Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, আগস্ট 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » যেভাবে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার সেতু হলো পাকিস্তান
    আন্তর্জাতিক

    যেভাবে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার সেতু হলো পাকিস্তান

    নিউজ ডেস্কUpdated:জুন 16, 2026জুন 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    একশ দিনের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ, আঞ্চলিক উত্তেজনা, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং কূটনৈতিক অনিশ্চয়তার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতার পথে এগিয়েছে। এই সমঝোতা এখনো চূড়ান্ত রূপ পায়নি, তবে এর ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, দীর্ঘদিন পর তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এমন একটি সমঝোতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যার পেছনে পাকিস্তানের সক্রিয় মধ্যস্থতা বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানানো হয়েছে।

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জাতীয় পরিষদে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ভেতরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এনেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার শেষ পর্যায়ে এমন একাধিক মুহূর্ত এসেছিল, যখন মনে হয়েছিল পুরো প্রক্রিয়া ভেঙে পড়তে পারে। কিন্তু পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বারবার আলোচনাকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। শেহবাজ শরিফ বলেন, যুদ্ধের আগুন নেভাতে তিনি দিনরাত কাজ করেছেন এবং আলোচনা থেমে গেলে শান্তির আশা ভেঙে যেত।

    এই বক্তব্য শুধু প্রশংসাসূচক রাজনৈতিক মন্তব্য নয়; এটি পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কূটনীতি ও সামরিক নেতৃত্বের সমন্বিত ভূমিকারও ইঙ্গিত দেয়। সাধারণত এ ধরনের সংবেদনশীল আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ্যে আসে না। কিন্তু শেহবাজ শরিফ যেভাবে সেনাপ্রধান, মন্ত্রী ও আঞ্চলিক অংশীদারদের ভূমিকার কথা বলেছেন, তাতে বোঝা যায়—এই সমঝোতা হঠাৎ তৈরি হয়নি। বরং দীর্ঘ যোগাযোগ, পরোক্ষ আলোচনা, আস্থার ঘাটতি কাটানোর চেষ্টা এবং শেষ মুহূর্তের চাপ সামলে একটি প্রাথমিক কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে।

    চুক্তিটি ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সই হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানের আয়োজনে এই সই অনুষ্ঠান হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এটিকে পুরোপুরি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি বলা এখনই ঠিক হবে না। বরং এটি একটি প্রাথমিক সমঝোতা, যার ওপর দাঁড়িয়ে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরও বিস্তৃত আলোচনা হওয়ার কথা। সেই আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, জব্দকৃত সম্পদ, নৌ–অবরোধ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সামরিক অবস্থানসংক্রান্ত বিষয়।

    এই সমঝোতার ঘোষণাটি প্রথম আসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের পক্ষ থেকে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর কিছু সময় পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাঁর বক্তব্যে বোঝা যায়, ওয়াশিংটন এই সমঝোতাকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত কীভাবে শর্তগুলো বাস্তবায়ন করা হবে, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

    সমঝোতার সবচেয়ে বড় দিক হলো সব রণাঙ্গনে সামরিক অভিযান বন্ধের প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যুদ্ধের সময় লেবানন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্টে পরিণত হয়েছিল। ফলে শুধু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি উত্তেজনা কমালেই হবে না; সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক সংঘাতগুলোও নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। এই কারণেই লেবাননের বিষয়টি চুক্তির মধ্যে থাকা কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

    ইরানের মেহের সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সমঝোতা স্মারকে ১৪টি দফা রয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের ওপর আরোপিত নৌ–অবরোধ প্রত্যাহারের অঙ্গীকার করেছে। একই সঙ্গে ইরানের কাছাকাছি মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথাও বলা হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কার্যত বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়ার কথাও রয়েছে।

    হরমুজ প্রণালি এই সমঝোতার কেন্দ্রীয় একটি বিষয়। বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের জন্য এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের কারণে প্রণালিটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল ও গ্যাস পরিবহনে চাপ তৈরি হয়েছিল। এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দেয়। তাই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিক দিক থেকেও বড় স্বস্তির বার্তা দিতে পারে।

    সমঝোতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের জব্দকৃত সম্পদ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদ ধাপে ধাপে অবমুক্ত করা হতে পারে। এই প্রক্রিয়া পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখেই ইরান পরবর্তী আলোচনা এগিয়ে নিতে পারে। তেহরানের অবস্থান পরিষ্কার—প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ না নিলে শুধু কাগুজে চুক্তি দিয়ে আস্থা ফিরবে না।

    এই চুক্তির আরেকটি সংবেদনশীল দিক হলো আলোচনার এজেন্ডা। মেহেরের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ইরানের সমর্থন আপাতত আলোচনার মূল তালিকা থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এটি ইরানের জন্য কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের কাছে এসব বিষয় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে তাৎক্ষণিক সমঝোতা হলেও ভবিষ্যতে এই প্রশ্নগুলো আবার সামনে আসতে পারে।

    পাকিস্তানের ভূমিকা বোঝার জন্য কয়েকটি ঘটনার দিকে তাকাতে হয়। ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছিল। তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে আসিম মুনির মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক যোগাযোগ করেন বলে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সেই যুদ্ধবিরতি খুব শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো না থাকলেও পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। পরে ট্রাম্প সেটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়ান, পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী শেহবাজ শরিফ ও আসিম মুনিরের ব্যক্তিগত অনুরোধের ভিত্তিতে।

    এরপর ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এটিই ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি যোগাযোগের একটি বিরল উদাহরণ। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সেই আলোচনায় অংশ নেন। তবে বৈঠকটি কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এরপর কয়েক সপ্তাহ মুখোমুখি আলোচনা বন্ধ থাকে। প্রকাশ্যে অগ্রগতি খুব কম দেখা গেলেও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগ চালিয়ে যান।

    সাবেক পাকিস্তানি কূটনীতিক জওহর সলিমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল হাল না ছাড়ার মনোভাব। তাঁর মতে, পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে শুধু অবস্থানগত ব্যবধান কমায়নি; বরং প্রতিটি দেশের ভেতরে থাকা বাস্তববাদী ও কঠোর অবস্থানের পক্ষগুলোর মধ্যকার টানাপোড়েনও সামলাতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই ভারসাম্য রক্ষা সহজ ছিল না।

    তবে পাকিস্তান একা কাজ করেনি। ৩১ মার্চ পাকিস্তান ও চীন যুদ্ধ বন্ধে পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনায় একমত হয়। চীনের আগ্রহের পেছনে বড় কারণ ছিল হরমুজ প্রণালি। এই পথ দিয়ে চীনের তেল ও গ্যাস আমদানির বড় অংশ যায়। তাই প্রণালির অচলাবস্থা বেইজিংয়ের জন্যও বড় উদ্বেগের বিষয় ছিল। মে মাসে আসিম মুনির দ্বিতীয়বারের মতো তেহরান সফর করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও কয়েকবার ইসলামাবাদ সফর করেন এবং পাকিস্তানি নেতৃত্বের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন।

    চূড়ান্ত পর্যায়ে সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর, কাতার ও চীনের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শনিবার পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এসব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ পাকিস্তানের ধারাবাহিক মধ্যস্থতা ও সংলাপ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। শেহবাজ শরিফও কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও চীনের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান।

    তবে শেষ মুহূর্তেও অনিশ্চয়তা ছিল। শনিবার শেহবাজ শরিফ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত লিখিত পাঠে একমত হয়েছে এবং শান্তি এতটা কাছে আগে কখনো আসেনি। কিন্তু ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একই সময়ে জানায়, তাদের আলোচক দল নিকট ভবিষ্যতে চুক্তি সই করতে যাচ্ছে—এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। এর মধ্যেই রবিবার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলা পরিস্থিতিকে আবার উত্তপ্ত করে তোলে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ প্রশ্ন তোলেন, ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ইচ্ছা বা সক্ষমতা আদৌ আছে কি না। তবু ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার ইঙ্গিত দেন।

    এই শেষ মুহূর্তের টানাপোড়েন দেখিয়ে দেয়, চুক্তির ঘোষণা যতই বড় হোক, বাস্তবায়ন হবে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্রকে নৌ–অবরোধ প্রত্যাহার, বাহিনী সরানো এবং সম্পদ অবমুক্তির মতো প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যদিকে ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, সামরিক অভিযান বন্ধ রাখা এবং পারমাণবিক আলোচনায় এগিয়ে আসার পথ ধরে রাখতে হবে। কোনো পক্ষ যদি প্রতিশ্রুতির ব্যাখ্যা নিয়ে দ্বিমত করে, তাহলে সমঝোতার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

    পাকিস্তানের জন্য এই মধ্যস্থতা একটি বড় কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নানা চাপের মুখে ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মতো দুই প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের মধ্যে আলোচনার সেতু তৈরি করতে পারা পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থানকে নতুন গুরুত্ব দিতে পারে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমন্বিত ভূমিকা দেশটির অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার কাঠামো সম্পর্কেও নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

    তবে এই সাফল্যের সঙ্গে ঝুঁকিও আছে। যদি চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। আবার যদি ১৯ জুন জেনেভায় সইয়ের পর ৬০ দিনের আলোচনা সফল হয়, তাহলে পাকিস্তান শুধু একটি যুদ্ধবিরতি নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের একটি বড় কূটনৈতিক মোড়ের অংশীদার হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিতে পারে।

    সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা এখনো পথের শুরুতে আছে। যুদ্ধ থামানোর ঘোষণা, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা, ২৪ বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদ, ৩০ দিনের মধ্যে নৌ–অবরোধ প্রত্যাহার এবং ৬০ দিনের আলোচনার পরিকল্পনা—এসব মিলিয়ে এটি বড় একটি কাঠামো। কিন্তু শান্তির সত্যিকারের পরীক্ষা হবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতা সেই দরজা খুলে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, জেনেভার সই কি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথে নিয়ে যায়, নাকি এটি আবারও মধ্যপ্রাচ্যের জটিল কূটনীতির আরেকটি অস্থায়ী বিরতি হয়ে থাকে।

     

    সিভি/এইচএম

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ দেখিয়ে ট্রাম্পের নতুন মানচিত্র

    আগস্ট 23, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ১০

    আগস্ট 23, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ওড়িশা উপকূলে ডুবল কার্গো জাহাজ, ২৪ নাবিকের মধ্যে বাংলাদেশিও

    আগস্ট 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.