Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 30, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গরম বাড়ছে, তবু ইউরোপে এসির ব্যবহার এত কম কেন
    আন্তর্জাতিক

    গরম বাড়ছে, তবু ইউরোপে এসির ব্যবহার এত কম কেন

    নিউজ ডেস্কজুন 29, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইউরোপকে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে ঠান্ডা আবহাওয়ার মহাদেশ হিসেবে চিনে এসেছে। শীত, তুষার, মেঘলা আকাশ আর আরামদায়ক গ্রীষ্ম—এই ছিল ইউরোপের পরিচিত জলবায়ুর ছবি। কিন্তু সেই ছবি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপে তাপপ্রবাহ শুধু বেশি হচ্ছে না, আগের তুলনায় আরও আগে শুরু হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় স্থায়ী হচ্ছে। ফলে বহু শহরে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে।

    ২৫ জুন, ২০২৬ তারিখে ফ্রান্সের চামোনিক্সে প্রচণ্ড গরমে এক ব্যক্তিকে মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে স্বস্তি খুঁজতে দেখা যায়। দৃশ্যটি একক কোনো ঘটনার ছবি নয়; বরং ইউরোপের বর্তমান গ্রীষ্মের বাস্তবতা বোঝার জন্য এটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। যে অঞ্চলে একসময় ঘর ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা খুব জরুরি বলে মনে করা হতো না, সেখানে এখন মানুষ বৈদ্যুতিক পাখা, বরফ, ঠান্ডা পানিতে গোসল কিংবা সাময়িক ছায়ার ওপর নির্ভর করে তাপ সামলানোর চেষ্টা করছে।

    পরিসংখ্যানটি আরও পরিষ্কার করে দেয় সমস্যার গভীরতা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র রয়েছে। অথচ ইউরোপে এই হার মাত্র ২০ শতাংশের কাছাকাছি। অর্থাৎ উন্নত অর্থনীতি, আধুনিক শহর, উচ্চ জীবনমান এবং শক্তিশালী অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও ইউরোপের বড় অংশ এখনো ঘর ঠান্ডা রাখার যান্ত্রিক ব্যবস্থায় অনেক পিছিয়ে।

    প্রশ্ন হলো, যখন তাপপ্রবাহ মানুষের স্বাস্থ্য, কর্মক্ষমতা এবং দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে, তখন ইউরোপে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার এত কম কেন? এর উত্তর শুধু অর্থনৈতিক নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, স্থাপত্য, জ্বালানির দাম, পরিবেশনীতি, আইনি বাধা এবং মানুষের মানসিকতা।

    প্রথম কারণটি হলো প্রয়োজনের ইতিহাস। ইউরোপের বড় অংশে অতীতে দীর্ঘস্থায়ী ভয়াবহ গরম খুব সাধারণ ছিল না। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিম ইউরোপের অনেক দেশ গরমের চেয়ে ঠান্ডা মোকাবিলার জন্য বেশি প্রস্তুত ছিল। ঘরবাড়ি বানানো হয়েছে শীত থেকে বাঁচার চিন্তা করে। দেয়াল, জানালা, ছাদ, তাপ ধরে রাখার ব্যবস্থা—সবকিছুতেই লক্ষ্য ছিল ঘরকে উষ্ণ রাখা। ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রকে প্রয়োজনীয় যন্ত্র হিসেবে নয়, বরং বাড়তি আরাম বা বিলাসিতা হিসেবে দেখা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার জ্বালানি দক্ষতা বিভাগের প্রধান ব্রায়ান মাদারওয়ে বলেছেন, ইউরোপে এই যন্ত্র ব্যবহারের কোনো দীর্ঘ ঐতিহ্য নেই, কারণ সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত এর বড় প্রয়োজনই ছিল না। এই মন্তব্য ইউরোপের বাস্তবতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দেশেই মানুষ গরমকে সাময়িক অস্বস্তি হিসেবে দেখেছে, স্থায়ী জলবায়ু ঝুঁকি হিসেবে নয়।

    কিন্তু এখন সেই ধারণা বদলাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপ বিশ্বের অন্য অনেক অঞ্চলের তুলনায় দ্রুত উত্তপ্ত হচ্ছে। এতে করে যেসব শহর গরমের জন্য প্রস্তুত ছিল না, সেগুলোতে তাপপ্রবাহ এখন জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিচ্ছে। বয়স্ক মানুষ, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি এবং একা বসবাসকারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।

    দ্বিতীয় কারণ হলো খরচ। ইউরোপের অনেক দেশে বিদ্যুতের দাম যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র কেনা এক ধরনের ব্যয়, কিন্তু সেটি চালানো আরও বড় ব্যয়। অনেক পরিবারের কাছে মাসের বিদ্যুৎ বিল বড় চিন্তার বিষয়। বিশেষ করে যেসব দেশে আয় তুলনামূলক কম, সেখানে এই যন্ত্র ব্যবহার করা অনেকের জন্য আর্থিক চাপ তৈরি করে। ফলে গরম যতই বাড়ুক, অনেক পরিবার এখনো পাখা, জানালা খুলে রাখা, ভেজা কাপড় বা ঠান্ডা পানির মতো সস্তা উপায়ের ওপর নির্ভর করছে।

    তৃতীয় কারণ ভবনের ধরন। দক্ষিণ ইউরোপের অনেক পুরনো বাড়ি একসময় স্থানীয় জলবায়ু বুঝে তৈরি করা হয়েছিল। পুরু দেয়াল, ছোট জানালা, সরাসরি রোদ আটকানোর ব্যবস্থা এবং বাতাস চলাচলের সুযোগ—এসব কারণে ঘর তুলনামূলক ঠান্ডা থাকত। ইতালি, স্পেন, গ্রিস কিংবা ফ্রান্সের কিছু পুরনো এলাকায় এই ধরনের স্থাপত্য এখনো দেখা যায়। এসব বাড়িতে অতীতে যান্ত্রিক শীতলীকরণের প্রয়োজন কম ছিল।

    তবে সমস্যা হলো, ইউরোপের সব বাড়ি এমন নয়। মহাদেশের অনেক অংশের ঘরবাড়ি গরমের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়নি। বরং ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়াই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ইংল্যান্ডে প্রতি ছয়টি বাড়ির একটি ১৯০০ সালের আগে নির্মিত। এসব পুরনো বাড়িতে কেন্দ্রীয় শীতলীকরণ ব্যবস্থা বসানো সহজ নয়। দেয়ালের গঠন, ভবনের বয়স, স্থান সংকট এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা অনেক সময় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

    ২৬ জুন, ২০২৬ তারিখে ইতালির রাজধানী রোমে ঐতিহাসিক কলোসিয়ামের পাশে পর্যটক ও সাধারণ মানুষকে পানির কুয়াশার সাহায্যে শরীর ঠান্ডা করতে দেখা যায়। একই দিনে জার্মানির বাড হমবুর্গ টেনিস ক্লাবে তাপদাহের মধ্যে দর্শকদের বিনামূল্যে টুপি দেওয়া হয়। এসব দৃশ্য দেখায়, ইউরোপ গরম মোকাবিলায় এখনো অনেক ক্ষেত্রে অস্থায়ী সমাধানের ওপর নির্ভর করছে।

    চতুর্থ কারণ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা। ইউরোপের অনেক শহরে ঐতিহাসিক ভবন, সংরক্ষিত এলাকা এবং নির্দিষ্ট স্থাপত্যরীতি রক্ষার জন্য কঠোর নিয়ম রয়েছে। কোনো ভবনের বাইরে শীতাতপ যন্ত্র বসালে সেটি শহরের দৃশ্যপট নষ্ট করতে পারে—এই যুক্তিতে অনেক জায়গায় অনুমতি পাওয়া কঠিন হয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রিচার্ড স্যামন বলেছেন, অনেক সময় অনুমোদনের প্রক্রিয়াই এত জটিল যে মানুষ এই যন্ত্র বসানোর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

    পঞ্চম এবং সবচেয়ে গভীর কারণ হলো পরিবেশনীতি। ইউরোপ ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে জ্বালানি ব্যবহারে বড় ধরনের পরিবর্তন দরকার। কিন্তু শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। বিদ্যুৎ যদি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আসে, তাহলে কার্বন নিঃসরণও বাড়বে। ফলে গরম কমানোর যন্ত্রই শেষ পর্যন্ত পৃথিবীকে আরও গরম করার পথে ভূমিকা রাখতে পারে।

    শহুরে তাপমাত্রার ওপরও এর প্রভাব আছে। প্যারিসে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কারণে বাইরের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। কারণ যন্ত্রটি ঘরের ভেতর ঠান্ডা করলেও বাইরে গরম বাতাস ছাড়ে। ঘনবসতিপূর্ণ শহরে একসঙ্গে বহু যন্ত্র চালু থাকলে বাইরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অর্থাৎ ঘরের ভেতর স্বস্তি তৈরি হলেও রাস্তা, ফুটপাত এবং আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য গরম আরও অসহনীয় হতে পারে।

    এই কারণেই ২০২২ সালে স্পেন জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য একটি নিয়ম চালু করে। সরকারি জায়গাগুলোতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা নিষিদ্ধ করা হয়। এটি দেখায়, ইউরোপ শুধু গরম থেকে বাঁচার প্রশ্ন দেখছে না; একই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু লক্ষ্যও বিবেচনা করছে।

    কিন্তু বাস্তবতা হলো, মানুষের শরীরের সহনক্ষমতারও সীমা আছে। গরম যখন বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, তখন শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রকে বিলাসিতা বলে উপেক্ষা করা কঠিন। বিশেষ করে হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম, স্কুল, গণপরিবহন, শ্রমঘন কর্মক্ষেত্র এবং ছোট ঘরে বসবাসকারী মানুষের জন্য ঠান্ডা থাকার ব্যবস্থা জীবনরক্ষাকারী হতে পারে।

    ইউকে গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের পরিচালক ইয়েতুন্দে আব্দুল বলেছেন, বাড়িগুলোকে কেবল ঠান্ডার জন্য নয়, তীব্র গরম মোকাবিলায় সক্ষম করে গড়ে তুলতে হবে। এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সমস্যার সমাধান শুধু ঘরে যন্ত্র বসানো নয়। ভবনকে এমনভাবে বদলাতে হবে, যাতে কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করেই ভেতরের তাপমাত্রা সহনীয় রাখা যায়।

    এখানে কয়েকটি বিকল্প গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যেমন ছাদ ও দেয়ালে তাপরোধী ব্যবস্থা, জানালায় ছায়া তৈরির ব্যবস্থা, সাদা বা প্রতিফলনশীল ছাদ, শহরে বেশি গাছ, খোলা জলাধার, বায়ু চলাচলের পথ, কম তাপ ধরে এমন নির্মাণসামগ্রী এবং রাতের ঠান্ডা বাতাস ব্যবহার করে ঘর ঠান্ডা রাখার পদ্ধতি। এগুলো দ্রুত ফল না দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শহরকে সহনীয় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

    তবে বাজারের প্রবণতা বলছে, ইউরোপে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে এই যন্ত্রের সংখ্যা বেড়ে ২৭৫ মিলিয়নে পৌঁছাতে পারে, যা ২০১৯ সালের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। রিচার্ড স্যামন জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছরে বাসাবাড়িতে এই যন্ত্রের চাহিদা তিন গুণের বেশি বেড়েছে।

    এই বৃদ্ধি একদিকে বাস্তব প্রয়োজনের ইঙ্গিত, অন্যদিকে ভবিষ্যতের ঝুঁকির সতর্কবার্তা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাধিকা খোসলা সতর্ক করেছেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের অতিরিক্ত ব্যবহার একটি দুষ্টচক্র তৈরি করতে পারে। মানুষ গরম থেকে বাঁচতে যন্ত্র ব্যবহার করবে, যন্ত্র চালাতে বেশি বিদ্যুৎ লাগবে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহৃত হলে পৃথিবী আরও গরম হবে, তারপর আরও বেশি যন্ত্রের প্রয়োজন হবে।

    ব্রায়ান মাদারওয়ের মতে, চরম গরম ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে। অর্থাৎ ইউরোপে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার বাড়বেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বৃদ্ধি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যদি অনিয়ন্ত্রিতভাবে কম দক্ষ যন্ত্র ব্যবহার বাড়ে, তাহলে জলবায়ু লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আবার যদি দক্ষ যন্ত্র, নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ, ভবন সংস্কার এবং শক্তিশালী নীতিমালা একসঙ্গে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে মানুষকে বাঁচানো এবং পরিবেশ রক্ষা—দুটি লক্ষ্যই কিছুটা ভারসাম্যে রাখা সম্ভব।

    ইউরোপ এখন এক কঠিন মোড়ে দাঁড়িয়ে। এতদিন গরমকে সাময়িক সমস্যা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু এখন তা স্থায়ী বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে। ২৬ জুন, ২০২৬ তারিখে পোল্যান্ডের ওয়ারশতে তাপদাহের মধ্যে একটি কুকুরকে আশ্রয়কেন্দ্রের পাশে ছোট পুলে নেমে শরীর ঠান্ডা করতে দেখা যায়। এই দৃশ্যও প্রতীকী। তাপপ্রবাহ শুধু মানুষের নয়, শহরের প্রতিটি প্রাণী, প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি ঘর এবং প্রতিটি ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।

    অতএব ইউরোপে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কম থাকার কারণ একক নয়। ইতিহাস, আবহাওয়া, খরচ, পুরনো ভবন, আইনি বাধা, পরিবেশনীতি এবং মানসিকতা—সব মিলিয়ে এই বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে পরিস্থিতি একই থাকবে না। গরম বাড়লে মানুষের চাহিদা বাড়বে। তখন নীতিনির্ধারকদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হবে এমন পথ খুঁজে বের করা, যাতে মানুষ প্রাণঘাতী গরম থেকে রক্ষা পায়, কিন্তু সেই সমাধান আবার জলবায়ু সংকটকে আরও গভীর না করে।

    প্রতিটি নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র আগামী এক বা দুই দশকের জ্বালানি ব্যবহারের পথ তৈরি করে দেয়। তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এখনই। ইউরোপের সামনে প্রশ্নটি শুধু এই নয় যে ঘর ঠান্ডা রাখা হবে কি না। বড় প্রশ্ন হলো, কীভাবে ঠান্ডা রাখা হবে—মানুষের জীবন বাঁচিয়ে, শহরকে বাসযোগ্য রেখে এবং পৃথিবীকে আরও বেশি গরম না করে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    রামমন্দিরে দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল ভারত

    জুন 29, 2026
    আন্তর্জাতিক

    তেহরান-ওয়াশিংটন চুক্তির আড়ালে কৌশলের খেলা

    জুন 29, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ৬০০ কোটি ডলার ফিরে পাচ্ছে ইরান

    জুন 29, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.