ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কূটনীতি এখন শুধু যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। এটি হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক ভাষা, বাজারের মনস্তত্ত্ব এবং নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষাও। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েক মাসে বারবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি প্রায় হয়ে গেছে, সমঝোতা খুব কাছাকাছি, তেহরান চুক্তি করতে আগ্রহী, এমনকি ইরান নাকি সব কিছু মেনে নিতে প্রস্তুত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই কাঙ্ক্ষিত চুক্তি এখনো দেখা যায়নি।
একটি মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির আগের সময়সহ ট্রাম্প অন্তত ৩৭ বার সরাসরি এমন দাবি করেছেন যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি খুব কাছাকাছি, অথবা ইরান চুক্তির জন্য মরিয়া। এসব দাবি এসেছে সামাজিক মাধ্যমের বার্তা, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা, জনসমক্ষে বক্তব্য এবং সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে। কিন্তু বারবার আশ্বাসের পরও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায় এখন প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্প কি সত্যিই বাস্তব অগ্রগতির কথা বলছেন, নাকি রাজনৈতিক চাপ কমাতে আশাবাদী ভাষা ব্যবহার করছেন?
ঘটনার শুরু ২৩ মার্চ। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাসও হয়নি, তখন ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানের বাইরে সাংবাদিকদের বলেন, শান্তি আলোচনা চলছে এবং বড় বড় বিষয়ে প্রায় সব ক্ষেত্রেই সমঝোতা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে মনে হচ্ছিল, দুই পক্ষ শুধু শেষ মুহূর্তের কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু ইরান তখন আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করে। এই জায়গা থেকেই ট্রাম্পের দাবি ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে ব্যবধান স্পষ্ট হতে শুরু করে।
পরদিন, ২৪ মার্চ, ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন যুদ্ধ শেষ করা যাবে, যদিও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। এই সতর্ক আশাবাদ খুব দ্রুত আরও জোরালো ভাষায় রূপ নেয়। ২৫ মার্চ তিনি দাবি করেন, ইরান খুব প্রবলভাবে চুক্তি করতে চায়। ২৬ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, ইরান চুক্তির জন্য অনুরোধ করছে। অথচ এত তাড়াহুড়ো থাকলে দুই মাসের বেশি সময় পরও চুক্তি না হওয়া স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি করে।
২৯ মার্চ এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন। তিনি জবাবে বলেন, তিনি ইরান বিষয়ে একটি চুক্তি দেখছেন। এই উত্তর ছিল আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু অস্পষ্ট। এতে সময়সীমার চাপ ছিল, কিন্তু চুক্তির কাঠামো বা বাধাগুলো নিয়ে কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা ছিল না।
এরপর ৬ এপ্রিল ট্রাম্প বলেন, এক পর্যায়ে তারা চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলেন, কিন্তু পরে কিছুটা পিছু হটা ঘটেছে। এই বক্তব্যে প্রথমবারের মতো বোঝা যায়, আলোচনায় হয়তো বড় বাধা আছে। কিন্তু মাত্র এক দিন পর, ৭ এপ্রিল, তিনি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন এবং বলেন, দুই পক্ষ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহ সময় দিলেই চুক্তি চূড়ান্ত করা এবং কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হবে। তিনি এমনও বলেন, দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের কাছাকাছি পৌঁছানো তাঁর জন্য সম্মানের বিষয়।
এই ৭ এপ্রিলের ঘোষণা ছিল ট্রাম্পের ইরান কূটনীতির সবচেয়ে বড় দাবি। কারণ, তিনি শুধু আশাবাদ প্রকাশ করেননি; বরং সময়সীমাও দিয়েছেন। কিন্তু সেই দুই সপ্তাহ শেষ হয়ে যায়, চুক্তি আসে না। তারপরও ট্রাম্প থামেননি। বরং তিনি একই ধরনের বক্তব্য আরও বহুবার দিয়েছেন।
১৫ এপ্রিল তিনি ফক্স বিজনেসকে বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে বিষয়টি প্রায় শেষের দিকে। তিনি আরও বলেন, ইরান খুব আগ্রহ নিয়ে চুক্তি করতে চায়। ১৬ এপ্রিল সাংবাদিকদের তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা খুব ভালো দেখাচ্ছে এবং সেটি ভালো চুক্তি হবে। এসব বক্তব্যে আবারও একই বার্তা দেখা যায়—চুক্তি কাছাকাছি, ইরান আগ্রহী, অগ্রগতি হচ্ছে।
১৭ এপ্রিল ট্রাম্প আরও দৃঢ় ভাষায় কথা বলেন। ওই দিন তিনটি আলাদা উপস্থিতিতে তিনি দাবি করেন, ইরান সবকিছুতে রাজি হয়েছে, এক বা দুই দিনের মধ্যে চুক্তি হতে পারে এবং খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য নেই। এটি ছিল সবচেয়ে স্পষ্ট সময়সীমাভিত্তিক আশ্বাসগুলোর একটি। কিন্তু এক বা দুই দিন পেরিয়ে যায়, চুক্তি হয় না। ফলে ট্রাম্পের বক্তব্য আবারও বাস্তব ফলাফলের সঙ্গে মেলেনি।
২০ এপ্রিল ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, সবকিছু তুলনামূলক দ্রুত ঘটবে। এই বক্তব্যে আবারও দ্রুত সমাধানের ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু এপ্রিল শেষ হতে চললেও বাস্তবে কোনো সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। ৩০ এপ্রিল তিনি আবার বলেন, ইরান চুক্তির জন্য মরিয়া। অর্থাৎ, একই দাবি নতুন ভাষায় ফিরে আসে।
১ মে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ শেষ হতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। কিন্তু এই আশ্বাসও আগেরগুলোর মতোই ফলহীন থেকে যায়। এরপর কিছুদিন তিনি তুলনামূলকভাবে কম ভবিষ্যদ্বাণী করেন। কিন্তু ১৮ মে আবার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অনুরোধে সামরিক হামলা দুই বা তিন দিনের জন্য পিছিয়ে দিচ্ছেন, কারণ তারা মনে করছে চুক্তি খুব কাছাকাছি।
এই পর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই যেন স্বীকার করেন, আগের অনেকবার চুক্তির কাছাকাছি মনে হলেও তা বাস্তব হয়নি। তিনি বলেন, এমন সময় এসেছে যখন মনে হয়েছিল চুক্তি প্রায় হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়নি। তবে এবার পরিস্থিতি নাকি আলাদা। এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে বোঝা যায়, তিনি জানতেন আগের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো ব্যর্থ হয়েছিল। কিন্তু তারপরও তিনি আবার নতুন আশ্বাস দেন।
বাস্তবতা অবশ্য আলাদা হয়নি। ১৯ মে কংগ্রেসের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ করা হবে। ২৩ মে তিনি আবার একাধিক বক্তব্যে বলেন, প্রশাসন চুক্তির অনেক কাছাকাছি, চুক্তি প্রায় আলোচিত হয়ে গেছে, শুধু চূড়ান্ত করার অপেক্ষা এবং শেষ দিকের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ঘোষণা শিগগির আসতে পারে। কিন্তু সেই ঘোষণাও আর আসে না।
২৮ মে লারা ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, খুব ভালো একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছানো গেছে। এরপর রবিবার তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি খুব কাছাকাছি, তবে ইরান ও ইসরায়েলের পার্শ্ব সংঘর্ষ সেটিকে ঝুঁকিতে ফেলছে। অ্যাক্সিওসকে তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতার খুব কাছে তারা আছে এবং এটি ভালো চুক্তি হবে। তাঁর ভাষায়, তিনি চান না চলমান পরিস্থিতির কারণে সেটি ভেস্তে যাক।
এই বক্তব্যও নতুন নয়। বরং এটি একই কৌশলের পুনরাবৃত্তি। চুক্তি কাছাকাছি, কিন্তু বাইরের কোনো ঘটনা সেটিকে ঝুঁকিতে ফেলছে—এই ধরনের ব্যাখ্যা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক। এতে ব্যর্থতার দায় সরাসরি নিজের কূটনীতির ওপর পড়ে না। বরং বলা যায়, অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে।
এরপর সোমবার দক্ষিণ ক্যারোলিনার যুদ্ধপন্থী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের পক্ষে এক দূরসমাবেশে ট্রাম্প আবার বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ বিজয় অর্জিত হবে। তিনি দাবি করেন, আলোচনা চলছে, ইরান ভালো চুক্তি করতে চায় এবং তারা সবকিছু দিতে রাজি। এই বক্তব্যে আবারও ৭ এপ্রিলের প্রতিধ্বনি শোনা যায়। তখনও দুই সপ্তাহের কথা বলা হয়েছিল, এবারও দুই সপ্তাহের মধ্যে বিজয়ের কথা বলা হলো।
এই পুরো ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট হয়। প্রথমত, ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে এমন ভাষা ব্যবহার করছেন, যা অগ্রগতি দেখায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেয় না। তিনি বলেন, চুক্তি কাছাকাছি, ইরান আগ্রহী, মতপার্থক্য কম, ঘোষণা শিগগির। কিন্তু কোন বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, কোন বিষয়ে হয়নি, কোন পক্ষ কী ছাড় দিচ্ছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত স্পষ্ট নয়।
দ্বিতীয়ত, তাঁর বক্তব্যে ইরানকে প্রায়ই দুর্বল অবস্থানে দেখানো হয়। ইরান নাকি চুক্তির জন্য মরিয়া, অনুরোধ করছে, সবকিছু দিতে প্রস্তুত। এই ভাষা অভ্যন্তরীণ রাজনীতির জন্য কার্যকর হতে পারে। কারণ এতে প্রেসিডেন্টকে শক্তিশালী আলোচক হিসেবে দেখানো যায়। কিন্তু কূটনীতিতে এই ধরনের প্রকাশ্য ভাষা অনেক সময় বিপরীত ফলও দিতে পারে। প্রতিপক্ষ যদি মনে করে তাকে অপমান করা হচ্ছে, তাহলে আলোচনায় নমনীয়তা কমে যেতে পারে।
তৃতীয়ত, বারবার ব্যর্থ আশ্বাস বাজারকে শান্ত রাখার কৌশলও হতে পারে। ইরান নিয়ে যুদ্ধ, তেল সরবরাহ, হরমুজ প্রণালি এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। প্রেসিডেন্ট যদি বলেন চুক্তি আসছে, তাহলে বাজারে আতঙ্ক কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু একই দাবি বারবার মিথ্যা প্রমাণিত হলে একসময় সেই ভাষার প্রভাবও কমে যায়।
চতুর্থত, এটি ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ধরনকেও সামনে আনে। তিনি প্রায়ই বড় ঘোষণা, দ্রুত সাফল্য এবং নাটকীয় সমাধানের ভাষা ব্যবহার করেন। তাঁর সমর্থকদের কাছে এই ভাষা দৃঢ় নেতৃত্বের প্রমাণ হতে পারে। কিন্তু আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব ফলাফলের দূরত্ব যত বাড়ে, বিশ্বাসযোগ্যতা তত দুর্বল হয়।
ইরানের ক্ষেত্রেও বিষয়টি সহজ নয়। তেহরান যদি সত্যিই চুক্তি চায়, তবে এত দীর্ঘ বিলম্ব কেন? আর যদি চুক্তি না চায়, তবে ট্রাম্পের বারবার দাবি কোথা থেকে আসছে? এই প্রশ্নগুলোর কোনো পরিষ্কার উত্তর নেই। তবে এতটুকু বোঝা যায়, আলোচনায় এমন কিছু বাধা আছে যা প্রকাশ্য আশ্বাস দিয়ে মুছে ফেলা যাচ্ছে না। পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা, আঞ্চলিক প্রভাব, ইসরায়েলের নিরাপত্তা, হরমুজ প্রণালি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান—এসব বিষয় একসঙ্গে জড়িত থাকলে চুক্তি কখনোই সহজ হয় না।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে বিশ্বাসযোগ্যতার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট বারবার বলেন চুক্তি আসছে, অথচ চুক্তি আসে না, তখন ভবিষ্যতের ঘোষণাও সন্দেহের চোখে দেখা শুরু হয়। রাজনৈতিক ভাষা তখন তথ্যের বদলে প্রত্যাশা তৈরির হাতিয়ার হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রত্যাশা যদি বারবার ভেঙে যায়, তাহলে সেটি একসময় বিপরীত প্রভাব ফেলে।
ট্রাম্প হয়তো মনে করেন, তিনি চাপ, আশ্বাস এবং প্রকাশ্য আত্মবিশ্বাস দিয়ে ইরানকে চুক্তির দিকে ঠেলে দিতে পারবেন। কিন্তু কূটনীতি শুধু ইচ্ছাশক্তির বিষয় নয়। প্রতিপক্ষের স্বার্থ, আঞ্চলিক শক্তির হিসাব, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বাস্তব নিরাপত্তা উদ্বেগ—সবকিছু মিলিয়েই চুক্তি তৈরি হয়। শুধু “চুক্তি কাছাকাছি” বললেই চুক্তি কাছাকাছি চলে আসে না।
এখন প্রশ্ন হলো, ৩৭ বার আশ্বাসের পরও যদি চুক্তি না হয়, তাহলে পরবর্তী আশ্বাস মানুষ কতটা গুরুত্ব দিয়ে নেবে? ট্রাম্পের সর্বশেষ দাবি—ইরান সবকিছু দিতে রাজি এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ বিজয় আসতে পারে—আবারও বড় প্রত্যাশা তৈরি করছে। কিন্তু আগের অভিজ্ঞতা বলছে, এই ধরনের ঘোষণাকে সতর্কতার সঙ্গে দেখা দরকার।
ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য তাই শুধু একটি কূটনৈতিক গল্প নয়; এটি রাজনৈতিক ভাষা ও বাস্তবতার সংঘর্ষের গল্প। এখানে একদিকে আছে দ্রুত সাফল্যের দাবি, অন্যদিকে আছে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা। একদিকে আছে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা, অন্যদিকে আছে ফলহীন আলোচনা। এই ব্যবধান যত দিন থাকবে, তত দিন ট্রাম্পের প্রতিটি নতুন আশ্বাসের সঙ্গে একটি পুরোনো প্রশ্ন ফিরে আসবে—চুক্তি সত্যিই আসছে, নাকি আবারও শুধু বলা হচ্ছে?

