Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, আগস্ট 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তৃণমূলে বড় ভাঙন, সব কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা
    আন্তর্জাতিক

    তৃণমূলে বড় ভাঙন, সব কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা

    নিউজ ডেস্কজুন 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকট। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার পর দলটির ভেতরে মতবিরোধ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে দলের সভানেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সাংগঠনিক কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    বুধবার (৩ জুন) রাজ্য রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় আসে, যখন একদল বিদ্রোহী বিধায়ক বিধানসভার স্পিকারের কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে একটি চিঠি জমা দেন। সেখানে তারা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় নেতা হিসেবে নির্বাচনের কথা জানান। এই পদক্ষেপকে অনেক বিশ্লেষক তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশ হিসেবে দেখছেন।

    কীভাবে শুরু হলো সংকট?

    সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের ভেতরে অসন্তোষের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়।

    পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। পরে ওই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং কিছু বিধায়ক দাবি করেন, তাদের স্বাক্ষর যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়নি। এ নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ার পর দলের ভেতরের বিরোধ প্রকাশ্যে চলে আসে।

    বিদ্রোহীদের শক্ত অবস্থান

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাদের পক্ষে ৫৯ জনেরও বেশি বিধায়ক রয়েছেন। তারা স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া চিঠিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় নেতা হিসেবে মনোনীত করার কথা উল্লেখ করেছেন।

    রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, বিদ্রোহী বিধায়কেরা এখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের নেত্রী হিসেবেই স্বীকার করছেন। অর্থাৎ তাদের অবস্থান সরাসরি নতুন দল গঠন নয়; বরং দলের ভেতরে নেতৃত্ব ও পরিচালনা পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

    ব্যর্থ বৈঠক এবং বাড়তে থাকা অস্বস্তি

    গত ৩১ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে তৃণমূল বিধায়কদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছিল। তবে ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ১৭ জন উপস্থিত হওয়ায় বৈঠক কার্যত ভেস্তে যায়।

    অন্যদিকে একই দিনে কলকাতার একটি হোটেলে বিদ্রোহী বিধায়কদের পৃথক বৈঠকের খবর সামনে আসে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ওই ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয় যে দলের ভেতরের বিভাজন আর গোপন নেই।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সংকট?

    তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। দলটির সাংগঠনিক কাঠামো অনেকাংশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নেতৃত্বের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এত বড় সংখ্যক বিধায়কের প্রকাশ্য অবস্থান দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব নয়; বরং নির্বাচনী পরাজয়ের পর দলীয় কৌশল, সাংগঠনিক সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ।

    সামনে কী হতে পারে?

    বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তের ওপর। তিনি বিদ্রোহী বিধায়কদের দাবিকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন, সেটিই আগামী রাজনৈতিক সমীকরণ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

    একই সঙ্গে দলত্যাগবিরোধী আইনও এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিদ্রোহী শিবির পর্যাপ্ত সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন দেখাতে পারলে তারা আইনগত জটিলতা এড়াতে সক্ষম হতে পারে। অন্যদিকে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটিও রাজনৈতিক অঙ্গনে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক বার্তা কী?

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই ঘটনা একটি বড় বার্তা বহন করছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার পরও তৃণমূল ছিল রাজ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী বিরোধী শক্তি। কিন্তু দলীয় ঐক্য দুর্বল হয়ে গেলে সেই অবস্থান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

    তবে রাজনৈতিক ইতিহাস বলছে, সংকটের সময় অনেক দলই পুনর্গঠনের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাই তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে নেতৃত্বের সমন্বয়, সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং অসন্তুষ্ট নেতাদের সঙ্গে সমঝোতা প্রতিষ্ঠার ওপর।

    বর্তমান পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকে নতুন এক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে, যার প্রভাব আগামী কয়েক মাসে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, নিহত ৯৫; নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক

    আগস্ট 26, 2026
    আন্তর্জাতিক

    কেন বেসরকারি কোম্পানির হাতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি তুলে দিচ্ছে ভারত

    আগস্ট 26, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যেভাবে বিরল খনিজের বিশ্ববাজার দখল করল চীন

    আগস্ট 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.