Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুন 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা কিয়ার স্টারমারের
    আন্তর্জাতিক

    চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা কিয়ার স্টারমারের

    হাসিব উজ জামানজুন 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হলো কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ ঘোষণার মধ্য দিয়ে। সোমবার লন্ডনের ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতৃত্বও ছেড়ে দিচ্ছেন।

    তবে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও তিনি অবিলম্বে দায়িত্ব ছাড়ছেন না। নতুন নেতা নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে পার্লামেন্টের গ্রীষ্মকালীন বিরতি শেষ হওয়ার আগেই নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

    পদত্যাগের ঘোষণা দিতে গিয়ে নিজের রাজনৈতিক যাত্রার কথাও তুলে ধরেন স্টারমার। তিনি বলেন, যখন তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তখন দলটি রাজনৈতিকভাবে দুর্বল, আর্থিকভাবে সংকটে এবং জনআস্থার দিক থেকে কঠিন অবস্থায় ছিল। অনেকেই তখন বিশ্বাস করতেন দলটির ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু তিনি সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেন।

    তার ভাষায়, দলের ভেতরে দীর্ঘদিনের নানা সংকট মোকাবিলা করে তিনি একটি নতুন ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। বিশেষ করে দলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবং বিভাজন দূর করার বিষয়টি তিনি নিজের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

    স্টারমার আরও বলেন, তার নেতৃত্বে জনগণের মধ্যে অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের প্রতি আস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও বিরোধীরা তার এই দাবির সঙ্গে একমত নন, তবুও বিদায়ী ভাষণে তিনি নিজের মেয়াদকে ইতিবাচকভাবেই তুলে ধরেছেন।

    পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, সোমবার সকালেই তিনি রাজা তৃতীয় চার্লসকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন। একই সঙ্গে লেবার পার্টির জাতীয় নির্বাহী কমিটিকে নতুন নেতা নির্বাচনের জন্য দ্রুত সময়সূচি নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

    দলীয় সূত্র অনুযায়ী, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ৯ জুলাই থেকে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর পার্লামেন্টের গ্রীষ্মকালীন বিরতির আগেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে কিয়ার স্টারমার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তাকে একাধিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ে অসন্তোষ, সরকারি নীতির সমালোচনা এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ চাপ ধীরে ধীরে তার অবস্থানকে দুর্বল করে তোলে।

    বিশেষ করে গত কয়েক মাসে তার ওপর রাজনৈতিক চাপ দৃশ্যমানভাবে বেড়ে যায়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে গত শুক্রবারের উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর। ওই নির্বাচনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল লেবার পার্টির ভেতরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি আরও জোরালো করে তোলে।

    এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিষয়টি আলোচনায় আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন যে স্টারমার শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়তে যাচ্ছেন। পরে সেই পূর্বাভাস সত্যি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    স্টারমারের বিদায়ের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ক্ষমতাসীন দলকে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে হবে, একই সঙ্গে জনগণের আস্থা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হবে। নতুন নেতা কে হবেন এবং তিনি কী ধরনের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দেবেন, তা এখন ব্রিটিশ রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, স্টারমারের পদত্যাগ শুধু একজন প্রধানমন্ত্রীর বিদায় নয়; এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নতুন এক প্রতিযোগিতার সূচনা। আগামী কয়েক সপ্তাহে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ লড়াই এবং নতুন নেতৃত্বের উত্থানই ব্রিটেনের রাজনীতির মূল আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ৯২ শতাংশ ইসরায়েলিদের চোখে বিজয়ী ইরান

    জুন 22, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ফিলিপাইনের স্কুলে রক্তাক্ত বন্দুক হামলা, নিহত ৩

    জুন 22, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানে চীনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা

    জুন 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.