-প্রদান করা হয়েছে এবং সরকারও স্কুলের অনুমোদন দিয়েছে। তার নির্মাণ শুরুর বিষয়ে কাজ চলছে।”

    শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে অভাব-অভিযোগ

    বিদিশা, সাগর ও মাণ্ডলা—এই তিন জেলার সমস্যা আলাদা আলাদা।

    কোথাও বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছনোর জন্য বাঁধের পিলার ডিঙিয়ে যেতে হয়। কোথাও তাদের পায়ে হেঁটে নদী পেরোতে হয় আবার কোথাও কোনো স্কুল ঘরই নেই। তাই পড়ুয়াদের ক্লাস বসে শস্যাগারে কিংবা গোয়াল ঘরে।

    এই ছবিগুলো এমন এক সময় প্রকাশ্যে আসছে যখন মধ্যপ্রদেশ সরকার তার বাজেটে স্কুল শিক্ষা বিভাগের জন্য ৪৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ রাখার কথা জানিয়েছে।

    সরকার জানিয়েছে, এই বাজেটের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা, বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করার জন্য। সম্প্রতি, সরকারি স্কুলগুলোর অবস্থা নিয়ে দায়ের করা এক জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলাকালীন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিশ জারি করেছে।

    আবেদনকারীর পক্ষ থেকে আইনজীবী অভিষেক থুনাওয়াত এবং আইনজীবী বিএল জৈন আদালতকে জানিয়েছেন কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি)-এর ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে সরকারি স্কুলগুলোতে মৌলিক সুযোগ-সুবিধার গুরুতর অভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

    ওই আবেদনে রিপোর্টের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে যে, রাজ্যের হাজার হাজার সরকারি স্কুল জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং ওই অবস্থাতেই শিশুদের পঠনপাঠন চলছে। বিপুল সংখ্যক স্কুলে বিদ্যুৎ ও শৌচাগারের মতো মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে, প্রায় ৪০ শতাংশ অর্থাৎ এক লক্ষ পনেরো হাজারেরও বেশি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে।

    সূত্র: বিবিসি

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    শিশু-কিশোরদের আসক্তির অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের মামলা

    আগস্ট 12, 2026
    আন্তর্জাতিক

    রুশ জাহাজ জব্দ করলে ‘পাল্টা জবাব দেওয়া হবে’: পুতিন

    আগস্ট 12, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে নীতিগতভাবে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    আগস্ট 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.